• ইউরোপা লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    গ্রিনউডের রেকর্ডে ইউনাইটেডের বড় জয়, অল্পের জন্য আর্সেনালকে রক্ষা করলেন সাকা

    ফুল-টাইম

    ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৪-০ এজেড আলকামার

    স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজ ২-২ আর্সেনাল


    মার্কাস রাশফোর্ডের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমী থেকে ‘নেক্সট বিগ স্ট্রাইকার’ হিসেবে ভাবা হচ্ছিল মেসন গ্রিনউডকে। প্রতিভা, প্রতিশ্রুতি সবসময়ই ছিল তার, কিন্তু প্রত্যাশার পারদটা যেন পূরণ করতে পারছিলেন না তিনি। ইউনাইটেড সমর্থকদের নিজের সামর্থ্যের জানান দিতে ইউরোপিয়ান ম্যাচই বেছে নিলেন গ্রিনউড, গড়লেন রেকর্ডও। ১৮ বছর ৭২ দিনে ইউনাইটেডের কনিষ্ঠতম ফুটবলার হিসেবে ইউরোপিয়ান ম্যাচে জোড়া গোলের রেকর্ড এখন গ্রিনউডের। তার রেকর্ডের রাতে ইউরোপা লিগের ‘এল’ গ্রুপে এজেড আলকামারকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ওলে গানার সোলশারের দল। ইউনাইটেডের জয়ের রাতে আবারও হোঁচট খেয়েছে আর্সেনাল, স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজের সাথে ২-২ গোলে ড্র করেছে তারা।

    ওল্ড ট্রাফোর্ডে বড় জয় পেলেও আলকামারের বিপক্ষে প্রথমার্ধে রীতিমত সংগ্রাম করতে হয়েছিল ইউনাইটেডকে। গোলের সুযোগই তেমন তৈরি করতে পারেনি সোলশারের দল। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করতে হয়েছে ইউনাইটেডকে। হতাশাজনক প্রথমার্ধের পর সোলশারের ‘হাফ টাইম টিমটক’টা যে কাজে লাগিয়েছে, সেটা প্রমাণিত হয় দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে। ৫৩ মিনিটে অ্যাশলি ইয়ংয়ের গোলে লিড নেয় ইউনাইটেড। ৫৩ থেকে ৬৪- এই ১১ মিনিটে ৪ গোল করেছে ‘রেড ডেভিল’রা।

     

     

    ব্যবধান দ্বিগুণ করেছেন গ্রিনউড, ডানপায়ের মাপা নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেছেন তিনি। ৬২ মিনিটে ম্যাচ আলকামারের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যান হুয়ান মাতা। মিনিট দুয়েক পর আবারও গোল করেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। ১৮ বছর ৭২ দিনে ইউনাইটেডের কনিষ্ঠতম ফুটবলার হিসেবে ইউরোপিয়ান ম্যাচে জোড়া গোলের রেকর্ড এখন তার। ইউরোপা লিগ বাদে এই মৌসুমের প্রায় পুরোটা সময়ই বদলি হিসেবেই খেলেছেন গ্রিনউড। পুরো মৌসুমের এখন পর্যন্ত গোল করেছেন ৬টি, ‘রেড ডেভিল’দের হয়ে এবার তার চেয়ে বেশি গোল করেছেন কেবল রাশফোর্ড (১৩)।

     

     

    গত সপ্তাহে ওয়েস্ট হাম ইউনাইটেডকে হারিয়ে অবশেষে জয়ের ধারায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছিল ফ্রেডি ইউনবার্গের আর্সেনাল। কিন্তু স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজের বিপক্ষে আবারও সেই ‘অ্যাকিলিস হিল’ রক্ষণের কারণে ভুগতে হয়েছে তাদের। ইউনাইটেডের মত প্রথমার্ধে গোল পাওয়া হয়নি আর্সেনালেরও। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে ইউনবার্গের দল, স্যামুয়েল বাস্তিয়ানের গোলে লিড নেয় বেলজিয়ান দলটি। মিনিত বিশেক পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সেলিম আমাল্লাহ। ‘এফ’ গ্রুপের অন্য খেলায় ভিতোরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল গ্রুপের অন্য দল আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট। ৭০ মিনিট পর্যন্ত ৬ ম্যাচ শেষে জার্মানদের পয়েন্ট ছিল ১২, লিয়েজ ১১, এবং আর্সেনাল ১০। ইউরোপা লিগ থেকেও বিদায় নেওয়ার আশঙ্কা জেঁকে ধরেছিল গানারদের।

    তবে আর্সেনালকে রক্ষা করেছেন বুকায়ো সাকা। ৭৯ মিনিটে তার ক্রস থেকেই ব্যবধান কমান আলেকজান্ডার লাকাজেত। মিনিট তিনেক পর আরেক ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির সাথে ‘ওয়ান টু’ করে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে দলকে সমতায় ফেরান সাকা। শেষ ২০ মিনিটে যেমন নিজেদের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল আর্সেনাল, সেভাবে ভাগ্যও সাহায্য করেছে তাদের। শেষদিকে ২ গোল করে ফ্রাঙ্কফুর্টের মাঠে ২-১ গোলে পিছিয়ে থাকা ভিতোরিয়া জয় ছিনিয়ে এনেছে দারুণভাবে। তাই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই আগামী ১৬ ডিসেম্বর ইউরোপা লিগের ড্রতে থাকছে আর্সেনাল। হেরেও তাদের সঙ্গী ফ্রাঙ্কফুর্ট।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন