• ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
  • " />

     

    টানা অষ্টম শিরোপার আরও কাছে বায়ার্ন মিউনিখ

    শেষ দিকের গোলে বুন্দেসলিগায় জয় নিশ্চিত হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের। তবে দুই জয়ের মাহাত্ম্য অবশ্য আলাদা। এর্লিং ব্রুট হালান্ডের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে করা একমাত্র গোলে ডর্টমুন্ড হারিয়েছে ডুসেলডর্ফকে, তবে সেটা হয়ত লিগে কেবল দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করবে ডর্টমুন্ডের। বায়ার্নের জয় অতোখানি নাটকীয় নয়। তবে  বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তাদের নিয়ে গেছে শিরোপা ছোঁয়া দূরত্বে। বুধবার ১৭ জুন, ভের্ডার ব্রেমেনকে হারালেই টানা অষ্টমবারের মতো বুন্দেসলিগার শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যাবে বায়ার্নের। তাতে জার্মানিতে এক টানা লিগ জয়ের নতুন রেকর্ডও গড়বে বাভারিয়ানরা। 


    অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন খেলতে নেমেছিল রবার্ট লেভানডফস্কি আর থমাস মুলারকে ছাড়াই। এই মৌসুমে দুইজনের মিলিত গোল আর আর অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৬০। এই দুইজনকে ছাড়া আক্রমণভাগে তাই কিছুটা ভুগতেই হয়েছে বায়ার্নকে। তবে ৮৬ মিনিটে লিওন গোরেতস্কার গোল টানা দশম জয় নিশ্চিত করেছে বায়ার্নের। মনশেনগ্লাডবাখের একাধিক ভুলের পর ডানদিকে বল পেয়েছিলেন বেঞ্জামিন পাভার। তার নিচু ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে পা ছুঁয়ে আরও একবার গোল করেন জার্মান মিডফিল্ডার।

    এর আগে অবশ্য পাভারের আত্মঘাতী গোলেই সমতায় ফিরেছিল গ্লাডবাখ। আর সবকিছুর আগে ১৯ বছর বয়সী জশুয়া জির্কজির গোলে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। তাতে অবশ্য গ্লাডবাখ গোলরক্ষক ইয়ান সমারের ভুলের দায় আছে। ভালো শুরুর পরও তাই গ্লাডবাখ পিছিয়ে পড়েছিল ম্যাচে। এরপর বায়ার্নকে হতাশ করতে থাকলেও শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগের স্পট নিশ্চিত করার জন্য লড়াই করতে থাকা গ্লাডবাখকে।

    এর আগে ডুসেলডর্ফের মাঠে বায়ার্নের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়েছিল ডর্টমুন্ড। তবে তা স্থায়ী হয়নি বেশিক্ষণ। ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে বায়ার্নের চেয়ে ৭ পয়েন্টেই পিছিয়ে আছে তারা। তবে আরেকটি জয়ে তিনে থাকা লাইপজিগের সঙ্গে ৪ পয়েন্টের ব্যবধান বজায় রেখেছে তারা। 

    হালান্ড পেয়েছেন জার্মান লিগের ১২ তম ম্যাচে ১১ তম গোল। চোট থেকে ফিরে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। এর আগে রাফায়েল গেরেরোর দারুণ এক গোল ভিএআরে বাতিল হলে গোলশূন্য ড্রয়ের পথেই এগুচ্ছিল ম্যাচ। যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে শক্তিশালী হেডে হালান্ড নিশ্চিত করেছেন দলের জয়। এরপর চলতি মৌসুমে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন