• অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ২০১৬
  • " />

     

    "এই দলটা আরও অনেক দূর যাবে"

    বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অনেক থেকেই। আগের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন। এবারও নেমেছেন টস করতে। মেহেদী হাসান মিরাজকেই তো ভবিষ্যত বাংলাদেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল বড় তারাদের একজন মনে করা হচ্ছে। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে তো আর সারাজীবন খেলতে পারবেন না, ব্যাটনটা দিয়ে যাচ্ছেন দলের অনুজদের হাতে। তাদের হাতে দায়িত্বটা সঁপে দিতে পেরে মিরাজ নিশ্চিন্তই। সামনে আলোকিত বাংলাদেশের স্বপ্নও সবার চোখে এঁকে দিয়ে গেলেন।

     

    অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেটে এবার নিজেদের সেরা সাফল্যই পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে মিরাজদের হতাশা থাকতেই পারে। যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গত মাসেই নিজেদের মাঠে ধবলধোলাই করেছিল, তাদের কাছে হেরে গিয়ে তো আফসোস থাকবেই। সেই হতাশা একপাশে সরিয়ে রেখে মিরাজ শোনাচ্ছেন আশার জয়গান, "এখানেই শেষ নয়। আমাদের সামনে আরও অনেক পথ বাকি আছে। সামনে আমাদের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ আছে। সেটাও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর ফলটা যাই হোক না কেন, এখন আমরা এই পর্যায়ে সেরা চারটি দলের মধ্যে আছি। আমার মনে হয় এটাও কম কথা নয়। চ্যাম্পিয়ন বা রানার্স আপ যে হতে হবে এমন কোনো কথা নেই।"

     

    ২০০৬ সালে মুশফিক-তামিম-সাকিবদের অনূর্ধ্ব ১৯ দল উঠেছিল শেষ আটে। পরের বছর ওই দলের মুশফিকরা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে। মিরাজও এই দলের মধ্যে সেরকম ভবিষ্যতের স্ফুরণ দেখছেন, "মুশফিক ভাইরা এখানে পঞ্চম হয়েছিল। এখন আমরা তিন বা চারে থেকে শেষ করলে সেটা নতুনদের জন্য অনুপ্রেরণা হবে। ওরা অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন বা রানার্স আপ হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই নামবে।"

     

    মিরাজ নিজে তো বটেই, এই দলেই আরও অনেকের মধ্যে সাকিব-তামিমদের ছায়া দেখা যাচ্ছে। মিরাজ নিজেও সেরকমই মনে করেন, "এই দলের অনেকের মধ্যেই জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। এক বা দুই বছরের মধ্যে নিজেদের অনেক উঁচুতে নিয়ে যেতে পারবে তারা। জাতীয় দলে খেলার জন্য তাদের এখনও অবশ্য পোক্ত হতে হবে। সেটার জন্য আরও এক দুই বছর খেলতে হবে। মনোসংযোগটা ঠিক থাকলে এই দলের অনেকের অনেক দূর যাওয়ার ক্ষমতা আছে।"

     

    এই দলে তো কম সময় ধরে খেলেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক! কত শত স্মৃতি জড়িয়ে আছে সতীর্থদের মধ্যে। মিরাজকে সেই বেদনাও খানিকটা ছুঁয়ে গেল, "তিন বছর তো এখানে কাটালাম। যখন বাড়ি ফিরব, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেব, পরিবারের সঙ্গে থাকব, একটু খারাপই লাগবে। সবার কথাই মনে পড়বে আমার।"

     

    সামনে মিরাজের আরও বড় চ্যালেঞ্জ, এবার যে হাতছানি দিচ্ছে জাতীয় দল!

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন