• ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইংল্যান্ড সফর ২০২০
  • " />

     

    সিবলির 'ভুল'-এর পর বল 'জীবাণুমুক্ত' করতে হলো আম্পায়ারদের

    অনেকদিনের অভ্যাস, চাইলেই কি ভোলা যায়! 

    ডম সিবলির ব্যাপারটা হয়েছে তেমনই। ‘দ্য নিউ নরমাল’-এর সঙ্গে অভ্যস্ত হতে বলা হলেও বলে থুতু-লালা লাগানোর অভ্যাসটা ভুল করে চলে এসেছিল তার। সিবলি সেটা নিজেই আম্পায়ারদের জানিয়েছেন এরপর, সঙ্গে সঙ্গেই বলের ওপর জীবাণুনাশক প্রয়োগ করেছেন তারা। 

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন সকালে ঘটেছে এই ঘটনা। প্রথম সেশনের শেষ ওভার করার আগে বোলিং মার্কে ফিরছিলেন স্পিনার ডম বেস, সে সময়ই দুই আম্পায়ার মাইকেল গফ ও রিচার্ড ইলিংওর্থ একত্র হয়ে বল জীবাণুমুক্ত করার কাজটা সেরেছেন। 

    কভিড-১৯ মহামারির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরার আগে নতুন প্লেয়িং কন্ডিশন চালু করেছে আইসিসি। এটি অনুযায়ী, বল মসৃণ করতে শুধু ঘাম ব্যবহার করতে পারবেন ক্রিকেটাররা, থুতু বা লালা নয়। আর সিবলির মতো এমন ভুল হলে শুরুর দিকে মেনে নেবেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা, এরপর দুইবার অফিশিয়ালি সতর্ক করা হবে সে দলকে। এই দুই সতর্কতার পরও এমন কাজ হলে সেই দলকে দেওয়া হবে ৫ রানের পেনাল্টি। 

    নতুন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটে ফেরার পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বার আলোচনায় এলো ইংল্যান্ড। এর আগে ‘বায়ো-সিকিউরিটি প্রটোকল’ ভেঙে দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন পেসার জফরা আর্চার। সাউদাম্পটন থেকে ম্যানচেস্টার যাওয়ার পথে নিয়ম ভেঙে নিজ বাসায় গিয়েছিলেন তিনি। 

    আর্চারের কান্ডের কারণে ইসিবির কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয়ে যেতে পারতো, পরে এমন বলেছিলেন মেনস দলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যাশলি জাইলস। অবশ্য অফিসিয়াল সতর্কতা শোনার সঙ্গে জরিমান দিয়ে পার পেয়ে গেছেন আর্চার, তৃতীয় টেস্টের জন্যও বিবেচনা করা হবে তাকে। আপাতত ওল্ড ট্রাফোর্ডের হোটেলে নিজ রুমে আইসোলেশনে আছেন আর্চার।

    কভিড-১৯ মহামারিতে এই ‘বায়ো-সিকিউর’ বলয়ের মাঝে থেকে হচ্ছে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন টেস্টের সিরিজ। ক্রিকেটাররা থাকছেন মাঠের সঙ্গেই লাগোয়া হোটেলে থাকছেন তারা, ‘ইনার-বাবল’ বা ‘অভ্যন্তরীণ-বলয়’-এ সাপোর্ট স্টাফ, ম্যাচ অফিশিয়াল ছাড়া আর কারও সংস্পর্শে আসছেন না তারা। 

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পরই পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি একই পরিবেশে থেকে খেলবে ইংল্যান্ড। তবে দুই সিরিজের মাঝে ইংলিশ ক্রিকেটারদের পরিবারের কাছে যেতে দেওয়া হবে কিনা, আলোচনা চলছে সেটি নিয়ে। জেমস অ্যান্ডারসন বলেছেন, এ ব্যাপারে কিছু নিশ্চিত করা না হলেও এমন হলে সেটিকে স্বাগত জানাবেন তারা। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন