• ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
  • " />

     

    টাইব্রেকারে লিওঁ-কে হারিয়ে ঘরোয়া ট্রেবল পূর্ণ হল পিএসজির

    ফুল টাইম

    পিএসজি ০ (৬) - ০ (৫) লিওঁ


    পেনাল্টি শুটআউটে ঘরোয়া ট্রেবল জিতে নিল পিএসজি। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিট খেলার পরেও দুই দলের কেউই গোলের দেখা না পাওয়ায় কুপ দে লা লিগের শেষ সংস্করণের ফাইনাল গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানেও দুই দল সমানে সমান। পিএসজি এবং লিওঁ প্রথম ৫ পেনাল্টির সবগুলো জালে পাঠিয়েছে। তবে লিওঁ-র হয়ে ষষ্ঠ পেনাল্টি নিতে আসা বার্ট্রান্ড ট্রায়োরের শট ঠেকিয়ে দেন কেইলর নাভাস। এরপর পিএসজির পাবলো সারাবিয়া আর কোনও ভুল করেননি। নিখুঁতভাবে লিওঁ গোলরক্ষক অ্যান্থনি লোপেসকে বোকা বানিয়ে বল জালে পাঠান। আর এরই মাধ্যমে গত আট মৌসুমে সপ্তমবারের মতো এই শিরোপা উঁচিয়ে ধরে পিএসজি।


    স্তাদে দে ফ্রান্সে সপ্তাহখানেক আগেই সেইন্ট এতিয়েনকে হারিয়ে ফ্রেঞ্চ কাপ জিতেছিল পিএসজি। আবারও একই মাঠে আরেকটি শিরোপা জিততে শনিবার মাঠে নেমেছিলেন নেইমাররা। দর্শক উপস্থিতি ছিল মাঠের ধারণক্ষমতার প্রায় অর্ধেক। ঘরোয়া মৌসুমের ওপর চাপ কমাতে ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন কুপ দে লা লিগ টুর্নামেন্টটিকে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগেই। তাই ২৬ বছর আগে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টটির শেষ ফাইনাল খেলতে শনিবার মাঠে নেমেছিল পিএসজি এবং লিওঁ। 

    পিএসজির জন্য ম্যাচটি ছিল চ্যাম্পিয়নস লিগের আগে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়ার। আর সপ্তম অবস্থানে থেকে লিগ শেষ করা লিওঁ-র জন্য ম্যাচটি ছিল ইউরোপের টিকিট। লিগের অবস্থান দিয়ে ইউরোপে সুযোগ না পেলেও এই ম্যাচ জিতলে ইউরোপা লিগে জায়গা করে নিতে পারত লিওঁ। সেই লক্ষ্যে ম্যাচের শুরু থেকেই পিএসজিকে তটস্থ রাখে ক্লাবটি। আঁটসাঁট রক্ষণে পিএসজির তারকাবহুল আক্রমণভাগকে ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ই খোলসবন্দী করে রাখে লিওঁ। তবুও নেইমার, ডি মারিয়া এবং সারাবিয়াদের হাত ধরে বেশকিছু সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি।

    পিএসজি ম্যাচের সেরা সুযোগটি পেয়েছিল নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মিনিট দুয়েক আগে। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে অ্যান্ডার হেরেরার দুর্দান্ত ক্রসে দারুণ হেড করে বল লক্ষ্যে রেখেছিলেন নেইমার। তবে আলতো ছোঁয়ায় বলটিকে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেন লিওঁ গোলরক্ষক লোপেস, ম্যাচজুড়েই বুদ্ধিদীপ্ত কিপিংয়ে পিএসজিকে গোলবঞ্চিত রেখেছিলেন এই গোলরক্ষক।


    অতিরিক্ত সময়ে ৯৬ মিনিটে একটি ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া। তবে তার বক্সের বাইরে থেকে করা লো শটও দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন লোপেস। অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছেন বদলি হিসেবে নামা লিওঁ ডিফেন্ডার রাফায়েল। অতিরিক্ত সময়ে ১১৯ মিনিটে ডি মারিয়া মাঠের বাম পাশ দিয়ে বক্সে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, আর তখনই পিছন থেকে এই আর্জেন্টাইনকে ডাইভিং ট্যাকল করেন রাফায়েল। তাঁকে সরাসরি লাল কার্ড দেখাতে এরপর মোটেই সময়ক্ষেপণ করেননি রেফারি। তবে অতিরিক্ত সময়ের বাকি অংশে আর দশজনের লিওঁ-কে কোনও পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি পিএসজি। ফলস্বরূপ পেনাল্টি শুটআউটে দক্ষতার প্রমাণ দিয়েই পিএসজিকে বুঝে নিতে হলো মৌসুমের তৃতীয় ঘরোয়া শিরোপা।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন