• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    ওল্ড ট্রাফোর্ডে মরিনহোর ফেরাটা স্মরণীয় করে রাখতে দিলেন না রাশফোর্ড

    ফুল-টাইম

    ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২-১ টটেনহাম হটস্পার


    ২ ম্যাচ, ৭ গোল, ৬ পয়েন্ট। দায়িত্ব নেওয়ার সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই এই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ দশে থাকা নিয়ে আশঙ্কায় ভুগতে থাকা  টটেনহাম হটস্পারকে টেবিলের পাঁচ-এ নিয়ে এসেছিলেন হোসে মরিনহো। দারুণ ফর্মে থাকা স্পার্সকে নিয়েই ওল্ড ট্রাফোর্ডে নিজের সাবেক দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মুখোমুখি হয়েছিলেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’। কিন্তু স্পার্সের হয়ে প্রথম হারের স্বাদটা মরিনহোকে গ্রহণ করতে হল ওল্ড ট্রাফোর্ডেই। মার্কাস রাশফোর্ডের জোড়া গোলে স্পার্সকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইউনাইটেড। ১৫ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ৬-এ উঠে আসল ওলে গানার সোলশারের দল; ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৮-এ থাকল টটেনহাম।

    ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যাচের শুরুতেই স্পার্সকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় ইউনাইটেড। ৬ মিনিটেই আগুনে শটে দলকে লিড এনে দেন রাশফোর্ড। অবশ্য এই গোলের জন্য স্পার্স গোলরক্ষক পাউলো গাৎজানিগাকে ধন্যবাদ দিতেই পারেন রাশফোর্ড, তার ভুলেই লিড নিতে পেরেছে ‘রেড ডেভিল’রা। লিড নেওয়ার পর স্পার্সকে আরও চেপে ধরে ইউনাইটেড, মাঝমাঠে ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেই সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন স্কট ম্যাকটমিনে।

     

     

    প্রথমার্ধেই ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত ইউনাইটেড, কিন্তু প্রায় ৩০ গজ থেকে রাশফোর্ডের অবিশ্বাস্য শট গাৎজানিগাকে পরাস্ত করলেও প্রতিহত হয় ক্রসবারে। তার ভুলে স্পার্স পিছিয়ে পড়লেও প্রথমার্ধে চমৎকার কিছু সেভে ব্যবধান এক গোলেই রেখেছিলেন গাৎজানিগা। ইউনাইটেডের ব্যবধান বাড়াতে না পারার সুযোগটা প্রথমার্ধের শেষদিকে নিয়েছে স্পার্স।

    ৪২ মিনিটে দুর্দান্ত এক টাচে ডিবক্সে ফ্রেড এবং অ্যাশলি ইয়ংকে ছিটকে গেলে মাপা হাফভলিতে গোল করেন ড্যালে আলি। মরিনহোর অধীনে যেন নিজেকে ফিরে পেয়েছেন ইংলিশ মিডফিল্ডার। তবে সমতায় ফেরার স্বস্তি একেবারেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি ইউনাইটেডের। ৪৭ মিনিটে রাশফোর্ডকে ডিবক্সে ফেলে দিয়ে ইউনাইটেডকে পেনাল্টি উপহার দেন মুসা সিসোকো। ১২ গজ থেকে সোলশারের দলের লিড পুনরুদ্ধার করতে ভুল করেননি রাশফোর্ড। প্রথমার্ধের বাকিটা সময়ও আক্রমণ করে গেছে ইউনাইটেড, কিন্তু ব্যবধান আর বাড়ানো হয়নি।

    প্রথমার্ধের মত ইউনাইটেডের মিসের সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি স্পার্স। সমতায় ফিরতে ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন, জিওভানি লো সেলসোদেরও নামিয়ে দিয়েছিলেন মরিনহো, কিন্তু কাজের কাজটা আর হয়নি। আগের দুই ম্যাচে দুয়ো শুনেছিল ইউনাইটেড। চাপে থাকা ম্যানেজার সোলশার এবার মাঠ ছাড়লেন যখন ইউনাইটেড সমর্থকেরা হর্ষধ্বনি করছিল তার নাম ধরেই।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন