• ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
  • " />

     

    পিএসজি যখন হারছিল, ডি মারিয়ার বাসায় ডাকাতি হচ্ছিল

    পিএসজি যখন হারছিল, ডি মারিয়ার বাসায় ডাকাতি হচ্ছিল    

    মাত্রই পিএসজির জালে একটা গোল শোধ করে দিয়েছে নতেঁ, ম্যাচ তখন ১-১ গোলে সমতায়। ৬২ মিনিটে পিএসজি ডিরেক্টর লিওনার্দো এসে কানে কানে কিছু একটা বললেন কোচ মাউরিজিও পচেত্তিনোকে। সেটা শোনার পর পচেত্তিনোর সংকেতে উঠিয়ে আনা হলো আনহেল ডি মারিয়াকে। মাঠ ছাড়ার পর ডি মারিয়ার কানে কিছু একটা বললেন পচেত্তিনো, দুজনেই চলে গেলেন ড্রেসিংরুমে। পচেত্তিনো ডাগআউটে ফিরলেন সঙ্গে সঙ্গেই। তবে স্টেডিয়ামের বাইরে একটু পরেই দেখা গেল ডি মারিয়াকে, গম্ভীর মুখে গাড়িতে উঠছেন। যে খবর শুনেছেন, তাতে অবশ্য মাঠ ছাড়ারই কথা। ডি মারিয়া যখন খেলছিলেন, তখন যে তার বাসার সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভয়ংকর এক ডাকাতি হচ্ছিল। 

    দুর্ঘটনাটা কাল ঘটেছে ম্যাচের একদম সময়েই। ডাকাত দল ওঁত পেতে ছিল সে সময়েই, ম্যাচ চলাকালেই তারা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখেছিল পরিবারের সবাইকে, সেফের মূল্যবান সবকিছু নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে প্যারিসিয়ান পত্রিকা। তবে পরিবারের সবাই এখন পর্যন্ত নিরাপদ ও সুস্থ আছে বলেই জানা গেছে। তার চেয়েও অদ্ভুত, একই সময়ে পিএসজিরই আরেক ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োসের বাসায়ও ডাকাতি হয়েছে। তিনি অবশ্য পুরো ম্যাচ খেলেছেন, তার কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায়নি। 

    প্যারিসে এই ডাকাতির ঘটনা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। তার চেয়েও ভয়ংকর, পিএসজির ম্যাচ চলার সময়েই ফুটবলারের বাড়িতে এই অঘটন ঘটছে। কিছুদিন আগেই পিএসজির ম্যাচের সময় আরেক আর্জেন্টাইন মাউরো ইকার্দির বাসায় ডাকাতি করে আড়াই লাখ পাউন্ডের জিনিস লুট করা হয়েছে। এই বছরেই ডাকাতি হয়েছে গোলকিপার সার্জিও রিকোর বাসায়, তিনি তখন খেলছিলেন। তার আগে দানি আলভেস ও থিয়াগো সিলভার প্যারিসের বাসায়ও ডাকাতি হয়েছে, লুটের শিকার হয়েছেন সাবেক পিএসজি স্ট্রাইকার এরিক চুপো মতিং। পুলিশ কিছু ব্যবস্থা নিলেও এই ডাকাতির ঘটনা কমেনি। 

    ডি মারিয়া এর আগেও এমন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। তবে সেটা ইংল্যান্ডে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলার সময় চেশায়ারের বাসায় ডাকাতি হয়েছিল, তখন ডি মারিয়া বাড়িতেই ছিলেন। ওল্ড ট্রাফোর্ড ছাড়ার একটা কারণ মনে করা হয় এই ঘটনাকে।  

    পিএসজির জন্য দুর্ভাগ্যজনক, টানা দুই ম্যাচ নিজেদের মাঠে হেরে গেছে তারা। ২০১২ সালের পর নিজেদের মাঠে এই তিক্ত অভিজ্ঞতা এই প্রথম হলো। শুরুতে জুলিয়ান ড্রাক্সলারের গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হারতে হয়েছে ২-১ গোলে। ২৯ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে রইল পিএসজি, ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে লিল।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন