• " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ‘সাদা’ ক্রিকেট, ‘কালো’ ক্রিকেট - পর্ব ১

     

    ১. আগন্তুক

     

    'সাও ক্রিস্তোভাও'-র হাল শক্ত হাতে ধরে আছেন জাহাজচালক পেরো দ্য এলেঙ্কুয়ের; পাশে কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে ক্যাপ্টেন বার্তোলোমিউ দিয়াসের। অচেনা মহাসাগর, অজানা পথ; সে সাথে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের হুঙ্কার। আশেপাশে কোন আলো নেই, বিস্তীর্ণ দিগন্তের কিছু চোখে পড়ছে না। মাস্তুলের আলোটা প্রবল বৃষ্টির চাদরে ঢাকা, হঠাৎ হঠাৎ চোখে পড়ে কেবল। থামার উপায় নেই, থামার জায়গাই নেই যে! সময়কাল কিন্তু আজকের নয়, নভেম্বর ১৪৯৭ এর কথা বলছি! দূরপ্রাচ্যের সাথে বাণিজ্যপথ খুঁজতে হবে। সিল্করোড তো আরবদের দখলে, অন্য কোন পথ দিয়ে পৌঁছুতে হবে ভারত। লিসবনের ‘রয়্যাল কোর্ট’ তাই দায়িত্ব দিয়েছে নাইট বার্তোলোমিউ দিয়াস-কে। সাথে বরাদ্দ কাঠের তৈরি সাও ক্রিস্তোভাও, শক্তপোক্ত একটা জাহাজ, অজানার পথে হারিয়ে যাবার জন্যেই এটার জন্ম। পথ দেখাতে হবে অন্ধকারে - এজন্যেই তো নাম ''সাও ক্রিস্তোভাও''; পর্তুগিজ শব্দটির অর্থ যে ‘সন্ত ক্রিস্টোফার’।

     

    ইউরোপ, আফ্রিকার পশ্চিম ঊপকুল বেয়ে বার্তোলোমিউ এগিয়ে চললেন অজানার উদ্দেশ্যে। অ্যাঙ্গোলা, নামিবিয়া পার হয়ে পৌঁছলেন সম্পূর্ণ অচেনা সমুদ্রে। এসেই পড়লেন ঝড়ের মুখে। ফুঁসে উঠা সাগরের সাথে যুদ্ধ করে ক্লান্ত নাবিকেরা যখন অলৌকিকতার হাতে ভাগ্যকে ছেড়ে দিয়েছে, তখনই ডাঙ্গার মুখ দেখা গেল। বার্তোলোমিউ জায়গাটার নাম দিয়ে দিলেন 'কাবো দাস তরমেন্তাস'; অর্থ হচ্ছে ঝড়ের অন্তরীপ।

     

    বার্তোলোমিউ দিয়াস যে ভারত পৌঁছুতে পারেননি এটা তো আমরা জানিই। পৌঁছুলে আজকে হয়তো কালিকটে পৌঁছা প্রথম ইউরোপিয়ান হিসেবে ভাস্কো দা গামার বদলে তাঁর নামই আমরা ইতিহাসে পড়তাম। বার্তোলোমিউ-র বাতলে দেয়া অচেনা সমুদ্রের পথ বেয়েই ভাস্কো দা গামা ভারত পৌঁছেছিলেন। খাদ্যের অভাবে বিপর্যস্ত ভাস্কো দা গামার নাবিকেরা 'কাবো দাস তরমেন্তাস'-র স্থানীয় ''খইখই'' গোষ্ঠীর কাছ থেকে আন্তরিক সৌজন্যবোধ পেয়েছিল বলেই দা গামা জায়গাটার নাম বদলিয়ে রাখেন ''কেপ অব গুড হোপ''। তবে জায়গাটা আসল বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হল আরো দেড়শ বছর পর। ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সেখানে গোড়াপত্তন করল নতুন ইউরোপিয়ান সোসাইটির। গোড়াপত্তন হল কেপটাউন শহরের, সূচনা হল আধুনিক দক্ষিণ আফ্রিকার যাত্রা!

     

    ২. বিদ্বেষের ইতিবৃত্ত...

     

    পাঠক খেলার পাতায় এসব পড়ে অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? যে গল্পটি বলতে যাচ্ছি, তাতে ক্রিকেট আছে ঠিক, কিন্তু খেলার থেকে সেখানে যে বিপর্যস্ত মানবতার প্রতিচ্ছবি বেশি মূর্ত, খেলোয়াড়ি চেতনার ঊর্ধ্বে যে এই গল্পে কর্তৃত্ব জাতিবিদ্বেষের। ইউরোপিয়ানরা তো বরাবরই তাদের কলোনির আদিবাসীদের হেনস্তা করে এসেছে, জাতিবিদ্বেষের বীজ বপন করে এসেছে। কেপটাউন ও এর ব্যতিক্রম কিছু ছিল না।

     

    ডাচদের পথ ধরে সেখানে বসতি করতে আসা অন্য ইউরোপীয়রা তাদের নিজেদের মত করে শহর গোড়াপত্তন করল, কিন্তু স্থানীয়রা সেখানে জায়গা পেল না। ভারত, মধ্য আফ্রিকা অথবা ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ থেকে আসা অশ্বেতাঙ্গরাও তাদের কাছে হয়ে গেল অপাংক্তেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার এই জাতিবিদ্বেষের রেষ গত শতাব্দীর মাঝামাঝিতে এসেও কমে নি। সামাজিক বৈষম্য তো ছিলই, খেলোয়াড়ি দুনিয়াও এই নিকৃষ্ট বৈষম্যের হাত থেকে রেহাই পায়নি।

     

    দুনিয়ার একমাত্র দেশ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে শ্বেতাঙ্গ আর অশ্বেতাঙ্গদের জন্যে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ছিল আলাদা! শ্বেতাঙ্গ শাসিত টুর্নামেন্টই কেবল পেত লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা। দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দলে ঢুকার পূর্বশর্ত ছিল গায়ের রঙ; যত ভালো পারফরম্যান্সই আপনি করুন না কেন, গায়ের চামড়া সাদা না হলে আপনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো পরে, প্রথম শ্রেণীই খেলতে পারবেন না!

     

    সাদা-কালো বিবাদে জর্জরিত সেই উত্তমাশা অন্তরীপের কোলঘেঁষা কেপটাউনেই জন্ম নিলেন বাসিল ডি অলিভেইরা। ভারতীয় বংশদ্ভূত অলিভেইরার বাবাও ছিলেন ক্রিকেটার, কিন্তু কালোদের জন্যে আলাদা লিগে খেলার দরুণ লিস্ট এ খেলোয়াড় তালিকায় উনার নাম আপনি পাবেন না!

     

    বর্ণিল গায়ের রঙ এর সাথে অলিভেইরার জীবনটাও ছিল বর্ণিল। ছিল ক্রিকেটের প্রতি অগাধ প্রেম, ক্রিকেট খেলার জন্যে নিজের বয়স নিয়ে লুকোচুরি খেলেছেন। জন্ম তারিখ নিয়ে তাই এখনো ইতিহাসবিদদের মধ্যে ধোঁয়াশা আছে। এই গল্প না হয় পরে করা যাবে।

     

    ৩. ক্রিকেটে হাতেখড়ি

     

    বাবা ক্রিকেটার হলেও তিনি চাননি তাঁর ছেলেও সেই পথ ধরুক। অলিভেইরার ক্রিকেট শেখা তাই আর সব ছেলেদের মতোই- পাড়ার রাস্তায় খেলতে খেলতে। নুড়ি দিয়ে ভরা কেপটাউনের ধূলি-ধূসরিত রাস্তাতেই তাঁর সহজাত ব্যাটিং প্রতিভার প্রথম প্রকাশ। স্কুলে যেতেন, ছুটি হলেই নেমে পড়তেন ব্যাট হাতে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে চাকরি জীবন শুরু করেন। কিন্তু ক্রিকেটে ছেঁদ পড়েনি। প্রতিভাময় ব্যাটসম্যান হিসেবে তাই মাত্র ১৬ বছর বয়সেই অশ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটারদের স্থানীয় ক্লাব সেন্ট অগাস্টিনে ডাক পান। দলটির অধিনায়ক কে ছিলেন জানেন? লুইস ডি’অলিভেইরা; বাসিল ডি’অলিভেইরার বাবা!

     

    অবাক হয়ে লুইস অলিভেইরা প্রত্যক্ষ করলেন ছেলের অসাধারণ ব্যাকলিফট। সাথে প্রতিটা বলেই হিট করার অনির্বচনীয় ক্ষমতা। বাসিল ছিলেন সহজাত আক্রমণাত্নক ব্যাটসম্যান, অফ স্টাম্পের বাইরে বল দিলেও তিনি বোলারকে ছাড় দিতেন না। ডাউন দ্য উইকেটে এসে দানবীয় জোরে ছক্কা হাঁকাতে পারতেন। ছেলের ব্যাটসম্যানশিপের উপর ভর করেই বাবা লুইস অলিভেইরা ১৯৫০-৫১ মৌসুমে সেন্ট অগাস্টিনকে নিয়ে কাপ জিতলেন। বলার অপেক্ষা রাখে না সেটা নিয়ে শ্বেতাঙ্গদের কোন ভ্রুক্ষেপই ছিলনা।

     

    বাসিল অলিভেইরা কতটা অমানবিক ছিলেন ঐ মৌসুমে তা আপনি একটা ইনিংস থেকে ধারণা নিতে পারেন। মাত্র ৭০ মিনিটে তিনি ২৬ টা ছয়ের সাথে ১০ টা চারের মারে ২২৫ রানের একটা ইনিংস খেলেছিলেন। ঐ যুগে এমন ব্যাটিং কি ভাবা যায়! বার্তোলোমিউ এর উপর আঘাত হানা ঝড়ের মতোই তিনি ঐদিন প্রতিপক্ষের বোলারদের চূর্ণ করে দিয়েছিলেন। তিনি যখন আউট হন তখন দলের রান ছিল ২৩৬; অর্থাৎ তিনি ২২৫ করার মধ্যে তাঁর সঙ্গীরা করতে পেরেছিলেন মাত্র ৯ রান!

     

    ঐ মৌসুমের পর প্রাদেশিক দলে ডাক পেতে তাকে আরো তিন বছর অপেক্ষা করতে হয়। সেন্ট অগাস্টিনের হয়ে যখন ৮ বলের এক ওভারে তিনি ৪৬ রান তুললেন তখনই ওয়েস্ট প্রভিন্স তাদের দলে অলিভেইরাকে ডাক দিল। প্রাদেশিক দলে এসে তিনি তাঁর ‘অলআউট এটাকিং’ কৌশলকে আরো পোক্ত করলেন।

     

    তখন কিন্তু ওয়েস্ট প্রভিন্স নামে দুইটা দল ছিল। একটাতে শুধু সাদাদের প্রবেশাধিকার, তাদের খেলাগুলোই শুধু প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা পায়। কালোদের ওয়েস্ট প্রভিন্স দলের খবর স্থানীয় মিডিয়াতে আসেনা। শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত কেপ টাউনে এই দল নিয়ে তেমন কোন আগ্রহও তাই নেই।

     

    ৪. বঞ্চনার ইতিহাস...

     

    কালোদের লিগে ওয়েস্ট প্রভিন্সের হয়ে অলিভেইরা রানের ফোয়ারা ছুটালেন। ১৯৬০ সাল পর্যন্ত তাঁর সেঞ্চুরি সংখ্যা ছিল ৮২ টি! উইকেটের চরিত্র যাই হোক, অলিভেইরার রানের গতি কখনোই কমত না। বোলারদের আত্নবিশ্বাসের বারোটা বাজিয়ে একের পর এক রেকর্ড তিনি করে যেতে লাগলেন। কিন্তু কেবলমাত্র ‘কালো’ বলে তাঁর এই কীর্তি গোটা বিশ্বতো পরের কথা, নিজ দেশেরই তেমন কেউ জানলো না। তাঁর ব্যাটসম্যানশিপের কোন গাঁথাও তাই পত্রপত্রিকায় আসে নি। ৮২ টা সেঞ্চুরির কোনোটি নিয়ে এজন্যেই এখন আর কোন প্রতিবেদন নেই। এগুলো এখন কেবলই নিছক কিছু সংখ্যা হয়ে আছে!

     

    ১৯৫৬-৫৭ মৌসুমে দক্ষিন আফ্রিকান ‘কালো’ জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে তিনি কেনিয়া আর পূর্ব আফ্রিকা সফর করলেন। জিতলেন সব কয়টি সিরিজ। প্রতিপক্ষ দলের অনেকেই ছিলেন প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটার। ১৩৯, ৫৬, ৪৮, ৯৬, ৩ এবং ৫০ এই ছিল তাঁর প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে ছয় ইনিংসে রান! সাথে যোগ করুন ১১.৯২ গড়ে মিডিয়াম পেসে নেয়া ২৫ উইকেট।

     

    হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান থেকে অলিভেইরা হয়ে উঠলেন পুরোদস্তুর অলরাউন্ডার। পৃথিবী প্রথমবারের মত অবলোকন করল এক হতভাগ্য তারকাকে, যার আলো ছড়ানোর পথ রুদ্ধ করে রেখেছে ‘কালো’ গায়ের রঙ। নাকউঁচু শ্বেতাঙ্গদের কাছে এভাবেই পরাস্ত হল খেলোয়াড়ি চেতনা। মানবতা ভূলুন্ঠিত হবার ব্যাপারটি নাহয় বাদই দিলাম। আপনি হয়তো বলতে পারেন এতে সব শ্বেতাঙ্গের তো আর দোষ নেই। কিন্তু ঐ যে মার্টিন লুথার কিং বলেছিলেন, ‘খারাপদের আচরণের চাইতেও বেশি কষ্টদায়ক হচ্ছে ভালোদের চুপ থাকা’। দায় এড়ানোর পথ আসলেই তাই নেই!

     

    নাইরোবিতে খেলা তাঁর ১৩৯ রানের ইনিংস দেখে প্রত্যক্ষদর্শী অনেক সাংবাদিক তাঁকে গ্রেট ওয়ালি হ্যামন্ড-এর সাথে তুলনা করেন। তিনি কালো হওয়ার জন্যে জাতীয় দলে নেই- এরূপ ক্ষোভেরও তখন একটু আধটু জন্ম হয়। দক্ষিন আফ্রিকা কালো দলের এরূপ সাফল্য দেখে তৎকালীন ডাকাবুকো কম্যুনিস্ট সাংবাদিক লায়নেল রবার্ট জেমস ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে দক্ষিন আফ্রিকা সফর করার আমন্ত্রণ জানান, তবে সেটা ‘সাদা’ দলের সাথে খেলার জন্যে নয়; বরং ‘কালো’ দলের সাথে খেলার জন্যে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলও সে প্রস্তাব সাদরে গ্রহণ করে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় দক্ষিন আফ্রিকার ‘সাদা’ সরকার। উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা এই সফরের প্রতি বাঁকা আঙ্গুল তুললেন। ক্রিকেট নিয়ে সাদা-কালো বিবাদ উত্তুঙ্গে উঠলো। সামাজিকভাবেও কিছু শ্বেতাঙ্গ এই সফরকে বানচাল করার কূটকচালে লিপ্ত হলেন। সম্পূর্ণ অক্রিকেটীয় কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সফর বাতিল করল। সাথে বিশ্বকে নিজের জাত চিনানোর জন্যে আকুল আগ্রহে অপেক্ষা করা এক অধিনায়কের স্বপ্নের অপমৃত্যু ঘটলো।

     

    পাঠক, ঐ অবস্থাটায় নিজেকে একটু ভাবুন না। আপনার সামর্থ্য আছে, বিশ্বের যেকোন বোলিং লাইনআপকে ছিঁড়ে ফেলার সহজাত প্রতিভা আছে। আছে এক লাইনে ক্রমাগত বোলিং করে উইকেট নেয়ার বিরল ক্ষমতা। বিশ্বের যেকোন ক্রিকেট দলের কাছে আপনি সম্পদ। তবুও জাতীয় দল তো পরে, নিজ দেশে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলারও যোগ্যতা আপনার নেই। জন্ম থেকেই আপনার নিয়তি হয়ে গেছে এলাকার মাঠে আজেবাজে পিচে ক্রিকেট খেলা, ভাল মাঠও আপনার কপালে জুটবে না। কারণ আপনি কালো, যেটার উপর একেবারেই আপনার হাত নেই!

     

    বঞ্চিত, অপমানিত, ক্ষুব্ধ অলিভেইরার এই যন্ত্রণা শুধু তাঁর একার নয়। আফ্রিকা থেকে আমেরিকায় পাচার হওয়া মধ্যযুগীয় দাসদের অসহ্য যন্ত্রণা, সভ্যতার দোহাই দিয়ে শোষিত হতে থাকা অসংখ্য অশ্বেতাঙ্গদের অব্যক্ত কান্না যে ঐ যন্ত্রণার সাথে মিশে আছে। ‘বিশুদ্ধ আর অভিজাত রক্ত’-র কল্যাণে বিদীর্ণ হয়েছে মানবতা, আর অলিভেইরার বঞ্চিত হবার সাথে ব্যথিত হয়েছে ক্রিকেট, অপমানিত হয়েছে ক্রিকেটীয় চেতনা। অপমানিত অলিভেইরা তাই দেশ ছাড়তে চাইলেন। জন্মভূমিকে ত্যাগ করে পাড়ি জমালেন ভিনদেশে। এরপরের ঘটনাপ্রবাহ নাহয় পরবর্তী পর্বের জন্যে তোলা থাকল।  

     


    আরো পড়ুনঃ

    'সাদা' ক্রিকেট, ;কালো' ক্রিকেট - পর্ব ২

    'সাদা' ক্রিকেট, 'কালো' ক্রিকেট - পর্ব ৩ 

    'সাদা' ক্রিকেট, 'কালো' ক্রিকেট - শেষ পর্ব 


     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন