• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    এমিরেটসে ব্রাইটনের 'প্রথম'-এ ঢাকা পড়ে গেল ইউনবার্গের 'অভিষেক'

    গত সপ্তাহে নরউইচ সিটির মাঠে ড্র দিয়ে আর্সেনালের ডাগআউটে যাত্রা শুরু করেছিলেন ফ্রেডি ইউনবার্গ। এমিরেটসে কিংবদন্তী ‘গানার’-এর কাছ থেকে ভাল কিছুরই প্রত্যাশা ছিল আর্সেনাল সমর্থকদের। কিন্তু এমিরেটসে শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি ইউনবার্গের, উল্টো তার অভিষেকে হেসেছে ব্রাইটন। প্রথমবারের মত এমিরেটসে ‘গানার’দের হারিয়ে দিয়েছে ‘সিগাল’রা, দ্বিতীয় ম্যাচেই দুয়ো শুনে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইউনবার্গকে। গত মৌসুমে ইউরোপা লিগে অস্টারসান্ডের পর এবার ব্রাইটনের ম্যানেজার হয়েও এমিরেটসে জয়ের দেখা পেলেন গ্রাহাম পটার। ১৫ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১০-এ থাকল আর্সেনাল। নিজেদের শেষ ৯ ম্যাচে জয়হীন থাকল 'গানার'রা, ১৯৭৭-এর পর যা তাদের সবচেয়ে হতাশাজনক রেকর্ড।

    নরউইচ ম্যাচের মত এবারও একাদশে ক্লাব রেকর্ড সাইনিং নিকোলাস পেপেকে বেঞ্চে রেখেছিলেন ইউনবার্গ। ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে দুই প্রান্তে খেলেছেন পিয়ের-এমেরিক অবামেয়াং এবং জো উইলক। কিন্তু প্রথমার্ধে আক্রমণে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিল ইউনবার্গের দল। অবামেয়াং-উইলকদের মাঝে বোঝাপড়ার অভাবটা ছিল স্পষ্ট। সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে ব্রাইটন। ৩৬ মিনিটে প্যাস্কেল গ্রসের কর্নার অ্যারন কনোলির গায়ে লেগে অ্যাডাম ওয়েবস্টারের পায়ে আসলে জোরাল শটে দলকে লিড এনে দেন তিনি। প্রথমার্ধে ব্রাইটন গোলরক্ষক ম্যাট রায়ানকে একেবারেই পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি আর্সেনাল।

     

    এমিরেটসে প্রথম জয়!

     

    প্রথমার্ধ শেষে দুয়ো শোনা আর্সেনালকে হয়তো দারুণ টিমটকে উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছিলেন ইউনবার্গ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরে তারা, ৫০ মিনিটে মেসুত ওজিলের কর্নার থেকে হেডে দলকে সমতায় ফেরান আলেকজান্ডার লাকাজেত। সমতায় ফেরার কিছুক্ষণ বাদেই লিডও নিয়েছিল আর্সেনাল। কিন্তু ৬৩ মিনিটে ওজিলের ফ্রি-কিকে ডেভিড লুইজ লক্ষ্যভেদ করলেও অফসাইডে বাতিল হয় গোলটি। দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় আর আক্রমণে তেমন সুবিধা করতে পারেনি ইউনবার্গের দল। সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে পটারের দল। ৮০ মিনিটে গ্রসের ক্রসে হেড করে দলকে লিড এনে দেন নিল মঁপে।

    ম্যাচ বাঁচানোর জন্য মাত্র মিনিট দশেক থাকলেও ব্রাইটন রক্ষণকে তেমন বিপদেই ফেলতে পারেনি আর্সেনাল। ম্যাচের প্রায় ৭-৮ মিনিট বাকি থাকতেই এমিরেটস ছাড়া শুরু করেন ‘গানার’ সমর্থকেরা। শেষ বাঁশির পর জোর দুয়ো শুনতে হয়েছে ওজিলদের। ক্লাব কিংবদন্তী হওয়ার আবেগটা হয়তো আর কাজে দিচ্ছে না ইউনবার্গের। শেষ বাঁশির পর দুয়ো শোনা ইউনবার্গও জানেন, জয়ের ধারায় ফিরতে না পারলে হয়তো এই মৌসুমেই বিদায়ঘণ্টা বেজে যেতে পারে তার। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন