• দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান সিরিজ
  • " />

     

    • দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান সিরিজ

    "মিডিয়াই আমাকে বর্ণবাদী বানিয়েছে"

    অ্যান্ডাইল ফেলুকোয়ায়োকে উদ্দেশ্য করে বর্ণবাদী মন্তব্য করায় ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি, পেয়েছেন চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাও। পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ নিজের দোষ স্বীকার করে শাস্তি মাথা পেতে নিলেও পুরো ব্যাপারটায় মিডিয়ার ভূমিকাতে একদমই খুশি নন। সরফরাজের অভিযোগ, এই ঘটনায় তিলকে তাল করা হয়েছে।

    ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ফেলুকোয়ায়োকে আপত্তিকর কিছু কথা বলেছিলেন সরফরাজ। স্ট্যাম্প মাইকে সেটা শোনা যায় স্পষ্টভাবেই। এরপরই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। সরফরাজ নিজেও ঘটনার ভয়াবহতা বুঝে ক্ষমা চেয়েছেন ফেলুকোয়ায়ো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে।

     

     

    তবে ক্ষমা চেয়েও পার পাননি সরফরাজ। ম্যাচ রেফারির অভিযোগের পর তদন্ত শেষে আইসিসি তাকে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়। যদিও দলের অধিনায়কের এই শাস্তিতে খুশি ছিল না পিসিবি। এবার সরফরাজ বলছেন, মিডিয়াই ঘটনাটিকে বাড়িয়ে প্রচার করেছে, ‘আমি ফেলুকোয়ায়োর কাছে আবার ক্ষমা চাই, তার মাকে নিয়ে যা বলেছি সেটা বলা উচিত হয়নি। কিন্তু মিডিয়াতে ‘কালো’ শব্দটা বারবার উচ্চারণ করে আমাকে বর্ণবাদী বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেই ওই ঘটনার পর ফেলুকোয়ায়োকে বুঝিয়ে বলেছিলাম কোন প্রেক্ষিতে ওটা তাকে বলেছি। পুরো ব্যাপারটাকেই একটু বাড়িয়ে প্রচার করা হয়েছে সবখানে। ‘

    সরফরাজের দাবি, তিনি কখনোই ফেলুকোয়ায়ো ও তার মাকে অপমান করতে চাননি, ‘আমার মতো যারা পাকিস্তানের হয়ে খেলে, সবাই তাদের মায়ের দোয়াতেই খেলছে। অন্য দেশের সবার ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য। তার মাকে অপমান করার কোনো উদ্দেশ্যই আমার ছিল না। দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যানেজার মোসাজিকেও আমি ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলেছি। তবুও কালো শব্দটা নিয়ে অনেক কিছুই বলা হয়েছে আমাকে। আমি আমার ভুলের জন্য আগেই ক্ষমা চেয়েছি। তবে আমার মতে একটা শব্দ নিয়ে এতকিছু হয়ে যাওয়াটা ঠিক নয়।’

    নিষেধাজ্ঞার জন্য পাওয়া বিশ্রামটা বেশ কাজে দিয়েছে সরফরাজের, ‘বাকি ম্যাচগুলো খেললে পিএসএলের আগে মাত্র তিনদিন সময় পেতাম। পাঁচ মাস ধরে আমরা ঘরের বাইরে আছি, একটা বিশ্রাম দরকার ছিল। নিষেধাজ্ঞার জন্য সেটা পেয়ে মন্দ হয়নি! আশা করি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ভালোভাবেই জাতীয় দলে ফিরব।’