• ক্রিকেট

"এক্সট্রা-অর্ডিনারি পারফরম্যান্স করেই ফিরতে হবে", মানছেন আশরাফুল

স্পট-ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত মাসে। আবার জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্নটা জানিয়ে রেখেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। অবশ্য প্রধান নির্বাচক বাস্তবতাটা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, জাতীয় দলে ফেরার দরজাটা খুলতে আশরাফুলকে করতে হবে দারুণ কিছু। সঙ্গে আছে ফিটনেসের ব্যাপারও। আশরাফুল মানছেন সেটা, করতে চাচ্ছেন সেরকম কিছুই। 

“অবশ্যই শুধু নান্নু ভাই (মিনহাজুল আবেদিন) না, এটা আমিও জানি। আমাকে বাংলাদেশ দলে খেলতে হলে ‘এক্সট্রা-অর্ডিনারি পারফরম্যান্স’ দিতে হবে। যেটা আমি ঢাকা (প্রিমিয়ার) লিগে গত বছর করেছিলাম। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক লিগে পাঁচ সেঞ্চুরি, টানা তিনটি সেঞ্চুরি। 

“অবশ্যই আমাকে বাংলাদেশ দলে খেলতে হবে এমন কিছুই করতে হবে। আমি ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের সাথে বাদ পড়ার পর ২৬৩ রানের ইনিংস খেলে দলে ফিরেছিলাম। আমি সবসময় বিশ্বাস রেখেছি, আমি বাংলাদেশের হয়ে খেললে আলাদা কিছু করব, তারপর হয়তো বা আমি আলোচনায় আসব।”

ফিটনেসের দিকেও বেশ খেয়াল রাখছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক, “ফিটনেস লেভেল নিয়ে যেটা বলেছে, আমি আজ (বিপ টেস্টে) ১১.৪ পেয়েছি। আমি মনে করি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিটনেসের মান এমনই হয়। আরও উন্নতি করতে পারব, এটা আমার বিশ্বাস। যদি আমি সেই সুযোগ সুবিধা পাই। বাংলাদেশ দলে খেলতে হলে আমি সেই রকম পারফরম্যান্স করেই আমি আসব। আমি শুধু দলে ফেরার জন্য ফিরতে চাই না। আমি প্রচুর রান করে লম্বা সময় ধরে খেলতে চাই।”

“সত্যি কথা বলতে গেলে, গত আড়াই মাসে আমি একদম ভাতের পরিমান খুবই কম করে খেয়েছি, একদম খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি বলতে পারেন। ডায়েট তো অবশ্যই আছে। সাথে সাথে আমি ট্রেনিং করছি। শুধু ডায়েট করলেই হবে, এটা আমি মনে করি না।”

সম্প্রতি আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের প্লেয়ারস ড্রাফটে নাম লেখালেও দল পাননি আশরাফুল। এখন অনুশীলন করছেন জাতীয় ক্রিকেট লিগের দল ঢাকা মেট্রোর সঙ্গে।