• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    কিক অফ : পিএসজি-বায়ার্ন ফাইনালের আগে যত প্রশ্ন...

    কিক অফ : পিএসজি-বায়ার্ন ফাইনালের আগে যত প্রশ্ন...    

    কবে, কখন
    পিএসজি-বায়ার্ন মিউনিখ
    চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল
    এস্তাদিও দা লুজ, লিসবন, পর্তুগাল
    ২৪ আগস্ট, রাত ১.০০


    চ্যাম্পিয়নস লিগের অ্যানথেম বেজে উঠলেই জশুয়া কিমিখের রক্ত গরম হয়ে যায়। ফুটবলাররা এ একই কথা প্রায়ই বলেন। সমর্থকদের জন্যও সত্যি সেটা। এই মিউজিকের আলাদা একটা আবেদন আছে। টেলিভিশনে দর্শকরা  চোখে দেখছেন ফাঁকা মাঠ, তবে ব্রডকাস্টারদের যোগ করা আবহ সঙ্গীত ফুটবলের পুরোনো শিহরণ জাগাচ্ছে। খেলোয়াড়রা এতোদিনে ফাঁকা মাঠের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। তবে বহু আরাধ্য চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠে সমর্থকদের মিস না করে উপায় নেই। কিমিখ, কিলিয়ান এমবাপেরা ফাইনালের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে দর্শকদের অনুপস্থিতির কথা বললেন আলাদা করে।

    দর্শকের হৈ হুল্লোড় না থাকলেও মাঠে খেলোয়াড়দের নিবেদনে ঘাটতি পড়ছে না তেমন। চ্যাম্পিয়নস লিগের ‘বিশেষ এডিশন’ দশ দিনের মিনি টুর্নামেন্ট বিশ্বকাপের স্বাদ দিয়ে গেছে। বাকি আছে ফাইনাল। বাকি আছে বহু হিসাব-কেতাব। ফুটবলভক্ত হয়ে থাকলে এই ফাইনাল আপনার জন্য বছরের সেরা উপহার।

    হয় বায়ার্ন ট্রেবল জিতবে, নয় পিএসজি পূরণ করবে ট্রেবল। পিএসজি অবশ্য চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলে ফ্রান্সের টুর্নামেন্ট ফরম্যাটের কারণে মৌসুমে পাঁচ শিরোপা জিতবে। ১৯৬৬-৬৭ তে সেল্টিক সর্বপ্রথম কোয়াড্রেপল জেতার পর, আরও ৭ ক্লাব জিতেছে ট্রেবল। সবশেষ ২০১৪-১৫ সালে বার্সেলোনা জিতেছিল ট্রেবল। আর বায়ার্ন শেষ সাত বছর আগে যেবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল, সেবারও ট্রেবল পূরণ হয়েছিল তাদের।


    ২০১৩ এর পর বায়ার্ন ৬ বারের ৪ বারই ফিরে গেছে সেমিফাইনাল থেকে। ইউপ হাইঙ্কেস যাওয়ার পর পেপ গার্দিওলা, কার্লো আনচেলত্তিরা যা পারেননি, হানসি ফ্লিক মৌসুমের মাঝে দায়িত্ব নিয়ে তা করে দেখিয়েছেন। সবশেষ ২৯ ম্যাচে বায়ার্ন হারেনি একবারও, ড্র করেছে মাত্র একবার। এর ভেতর টানা ১৯ ম্যাচ জয়। ২০২০ সালটা গোটা পৃথিবীরই খারাপ গেছে, কিন্তু বায়ার্ন এখানেও ব্যতিক্রম। এ বছর এখনও হারের মুখ দেখেনি তারা। চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০ ম্যাচ খেলে বায়ার্ন করেছে ৪২ গোল। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে এক  আসরে এর চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল বার্সার, ১৯৯-০০ মৌসুমে সেবার ১৬ ম্যাচ খেলে ৪৬ গোল করেছিল তারা।  শুধু নক আউট পর্বের ৪ ম্যাচেই ১৯ গোলের বিপরীতে বায়ার্ন হজম করেছে মাত্র ৩ গোল। এই সংখ্যাগুলো বায়ার্নের দপটের কথা বলে, আর মাঠের দাপট বলে এই বায়ার্ন শিরোপা দৌড়ে এগিয়ে।

    এই বায়ার্ন মেশিনের মতো একটানা একইতালে চলতে পারে। বার্সেলোনা সেটা টের পেয়েছে ৮-২ গোলে হারা ম্যাচে। বায়ার্নের সেমিফাইনাল ম্যাচ  অবশ্য অতোটা সহজ হয়নি। পিএসজিকে বরং টোটকা শিখিয়ে দিয়ে গেছে স্বদেশী ক্লাব লিওঁ। বায়ার্নের হাই ডিফেন্সিভ লাইন টার্গেট করলে টলানো সম্ভব মেশিনকেও। হানসি ফ্লিকও সেটা জানেন। তবে নিজের দর্শনের ওপর ভরসা আছে তার। ম্যাচের আগে বললেন, বায়ার্নের এই উন্নতির পেছনে অবদান আছে যে প্লেয়িং স্টাইলের সেটা নিয়ে খুব বেশি কাটা ছেড়ার পক্ষপাতী নন তিনি, “গত দশ মাসে আমরা আমাদের খেলার ধরন দিয়েই প্রতিপক্ষের ওপর প্রভাব খাটিয়েছি। হাইলাইনেই খেলেছি, তাতে আমরা ফলও পেয়েছি। এই ব্যাপারে তাই খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।”

    বায়ার্নের হাইলাইন বিপদজনক মনে হওয়ার কারণ পিএসজির ফ্রন্টলাইন। কিলিয়ান এমবাপের গতি তো যে কোনো দলের জন্যই মহা বিপদ সংকেত। ড্রিবলিং খুব পটু না হলেও, নিজেই নিজেকে থ্রু পাস দিয়ে প্রতিপক্ষের হাইলাইনের বারোটা বাজানোর ওস্তাদ তিনি। নেইমারও আছেন, আছেন আনহেল ডি মারিয়াও। বায়ার্নের হাইলাইন ভাঙতে এর চেয়ে ভালো জুটি ইউরোপেই কম আছে। ফাইনালে তাই ম্যানুয়েল নয়্যারের সামনে বড় দায়িত্ব। বায়ার্নের সুইপার কিপার হাইলাইনের পেছনের অংশ কীভাবে কভার দিতে পারেন, তার ওপর পিএসজির সাফল্যও নির্ভর করছে অনেকটাই।

    নিজের দর্শনের ওপর অটুট আস্থা আছে থমাস তুখলেরও। ৪৬ বছর বয়সী জার্মান কোচ ইউর্গেন ক্লপের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন ক্যারিয়ারে। মাইঞ্জের পর, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, এরপর এখন পিএসজির কোচ তিনি। প্রথম মৌসুমে ঘরোয়া সাফল্যের পর দ্বিতীয় মৌসুমে পিএসজিকে নিয়ে গেছেন ইতিহাসের প্রথম ফাইনালে। বায়ার্নের নাড়ি-নক্ষত্র ভালোমতোই জানা আছে তার। তবে বিশেষ কোনো ট্যাকটিক্যাল পরিবর্তন তাই হচ্ছে না এই ম্যাচে। দুই জার্মান কোচই নিজেদের ওপর ভরসা রাখছেন। ফাইনাল তাই এবার শক্তি প্রদর্শনের খেলা।

    পিএসজির ত্রয়ী ম্যাচে আক্রমণের পাশাপাশি কতোখানি রক্ষণে মনোযোগ দিতে পারেন- সেটাও ভাগ্য গড়ে দিতে পারে ফাইনালে। হিসাবে রবার্ট লেভানডফস্কি, সার্জ গ্যানাব্রি আর থমাস মুলাররাই বেশি সফল। লেভানডফস্কি কখনই চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারেননি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলছে তিনিন। ২০১৩ তে বায়ার্নের শিরোপাজয়ী ফাইনালের হারা দলে ছিলেন লেভানডফস্কি। এই মৌসুমের শেষ ম্যাচের আগ পর্যন্ত ৪৬ ম্যাচে পোলিশ স্ট্রাইকারের গোল ৫৫টি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৫ গোল করা হয়ে গেছে তার। আর দুই গোল করতে পারলে এক মৌসুমে সর্বচ্চ গোলের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড ছোঁবেন তিনি। গ্যানাব্রি ৯ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল। থমাস মুলার মাঠে যতক্ষণ থাকেন, হয় নিজে গোল দিতে যান, নইলে অন্যের জন্য জায়গা করে দিতে ব্যস্ত থাকেন। এই তিনজনের ক্রমাগত রোটেশন পিএসজির ব্যাকলাইনের সঙ্গে ডিফেন্সিভ মিডে খেলা মার্কিনিয়োসকেও ধন্ধে ফেলে দিতে পারে।


    পিএসজির জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচে তাই অধিনায়ক থিয়াগো সিলভার কাঁধে বড় দায়িত্ব। চ্যাম্পিয়নস লিগে যেমন বায়ার্ন এবার সবচেয়ে বেশি গোল করা দল, মাত্র ৫ গোল হজম করে পিএজসিও সবচেয়ে কম গোল খাওয়া দল। তবে কেইলর নাভাস না খেলতে পারলে সেটা দুশ্চিন্তা বাড়াবেই পিএসজির। পিএসজির নিয়মিত একাদশে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী ফুটবলার আছেন তিনজন- নেইমার, ডি মারিয়া আর নাভাস। ক্লাব হিসেবে বায়ার্ন অভিজ্ঞতায় যোজন যোজন এগিয়ে। এগারোতম বারের মতো ফাইনালে খেলবে বাভারিয়ানরা। বড় ম্যাচে অভিজ্ঞতাও তো একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায় অনেক সময়!

     

     

    ডি মারিয়া ২০১৪ সালে এই মাঠেই চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যান অফ দ্য ফাইনাল হয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। রিয়ালে যোগ দেওয়ার আগে এই বেনফিকার হয়েও খেলেছেন তিনি। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত এক পারফম্যান্সের পর নেইমার, এমবাপে ছাড়াও তার ওপর বাড়তি নজর রাখতেই হচ্ছে তাই বায়ার্নকে।

    ক্লাবের ৫০ বছরের ইতিহাসে প্রথম ফাইনাল পিএসজির। নেইমার এই চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততেই বার্সেলোনা ছেড়ে এসেছিলেন। আর এমবাপে বড় ক্লাবের আলো ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন ফ্রান্সের ইতিহাস নতুন করে লিখতে, "এমন কিছু করতেই আমি পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলাম। আমি আগেই বলেছি ফ্রান্সের ইতিহাসটা নতুন করে লিখতে চাই আমি।"- ম্যাচের আগে বলেছেন এমবাপে। পিএসজি শিরোপা জিতলে ফ্রান্সের ফুটবল ইতিহাস আদতেই নতুন করে লেখা হবে। ইউরোপিয়ান কাপ/চ্যাম্পিয়ন লিগের ইতিহাসে ফ্রান্স বরং সাদামাটা। একমাত্র মার্শেই বাদে কেউ চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারেনি ফ্রান্স থেকে। ২১ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে ফেলা এমবাপে সেই রীতিটা বদলাতে চাইবেন সেটাই স্বাভাবিক। সেটা যদি ক্লাব প্রতিষ্ঠার পঞ্চাশতম বর্ষে হয় তাহলে তো গল্পটা জমে যায় আরও।

    পিএসজি এসব রোমাঞ্চকর গল্প সত্যি হওয়ার স্বপ্ন বুনছে। বায়ার্নের এসবের ধার ধারে না। বাভারিয়ানরা অন্য ধাতুতে গড়া। আরেকটা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলে লিভারপুলের পাশে ছয় শিরোপা নিয়ে বসে যাবে বায়ার্ন। এই মৌসুমে বায়ার্ন যে রূপ দেখিয়েছে তাতে সম্ভাব্যতার সূত্রও বায়ার্নের পক্ষেই কথা বলছে।

     

    নজর রাখবেন যে লড়াইয়ে

    • এমবাপে রাইট বা লেফট দুই পাশেই সমানভাবে খেলতে পারেন। যেদিকেই খেলুন- একদিনে তার প্রতিপক্ষ জশুয়া কিমিখ, অন্যদিকে আলফোনসো ডেভিস। তরুণ ডেভিস গতিতে এমবাপের সমকক্ষ। তবে রক্ষণে কিছুটা দুর্বল। বায়ার্নের দুই ফুলব্যাক আক্রমণেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই দুইজনের সঙ্গে এমবাপের লড়াইটা ম্যাচের বড় আকর্ষণ।
       
    • মার্কো ভেরাত্তি চোট থেকে সেরে দলের সঙ্গে পুরোদমে অনুশীলন করেছেন। তবে ফাইনাল খেলার মতো অবস্থায় তিনি রয়েছেন কি না তা জানা নেই। তুখল জানিয়েছেন দলে ভেরাত্তি থাকবেন। একাদশে ইতালিয়ান মিডফিল্ডার খেললে, লিয়ান্দ্রো পারেদেস জায়গা হারাতে পারেন। ভেরাত্তি প্রতিপক্ষের প্রেস সামাল দিতে পারেন পারেদেসের চেয়ে ভালো। কিন্তু পারেদেস আবার বল ডিস্ট্রিবিউশনে এগিয়ে। দুইজনকে একসঙ্গে নামানোর জো নেই। তবে দুইজনই কোনো না কোনো সময়ে মাঠে নামবেন- সেটা মোটামুটি নিশ্চিত।

    দলের খবর


    কেইলর নাভাস খেলবেন কী না সেই সিদ্ধান্ত তুখল নেবেন ম্যাচের আগে। তবে অবস্থাচিত্তে মনে হচ্ছে সার্জিও রিকোই শুরু করবেন পিএসজির গোলবারের নিচে। ইদ্রিসা গায়াও পুরোপুরি ফিট নন। মিডফিল্ডে অ্যান্ডার হেরেরার ওপরই ভরসা রাখার কথা তুখলের। মাউরো ইকার্দি সেমিফাইনালে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। ফাইনালেও একাদশে থাকার সম্ভাবনা কম। তবে বেঞ্চে থেকে এসে প্রভাব রাখার ক্ষমতা আছে তার।

    বায়ার্নের একাদশে এবারও পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই। বেঞ্জামিন পাভার চোট থেকে ফিরেছেন। তবে একাদশে তাকে না রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন ফ্লিক। জেরোম বোয়াটেং আগের ম্যাচে বিরতির সময় মাঠ ছেড়েছেন চোট নিয়ে। তবে বায়ার্ন তাকে যে কোনো মুল্যেই ফেরত পেতে চাইবে ফাইনালের আগে। নইলে নিকোলাস সুলে, লুকাস হার্নান্দেজরা তো আছনই।


    সম্ভাব্য একাদশ


    পিএসজি
    রিকো, কেহরের, সিলভা, কিম্পেম্বে, বের্নাট, মার্কিনিয়োস, হেরেরা, ভেরাত্তি, ডি মারিয়া, নেইমার, এমবাপে

    বায়ার্ন মিউনিখ
    নয়্যার, কিমিখ, বোয়াটেং, আলাবা, ডেভিস, থিয়াগো, গোরেতস্কা, মুলার, গ্যানাব্রি, পেরিসিচ, লেভানডফস্কি  


    যেভাবে ফাইনালে


    পিএসজি



    গ্রুপ পর্ব
    পিএসজি ৩-০ রিয়াল মাদ্রিদ
    গ্যালাতাসারে ০-১ পিএসজি
    ক্লাব ব্রুজ ০-৫ পিএসজি
    পিএসজি ১-০ ক্লাব ব্রুজ
    রিয়াল মাদ্রিদ ২-২ পিএসজি
    পিএসজি ৫-০ গ্যালাতাসারে

    দ্বিতীয় রাউন্ড
    বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ১-২ পিএসজি
    পিএসজি ২-০ বরুশিয়া ডর্টমুন্ড

    কোয়ার্টার ফাইনাল : আটালান্টা ১-২ পিএসজি
    সেমিফাইনাল : লাইওজিগ ০-৩ পিএসজি

     


    বায়ার্ন মিউনিখ
     


    গ্রুপ পর্ব
    বায়ার্ন ৩-০ রেডস্টার
    টটেনহাম ২-৭ বায়ার্ন
    অলিম্পিয়াকোস ২-৩ বায়ার্ন
    বায়ার্ন ২-০ অলিম্পিয়াকোস
    রেড স্টার ০-৬ বায়ার্ন
    বায়ার্ন ৩-১ টটেনহাম

    দ্বিতীয় রাউন্ড
    চেলসি ০-৩ বায়ার্ন
    বায়ার্ন ৪-১ চেলসি

    কোয়ার্টার ফাইনাল : বার্সেলোনা ২-৮ বায়ার্ন
    সেমিফাইনাল : লিওঁ ০-৩ বায়ার্ন 


    হেড টু হেড


    বায়ার্ন আর পিএসজি আগে ৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর ভেতর পিএসজি জিতেছে ৫ বার, বায়ার্ন ৩ বার। আগের দশ ফাইনালে ৫ বার শিরোপা জেতা বায়ার্ন সমান সংখ্যক ফাইনালও হেরেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এর চেয়ে বেশি ফাইনাল হারের রেকর্ড আছে শুধু জুভেন্টাসের।


    প্রেডিকশন


    এক লেগের টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচটা শেয়ানে শেয়ান লড়াই হওয়ার কথা। তবে বাকি আর দশটা ফাইনালের মতো আঁটসাঁট হবে না এবারের ফাইনাল- এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে দুইদলের খেলাতেই। দুই কোচই বলেছেন নিজদের দর্শনে ভরসা রাখছেন তারা, তার মানে দুই দলই আক্রমণে মনোযোগী হয়েই খেলবে। তাই ফাইনাল দেখতে পারে গোল উৎসব। পিএসজির মহাতারকারা বড়মঞ্চে জ্বলে উঠতে না পারলে শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত বায়ার্নের সঙ্গে তাদের পেরে ওঠার সম্ভাবনা কমই।

    পিএসজি ২-৪ বায়ার্ন মিউনিখ