• ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
  • " />

     

    এমবাপ্পের ফেরার ম্যাচে আবারও পিএসজির জয়ের নায়ক নেইমার

    ফ্রেঞ্চ লিগ আ

    পিএসজি ১-০ বোর্দো


    আগের ম্যাচে পিএসজির হারে অনেকটাই নিষ্প্রাণ ছিলেন নেইমার। রেইমসের সাথে কিছু করে দেখাতে না পারলেও বোর্দোর বিপক্ষে আবার জ্বলে উঠলেন এই ব্রাজিলিয়ান। এবার সাহায্য পেলেন ইনজুরি থেকে ফেরা কিলিয়ান এমবাপ্পের। তার এসিস্টে আর নেইমারের গোলেই বোর্দোকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে লিগ আ-তে জয়ের ধারায় ফিরেছে পিএসজি। 

    নেইমার এই মৌসুমে চতুর্থবারের মতো পিএসজির হয়ে লিগের ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন। আর একমাত্র গোলে তৃতীয়বারের মতো ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন পিএসজিকে। আগের তিনবারের মতো কালও পিএসজি সমর্থকদের দুয়ো শুনেছেন পুরো ৯০ মিনিট জুড়েই। নেইমারকে নিয়ে অশালীন ভাষায় লেখা বেশ কয়েকটি ব্যানারও দেখা গেছে  বোর্দোর মাঠে। 

    এমবাপ্পের পাসে গোল করে তার কোলেই উঠে গেলেন নেইমার 

     

    খেলার মাঠে অবশ্য সেটার প্রভাব পড়তে দেননি নেইমার। ২৯ মিনিটে তিনিই এগিয়ে দিতে পারতেন পিএসজিকে। ডি মারিয়ার বাড়ানো বলে নেইমারের শট ঠেকিয়ে দেন বোর্দো গোলরক্ষক। বিরতির ঠিক আগে নেইমারের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। 

    বিরতির আট মিনিট পর বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় পিএসজি। নেইমারের শট একটুর জন্য পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়। ৬৮ মিনিটে আরেকবার হেডে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার, সেটাও পোস্ট ঘেঁসে চলে গেলে হতাশা বাড়ে পিএসজির।  

    অবশেষে ৭০ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন নেইমারই। কিন্তু তাতে বড় অবদান ছিল এমবাপ্পের। ৬০ মিনিটে পাবলো সারাবিয়ার বদলি হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড। ইনজুরি থেকে ফিরে দশ মিনিটের ভেতরই অবদান রেখেছেন দলের জয়ে। ডান প্রান্ত দিয়ে দৌড়ে গিয়ে এমবাপ্পের নিচু ক্রস গোলের সামনে ফাঁকায় থাকা নেইমারকে খুঁজে পেয়েছিল। নেইমার বাকি কাজটা সেরেছেন আরাম করে।

    চার লিগ ম্যাচে এটি নেইমারের তৃতীয় গোল। শেষের দিকে এমবাপ্পে আরও দুটি গোলের সুযোগ নষ্ট না করলে জয়ের ব্যবধানটা আরও বড় হতে পারত পিএসজির। ম্যাচ শেষে নেইমার বলেছেন পিএসজি ও তার সম্পর্ক অনেকটা প্রেমিক-প্রেমিকার মতো, "পিএসজির সঙ্গে ব্যাপারটা গার্লফ্রেন্ডের মতো। যখন ঠিকঠাক চলে না তখন কথা বলা হয় না। কিন্তু অনেক ভালোবাসার পর সবকিছু আবার আগের মতো হয়ে যাবে। আমি পিএসজির জন্য মাঠে আমার জান দিয়ে লড়তে প্রস্তুত।"

    এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষেই থাকল পিএসজি।