• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা সিটি ছাড়তে বাধ্য করতে পারে ডি ব্রুইনকে

    এক বছরের নিষেধাজ্ঞা হলে হয়ত থেকে যাবেন। আর সময়টা দুই বছরের জন্য হলে ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়ার কথা ভেবে দেখবেন কেভিন ডি ব্রুইন। বেলজিয়ান পত্রিকা হেত লাতস্তে নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে 'দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাটা' লম্বা সময় বলে মন্তব্য করেছেন ২৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার।

    গেল ফেব্রুয়ারিতে আর্থিক অস্বচ্ছতার দায়ে পরের দুই বছরের জন্য ম্যানচেস্টার সিটিকে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করেছে ইউয়েফা। এরপর সিটি অবশ্য আপিলও করেছে। তবে শুনানীর দিন তারিখ আর নতুন করে নির্ধারণ হয়নি। ডি ব্রুইন এই অবস্থায়ও ক্লাবের ওপর ভরসা রাখছেন, জানাচ্ছেন সিটি তাকে আশ্বস্ত করেছে আর্থিক অস্বচ্ছতার কোনো ঘটনা ঘটেনি।


    "আমি ক্লাবের ওপরই ভরসা রাখছি। ক্লাব আমাকে বলেছে তারা প্রায় শতভাগ নিশ্চিত যে তারাই সঠিক। সে কারণেই আমি অপেক্ষা করছি আসলে। আমি আমার দলকে বিশ্বাস করি। দেখি কী হয়।"

    "একবার সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে এরপর আমি নিজের সিদ্ধান্ত ভেবে দেখব। দুই বছর অনেক লম্বা সময় যায় আসলে। এক বছর (নিষেধাজ্ঞার সময়) হলে হয়ত ভেবে দেখব।" 

    নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটি সমীকরণ থেকে বাদ দিলে অবশ্য ডি ব্রুইনের ক্লাব ছাড়ার কোনো ইচ্ছাই নেই, রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবেও যাওয়ার প্রয়োজন দেখছেন না তিনি, "আমি বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবে খেলি, ইংল্যান্ডে খেলি- আমার মতে এখানকার লিগ সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ। তাছাড়া সেরা হওয়ার চ্যালেঞ্জটাও তো নিতে হবে।"

    সিটির সঙ্গে পেপ গার্দিওলার চুক্তির মেয়াদ রয়েছে আর এক বছর। আর ডি ব্রুইনের সঙ্গে ক্লাবের চুক্তি আরও ৩ বছরের। তবে গার্দিওলা থাকা না থাকার সঙ্গে তার সিটিতে থাকার কোনো সম্পর্ক নেই বলেই জানাচ্ছেন ডি ব্রুইন, "আমার সিদ্ধান্তের সঙ্গে গার্দিওলার থাকা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই। সে যখন ছিল না তখনও অন্য ট্রেনারদের সঙ্গে কাজ করেছি আমি। যদিও আমি এসব নিয়ে এখনও ভেবেও দেখিনি। এই মুহুর্তে এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনেক কিছু ভাবার আছে।"