• ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
  • " />

     

    করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পিএসজি লঁসের কাছে হেরে শুরু করল নতুন মৌসুম

    লিগ আঁ-তেঁ মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই নবাগত লঁসের কাছে হেরে গেছে পিএসজি। করোনাভাইরাসে জর্জরিত পিএসজিতে ছিলেন না মূল দলের ৭ জন খেলোয়াড়। নেইমার, কিলিয়ান এমবাপে, আনহেল ডি মারিয়া, মাউরো ইকার্দিদের অনুপস্থিতিতে বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় দলটাই নামাতে হয়েছিল থমাস তুখলকে।

    ১৮ দিন আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলা পিএসজি একাদশের মাত্র ৫ জন খেলোয়াড় শুরু করেছিলেন লঁসের বিপক্ষে। একসঙ্গে ৭ জন খেলোয়াড় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় এই ম্যাচ আয়োজন নিয়েও সংশয় ছিল। তবে লঁসের মাঠে শেষ পর্যন্ত ৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে হয়েছে ম্যাচ, আর তাতে ঘরের দল পেয়েছে স্মরণীয় এক জয়।



    দ্বিতীয়ার্ধে ৫৭ মিনিটে, তুখলের তৃতীয় পছন্দের গোলরক্ষক মারচিন বুলকা বল উপহার দিয়েছিলেন ইগ্নাসিয়াস গানাগোকে। পরে তিনিই গোল করে এগিয়ে নেন দলকে। ওই গোলেই পরে নির্ধারিত হয়েছে ম্যাচের ফল।

    নেইমার-এমবাপেদের মতো করোনা আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন গোলরক্ষক কেইলর নাভাসও। দ্বিতীয় পছন্দের গোলরক্ষক সার্জিও রিকো অবশ্য সুস্থ্য ছিলেন। কিন্তু পিএসজির লঁসের বিপক্ষে এই ম্যাচ খেলার কথা ছিল আগস্টের ২২ তারিখে। চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলা থাকায় লঁসের বিপক্ষে পিএসজির ম্যাচের সময়সূচী পরিবর্তন করে আনা হয়। পরে পিএসজির অনুরোধে আরও দশদিন পিছিয়ে দেওয়া হয় ম্যাচ। এর ভেতর ধারে খেলতে থাকা রিকোর সঙ্গে পিএসজির চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখ সেভিয়া থেকে পাকাপাকিভাবে প্যারিসের ক্লাবে যোগ দেন রিকো । মূল ফিক্সচারের সময় রিকো পিএসজির খেলোয়াড় ছিলেন না বলেই এই ম্যাচের স্কোয়াডে তাকে রাখতে পারেননি তুখোল।

    সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে মার্শেইয়ের বিপক্ষে খেলবে পিএসজি।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন