• ফুটবল

গোল্ডেন শু'এর দৌড়ে এগিয়ে কারা?

জেনোয়া তাকে দলে ভিড়িয়েছিল ৪ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে। ক্রিশতভ পিয়াতেককে নিয়ে তখন অনুমিতভাবেই হৈ চৈ হয়নি। কিন্তু নতুন মৌসুমের দুই মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর পিয়াতেককে চিনেছে সবাই, আসলে পিয়াতেকই নিজেকে চিনিয়েছেন। ইউরোপে এই মুহুর্তে সর্বোচ্চ গোলদাতা ২৩ বছর বয়সী স্ট্রাইকারই। 

জেনোয়ার হয়ে সিরি আতে গোল করেছেন ৯টি। ইউরোপের শীর্ষ ৫ লিগে যে কারও চেয়ে বেশি, পেছনে ফেলেছেন ক্রিশ্চিয়ান রোনালদো, লিওনেল মেসিদেরকেও। সিরি আতে টানা ৭ ম্যাচেই গোল করেছেন ছুঁয়েছেন গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার রেকর্ড। ১৯৯৪/৯৫ মৌসুমে শেষবার বাতিস্তুতা সিরি আর প্রথম ৭ ম্যাচেই গোল করেছিলেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পিয়াতেকের গোল আরও বেশি, ৮ ম্যাচে ১৩ গোল! 

পোলিশ স্ট্রাইকার তাই নজর কেড়েছেন ইউরোপের বড় দলগুলোরও। এই ধারায় খেলতে থাকলে জেনোয়াতে যে খুব বেশিদিন তিনি থাকবেন না সেটা মোটামুটি নিশ্চিতই।

 

দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিরতির আগ পর্যন্ত ইউরোপের শীর্ষ ৫ লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের নামে আছে চমকও। লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা জিরোনার উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার ক্রিশ্চিয়ান স্টুয়ানি। আর দুইয়ে আছেন আন্দ্রে সিলভা। স্পেনে পর্তুগিজ স্ট্রাইকার ফিরে পেয়েছেন ফর্ম, সিরি আতে আগের মৌসুমে করেছিলেন মাত্র ২ গোল। সেভিয়ার হয়ে এরই মধ্যে তিনি করে ফেলেছেন ৭ গোল। সিলভার চেয়ে এক গোল কম নিয়ে তৃতীয়তে আছেন মেসি। 

ক্লাব বদলে ভাগ্য ফিরেছে পাকো আলকাসেরেরও। কোনো ম্যাচের শুরুর একাদশে না নেমেই সাবেক বার্সা স্ট্রাইকার আলকাসের বুন্দেসলিগার সর্বোচ্চ গোলদাতার জায়গাটা নিজের করে নিয়েছেন। আর অলিম্পিক লিঁর বিপক্ষে এক ম্যাচেই ৪ গোল করে কিলিয়ান এমবাপ্পে হয়ে গেছেন লিগ ওয়ানের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার সমান গোল নিয়ে নেইমারও আছেন এমবাপ্পের সঙ্গেই।