The Yellow Wall of Iduna Park
পোস্টটি ৬৪৯ বার পঠিত হয়েছেফুটবল খেলা ও এর মাঠের আসল প্রান হল দর্শক। এই দর্শক ছাড়া স্টেডিয়াম লাগে শুন্যতা। বিশ্বের সব দলেরই নিজস্ব স্টেডিয়াম আছে, সাথে আছে নিজেদের ভক্ত সমর্থক। এরাই খেলোয়াড় দের মাঠে সাহস জুগায়, আত্নবিশ্বাস দেয় ভালো খেলার।
ক্লাব ফুটবলে কোন দলের ফ্যানদের আলাদা নামডাক আছে নিজেদের ইউনিক মাঠের আলাদা বিশেষত্ব এর জন্য?
জার্মান বুন্দেসলিগায় খেলা ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ড এর স্টেডিয়াম সিগনাল ইদুনা পার্ক এর সাউথ স্ট্যান্ড নিয়ে লিখা। এই স্ট্যান্ড এর বিষেশত্ব , এইখানে বসার কোন জায়গা নাই। ২৫,০০০ লোক এই খানে পুরো ৯০ মিনিট দাড়িয়ে খেলা দেখে থাকেন, এটি বিশ্ব ফুটবলে “দ্যা ইয়োলো ওয়াল” নামে পরিচিত। এটি পুরো ইউরোপ এর সবচেয়ে বড় স্ট্যান্ড। এবং জার্মান ফুটবলের বিশাল গর্বের স্তান এটি ব্যাপারে বুন্দেসলিগার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বলেছে, মহাকাশ থেকে ইদুনা পার্ক চোখে দেখা না গেলেও এই “দ্যা ইয়োলো ওয়াল” ঠিকই দেখা যাবে। এতিকে কে ডর্টমুন্ড এর ১২ তম খেলোয়াড় হিসেবে ধরা হয়। এই স্ট্যান্ড বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও জার্মানি এর গর্ব। এদের আওয়াজ, আতশবাজি ফুটানো দেখে প্রতিপক্ষ সহজেই নার্ভাস হয়ে যায়। এটি নিয়ে ডর্টমুন্ড এর সাবেক কোচ টমাস টুখেল বলেছেন, এটি এমন এক অভিজ্ঞতা যেটা ভাষায প্রকাশ করা যায় না। আবার, ডর্টমুন্ডের কিংবদন্তী গোলরক্ষক রোমান ভাইডেনফেলা বলেছেন “ আপনি যদি প্রতিপক্ষ হন তাহলে এটি আপনার মনোভাব ভেঙ্গে দিবে, কিন্তু গোলরক্ষক হিসেবে তাদেরকে পিছনে পেলে তা আত্নবিশ্বাস যোগায়”।
এই ক্লাব এর দর্শক উপস্থিতি চোখ কপালে তুলার মত, গড়ে প্রতি ম্যাচে ৮১,১৭১ হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেন। যা ইউরোপ এর অন্য ক্লাব গুলার তুলনায় অনেক। এতেই বুঝা যায় ফ্যান রা কতটা ভালবাসে ক্লাব কে। দর্শক দের কথা মাথায় রেখে কর্তৃপক্ষে তিকেত এর দাকম রেখেছেন অনেক কম , অনান্য ক্লাব গুলার দামের তুলনায়।
পরিশেষে বলা যায় যে, এটি শুধু একটি স্ট্যান্ড নয় এটি হল ডর্টমুন্ড ভক্তদের আবেগ ও ভালোবাসা এবং স্বাগতিক দলের খেলোয়াড় দের আত্নবিশ্বাস ও অনুপ্রেরনা নেয়ার অন্যতম জায়গা ও প্রতিপক্ষের মনবল ভাঙ্গার অন্যতম রসদ।
- 0 মন্তব্য