• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    শেষ মুহুর্তের পেনাল্টিতে রজার্সকে খালি হাতে ফেরাল লিভারপুল

    সাবেক লিভারপুল ম্যানেজার ব্রেন্ডন রজার্সের অ্যানফিল্ডে ফেরাটা দারুণ হতে পারত। তার লেস্টার সিটি প্রায় আটকে ফেলেছিল লিভারপুলকে। কিন্তু ইউর্গেন ক্লপের লিভারপুলকে দমানো গেল না শেষ পর্যন্ত। ৯৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে জেমস মিলনার আরও একবার লিভারপুলের পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেছেন। অ্যানফিল্ডে লিভারপুল জিতেছে ২-১ ব্যবধানে। ৮ ম্যাচ শেষে তাই প্রিমিয়ার লিগের লিগে লিভারপুলের শতভাগ জয়ের রেকর্ড চলছেই। 

    প্রথমার্ধে সাদিও মানের গোলে এগিয়ে ছিল লিভারপুল। তবে ম্যাচে কখনোই লিভারপুলকে সেভাবে একক আধিপত্য পেতে দেয়নি লেস্টার সিটি। সমতায় ফেরাটা তাই হয়ত প্রাপ্যও ছিল তাদের। 

    বদলি আয়োজি পেরেজের পাস থেকে ৮০ মিনিটে গোল করে প্রাপ্যটাই দলকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন জেমস ম্যাডিসন। পেরেজ বক্সের বাইরে থেকে দারুণ থ্রু পাস বাড়িয়েছিলেন। ম্যাডিসন গোলরক্ষক বরাবর শট করেও গোল পেয়ে গেছেন তখন। আদ্রিয়ানের গায়ে লেগে বল ঢুকে যায় লিভারপুলের জালে। প্রথম শট টার্গেটেই গোল পেয়ে যায় লেস্টার। 

    এরপর বাকি সময় লিভারপুল পার করেছে উৎকণ্ঠায়। শতভাগ জয়ের রেকর্ডটা হাতছাড়াই হত যদি না অলব্রাইটন একেবারে শেষদিকে গিয়ে ভুলটা না করতেন। নিজের বক্সের ভেতর বল ধরতে এগিয়ে এসেছিলেন লেস্টার গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেল। কিন্তু অলব্রাইটন নিজেই বলের দখল নিতে গিয়ে বল হারান। মানে পেয়ে গিয়েছিলেন বল। মানে টার্ন নেওয়ার আগেই অলব্রাইটন মানের পায়ে ট্যাকল করে বসেন। মানে পেছন থেকে টোকার অপেক্ষা করছিলেন, সেটা পেয়ে গিয়ে পড়ে যান অনুমিতভাবেই। রেফারিও এরপর বাজিয়েছেন পেনাল্টির বাঁশি। ভিএআরও ভুল দেখেনি তাতে। 

    মিলনার স্মাইকেলকে উলটো দিকে পাঠিয়ে গোল করে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত করেছেন এরপর। এর আগে ৪০ মিনিটে প্রথম এগিয়ে গিয়েছিল লিভারপুল। তাতেও বড় অবদান ছিল মিলনারের। মিডফিল্ডের অন্য পাশ থেকে মানের উদ্দেশ্যে মাপা বল পাঠিয়েছিলেন মিলনার। মানে এগিয়ে গিয়ে করেছিলেন প্রিমিয়ার লিগে তার ৫০ তম গোল। 

    মোহাম্মেদ সালাহ, রবার্তো ফিরিমিনোর এই রেকর্ড আগে থেকেই ছিল। ছিল না শুধু মানের। লিগে গোলের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেছেন তিনিও। লিভারপুল অবশ্য ঘরের মাঠে বেশি সুযোগ তৈরি করেছে পুরো ম্যাচে। মোট ৮ বার গোলে শট করেছিল ক্লপের দল। সালাহ, মানেরাও বেশ কয়েকবার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি এদিন। সেটা নিয়ে অবশ্য আক্ষেপ থাকার কথা না লিভারপুলের। আপাতত তিন পয়েন্টই তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত হামজা চৌধুরী এদিন বদলি হয়ে নেমেছিলেন লেস্টারের হয়ে। ম্যাচে অবশ্য তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি এই ইংলিশ ফুটবলার। মাঠে নেমেছিলেন ৮৬ মিনিটে। এর ভেতর একবার সালাহকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেছেন তিনি।