• বঙ্গবন্ধু বিপিএল
  • " />

     

    'দেশীদের চেয়ে বিদেশী বড় নামদের ভালো করা কঠিন হবে বিপিএলে'

    'দেশীদের চেয়ে বিদেশী বড় নামদের ভালো করা কঠিন হবে বিপিএলে'    

    বিপিএলে সবার আগে দল হিসেবে অনুশীলন শুরু করেছে সিলেট থান্ডার। তবে বিদেশী কোচ নিয়ে সবার আগে আজ অনুশীলন শুরু করল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ব্রিটিশ কোচ পল নিক্সন এর মধ্যে যোগ দিয়েছেন দলের সঙ্গে, আজ বিকেলে মিরপুরের অনুশীলনে তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের বোলিং কোচ কবির আলীও। অনুশীলন শেষে নিক্সন প্রথম দিনের অভিজ্ঞতাটা জানিয়েছেন। বলেছেন, বড় নামের বিদেশীদের এসেই ভালো করা কঠিন হতে পারে এবার। বরং স্থানীয় খেলোয়াড়দের বিশ্বাস করতে হবে তারাও ম্যাচ জেতাতে পারে।

    বিদেশীদের দিক দিয়ে চট্টগ্রাম এর মধ্যেই বেশ শক্তিশালী। ক্রিস গেইলকে তারা দলে নিয়েছে সবার আগে, যদিও অনেক জলঘোলার পর দেরিতে হলেও বিপিএলে খেলবেন গেইল। গেইল ছাড়াও এর মধ্যে নিয়েছে লেন্ডল সিমন্স, ইমাদ ওয়াসিম, কেসরিক উইলিয়ামসদের। তবে নিক্সন নির্ভর করতে চাইছেন স্থানীয় খেলোয়াড়দের ওপরও, ‘আমাদের বিশ্বাস করতে হবে আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড়েরাও ম্যাচ জেতাতে পারে। তাদেরও ম্যাচে সেরকম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার মতো প্রস্তুতি নিতে হবে। আমার মনে হয় সবার জন্যই এটা দারুণ একটা সুযোগ। তারা মাঠ চেনে, পিচও খুব ভালোমতো চেনে। আমার মনে হয় বিদেশীদের মধ্য বড় নামদের এসেই ভালো করা আরও কঠিন হবে। তাই স্থানীয় খেলোয়াড়েরা অনেক বেশি ম্যাচ জেতাতে পারে। তবে সবার আগে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আজ আমি যা দেখলাম তাতে আমি বেশ আশাবাদী।’

    দেশীদের মধ্যেও চট্টগ্রামের নামগুলো খারাপ নয়। অধিনায়ক হিসেবে থাকার কথা মাহমুদউল্লাহর, তা ছাড়া আছেন ইমরুল কায়েস, নাসির হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রুবেল হোসেনরা। আজ অবশ্য মাহমুদউল্লাহ ছিলেন না অনুশীলনে। তবে বাকিদের দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত নিক্সন, ‘সবার মধ্যে যে উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি সেটা দেখে খুবই ভালো লাগছে। বেশ কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে আমাদের। যাদেরকে নেওয়া হয়েছে তাদের নিয়ে আমি বেশ রোমাঞ্চিতই বলব।’

     

     

    নিক্সন ইংল্যান্ডের হয়ে কিপিং করতেন, পরে কোচ হয়ে কাজ করেছেন লেস্টারশায়ারে। জ্যামাইকা তালাওয়াসের হয়ে সিপিএলও জিতেছেন। বাংলাদেশে এসেছেন আগেও। অনেক বছর আগে এমসিসির দলের হয়ে খেলে গিয়েছিলেন বাংলাদেশে। সেই স্মৃতি এখনও মনে আছে তাঁর। নিজে রিভার্স সুইপ খেলতে দারুণ পছন্দ করতেন, উদ্ভাবনী শক্তির ছাপ পাওয়া যেত তাঁর ব্যাটিংয়ে। টি-টোয়েন্টির কোচিংয়েও সেই দর্শন ছড়িয়ে দিতে চান, ‘আমি জানি এখন মানুষ খেলাটা এখন গভীরভাবে দেখে। এখন খেলাটা হয়ে গেছে ৩৬০ ডিগ্রি। প্রতিটা ম্যাচের খুটিনাটি বিশ্লেষণ করা হয় এখন। সবাই সবাইকে খুব ভালোমতো চেনে। সেজন্য রিভার্স সুইপ, স্লগ সুইপের মতো শট খেলার দরকার হইয় অনেক বেশি। বোলাররা অনেক বেশি স্লোয়ার আর কাটার দেয়। আপনাকে পরিকল্পনা করতে হবে, সেই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে সেই পরিকল্পনা যে কোনো মুহূর্তে বদলে যেতে পারে।’