• ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
  • " />

     

    • ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ

    ডিআরএসে 'বিরক্ত' কোহলি

    অ্যাস্টন টার্নারের রান তখন ৪১, অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ৩৯ বলে ৬৬ রান। যুজভেন্দ্র চাহালের করা অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বলে মারতে গেলে টার্নার, উইকেটকিপার রিশভ পান্ট বল ধরেই করলেন ক্যাচের আপিল। আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নিলেন বিরাট কোহলি। রিভিউতে দেখা গেলো, বল ব্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্নিকোতে কিছু একটা ধরা পড়েছে। তবুও আউট দেয়ার মতো ‘যথেষ্ট প্রমাণ’ না পাওয়ায় তৃতীয় আম্পায়ার বহাল রাখলেন মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই। শেষ পর্যন্ত টার্নারই অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। ম্যাচ শেষে টিভি আম্পায়ারের ওপর ক্ষুব্ধ কোহলি বলছেন, ডিআরএসের ওই সিদ্ধান্ত তাকে রীতিমত হতবাক করেছে।

    শেষ পর্যন্ত ৪৩ বলে ৮৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন টার্নার। রিভিউয়ের পর যদি টার্নার ফিরতেন, তাহলে ম্যাচের ফলাফল অন্যরকমও হতে পারত। কোহলির দাবি, ডিআরএস একেক সময় একেক রকম আচরণ করে, ‘টার্নারের ওই রিভিউ নিয়ে আমরা সবাই খুব অবাক হয়েছিলাম। ওটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। ডিআরএস একেক সময় একেক রকম আচরণ করে। তবে হারের জন্য রিভিউ পদ্ধতিকে দায়ী করে লাভ নেই। এটা তো আমাদের হাতে ছিল না। যেটা ছিল সেটাকে আমরা কাজে লাগাতে পারিনি।’

    টার্নার অবশ্য বলছেন, স্নিকোতে দেখালেও বল কখনোই তাঁর ব্যাটে লাগেনি, ‘বল আমার ব্যাটে লাগেনি। কিন্তু যখন বড় স্ক্রিনে দেখলাম স্নিকোতে কিছু একটা ধরা পড়েছে, তখন সত্যি বলতে আমার একটু চিন্তাই হচ্ছিল!’

     

     

    টার্নারের ঘটনার আগে ডিআরএস কালকের ম্যাচে আরও একবার হতাশার কারণ হয়েছিল কোহলিদের। ৩১তম ওভারে কেদার যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছিলেন উসমান খাওয়াজা। রিভিউ নেওয়ার পর তৃতীয় আম্পায়ার বাতিল করেন মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত।

    আগের ম্যাচেও ডিআরএস নিয়ে বিতর্ক উঠেছিল। অ্যারন ফিঞ্চের এলবিডব্লিউয়ের রিভিউতে ডিআরএস পদ্ধতির ভুল নিয়ে গত কয়েকদিন কম সমালোচনা হয়নি।