• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    বয়স জালিয়াতির বিষয়ে কঠোর হচ্ছে বিসিসিআই, অপরাধ প্রমাণ হলেই দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

    ক্রিকেটারদের বয়স জালিয়াতির বিষয়ে কঠোর হচ্ছে বিসিসিআই। তবে সঠিক বয়স গোপন করে ভুল জন্ম তারিখ দেওয়া ক্রিকেটারদের পাপমোচনের একটি সুযোগ দিচ্ছে সংস্থাটি। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিসিসিআইয়ের তালিকাভুক্ত যেসব ক্রিকেটার বয়স জালিয়াতি করেছেন, তাদের সংস্থাটির বয়স যাচাই বিভাগের কাছে চিঠি বা ইমেইলের মাধ্যমে সঠিক কাগজপত্র জমা দিয়ে বয়স গোপনের বিষয়টি জানাতে বলা হয়েছে।

    এই সময়ের মধ্যে যারা বয়স জালিয়াতির বিষয় বিসিসিআইকে জানাবে না, পরবর্তীতে কখনও বিসিসিআইয়ের তদন্তে তাদের বয়স জালিয়াতির তথ্য প্রমাণিত হলে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে হবে। এছাড়া নিষিদ্ধের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও বিসিসিআই এবং প্রাদেশিক অ্যাসোসিয়েশনগুলোর বয়স ভিত্তিক টুর্নামেন্টগুলোতে অংশ নিতে পারবেন না তারা।


    বয়স জালিয়াতির জন্য বিসিসিআই এবং প্রাদেশিক অ্যাসোসিয়েশনগুলো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সবশেষ ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের তারক মনজোত কালরাকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আগে জম্মু কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন রাসিখ সালাম নামের এক ক্রিকেটারকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। আর উত্তর প্রদেশ শিভম মাভির বিষয়ে সিদ্ধান্তের দায়িত্বভার বিসিসিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে। এছাড়া আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে খেলা নিতিশ রানার বিরুদ্ধেও নকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার বয়স অভিযোগ উঠেছে। আসল কাগজপত্র জমা দিতে তাকে এখন সময় বেঁধে দিয়েছে বিসিসিআই।

    এদিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে বয়স জালিয়াতি ঠেকানো জরুরী বলে মন্তব্য করেছেন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি, “সব বয়সের খেলোয়াড়দের জন্য আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে চাই। বিসিসিআই বয়স জালিয়াতি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে, আগামী ঘরোয়া মৌসুমে এই বিষয় নিয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যারা স্বেচ্ছায় তাদের অপরাধ স্বীকার না করবে, তাদের বড় ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে। তাদের দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে।”

    ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমি প্রধান রাহুল দ্রাবিড়ও বয়স জালিয়াতিকে খেলার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হিসেবে উল্লেখ করে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন, “বয়স জালিয়াতি একটি জটিল বিষয় এবং এটি খেলার জন্য ক্ষতিকর। অনেক তরুণেরা যে বয়সভিত্তিক দলে তাদের খেলা উচিৎ সেখানে খেলতে পারেন না বয়স জালিয়াতির কারণে। আর বিসিসিআই যেহেতু এটি কমিয়ে আনতে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাই আমি খেলোয়াড়দের স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসার মাধ্যমে বোর্ডের নির্দেশনা মানতে অনুরোধ করব।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন