• এশিয়া কাপ ২০১৮
  • " />

     

    অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন সাকিব

    অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন সাকিব    

    হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে দুই দিন আগেই। সাকিব আল হাসানের অবস্থা এখন কিছুটা উন্নতির দিকে, জানালেন বিসিবির চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী। কিন্তু কবে অস্ত্রোপচার হবে, সেটা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারলেন না। এই শুক্রবার অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন সাকিব। সেখানে তাঁর হাতের অবস্থা দেখার পর ড গ্রেগ হয় অস্ত্রোপচার নিয়ে মত দেবেন।

    ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে যে চোট লেগেছিল আঙুলে, এশিয়া কাপে সেটাই সংক্রমিত হয়েছিল আঙুলজুড়ে। অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়েছিল, এমনকি আর কখনো ক্রিকেট না খেলার সম্ভাবনাও ছিল সাকিবের। আপাতত সুস্থ আছেন, ব্যথা-ফোলাও কমেছে। এন্টিবায়োটিক আরও কিছুদিন চলবে। তার আগে শুক্রবার ড. হয়ের সঙ্গে কথা বলবেন, জানালেন ডা. দেবাশীষ, ‘আপাতত এন্টিবায়োটিক চিকিৎসার মধ্যেই আছে। আমরা আশা করছি এই ধরনের চিকিৎসা আরও সপ্তাহ খানেক চলার পর ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণে আসবে। আমরা চাইছি অস্ট্রেলিয়ায় যে হ্যান্ড সার্জনের তত্ত্বাবধায়নের ওর অপারেশন প্লান করা আছে উনার কাছে একবার পাঠানোর। দুটো কারণে, এখানকার যে হাতের অবস্থাটা আসলে কি, সার্জারির দরকার আছে কিনা আগামীতে। যদি হয়ে থাকে প্লানটা কি হবে। এসব মিলিয়ে আমরা পাঠাচ্ছি। উনার এপয়নমেন্ট পাওয়া সাপেক্ষে শুক্রবার সাকিব হয়ত অস্ট্রেলিয়া যাবে। আমরা মনে করছি এক মাসের মতো সময় লাগবে এখানকার যে চোটটা আছে সেটা ম্যানেজ করতে।

    কিন্তু আদৌ অস্ত্রোপচার করাতে হবে কি না সেটা নিয়ে ডা. দেবাশীষ এখনই কিছু বলতে পারলেন না, ‘এই ধরনের ইনজুরির জন্য আসলে নিশ্চিত কোন সিদ্ধান্তে আসা খুব কঠিন। এটা ওর লিটল ফিঙ্গার, এটা নিয়েই খেলা চালিয়ে যাচ্ছিল। আর অপারিটিভ প্রসেসটা চিকিৎসার শেষ ধাপ। যদি অপারেশন না করে একজন খেলোয়াড় খেলা চালিয়ে যেতে পারে তাহলে খেলোয়াড় চায় বা ম্যানেজমেন্ট চায় অপারেশন না করাতে। অপারেশনটাও কিন্তু এই ধরনের সমস্যাকে কিছু বাড়িয়েও দিতে পারে। যারা হ্যান্ড সার্জন তারা বলে থাকেন এটা লাস্ট সমাধান হিসেবে দেখার জন্য। অপারেশন না করে যদি খেলা চালায় মাঝে মাঝেই কিন্তু এটা বেড়ে যেতে পারে। এরকম অনেক খেলোয়াড়ই খেলা চালিয়ে যান কিন্তু জয়েন্ট ইনফেকশন হয়ে যাওয়াতে পুরো ব্যাপারটাই জটিল হয়ে গেছে। আমরা ঠিক করেছি অপারেশন অবশ্যই করাবো সেটা গ্রেগ হয়ের পরামর্শেই।’

    সাকিব কবে মাঠে ফিরবেন, সেটা এখনই বলা মুশকিল। তবে এই বছরে যে আর নামা হচ্ছে না, সেটা মোটামুটি নিশ্চিতই।