• ফুটবল

'ডাইভ' দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইলেন স্টার্লিং

 

ম্যাচের তখন ২৪ মিনিট। বল নিয়ে শাখতারের বক্সে ঢুকে পড়লেন ম্যানচেস্টার সিটির রহিম স্টার্লিং। তাঁর পেছনে দৌড়াচ্ছিলেন দুই শাখতার ডিফেন্ডার। শট মারতে গিয়ে হুট করেই বক্সের ভেতর পড়ে গেলেন স্টার্লিং, রেফারি বাজালেন পেনাল্টির বাঁশি। বিতর্কিত এই পেনাল্টি থেকে গোলও পেয়েছেন গ্যব্রিয়েল হেসুস। ম্যাচ শেষে স্টার্লিং নিজের এই ‘ডাইভের’ জন্য ক্ষমা চেয়েছেন শাখতার ও রেফারির কাছে।

স্টার্লিং বলছেন, তাকে কেউ ফাউল করেনি বক্সের ভেতর, ‘আমি বল চিপ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, হুট করেই কী যেন হয়ে গেলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাটিতে পড়ে গেলাম, এরপর ঘুরে উঠলাম। আমার মনে হয় হয় না কেউ আমাকে ফাউল করেছিল, আমি নিজে থেকেই পড়ে গিয়েছিলাম। বল মারতে গিয়ে মাটিতে পা লেগেই হয়ত এরকম হয়েছে। রেফারি ও শাখতারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এটার জন্য।’

এদিকে সিটি কোচ পেপ গার্দিওলাও মনে করেন, স্টার্লিংয়ের ডাইভের জন্য পেনাল্টি দেওয়া ঠিক হয়নি। তিনি তাই আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগে ভিএআর আনার কথা মনে করিয়ে দিলেন, ‘তখনই আমরা বুঝেছিলাম এটা পেনাল্টি ছিল না। স্টার্লিং হয়ত বলতে পারত যে সে নিজে নিজেই পড়ে গিয়েছিল। তবে গত মৌসুমে লিভারপুলের মিলনারও এটা করতে পারতেন, কিন্তু তিনি করেননি। এটা আপনি করতেই পারেন। শট মারতে গিয়ে স্টার্লিংয়ের পা ঘাসে লেগেছিল, সে বুঝতে পারেনি। রেফারিরা অনেক আগে থেকেই তাই ভিএআরের কথা বলে আসছে। তারা এরকম ভুল চায় না। ভিএআর দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তো কয়েক সেকেন্ডের বেশি লাগেও না!’

স্টার্লিংয়ের পেনাল্টি নিয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করেননি রেফারি ভিক্টর কাসাই।