• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    'গ্রুপ অফ ডেথ'- থেকে শেষ ষোল'র জন্য শেষ দিনে ত্রিমুখী লড়াই

    'গ্রুপ অফ ডেথ'- থেকে শেষ ষোল'র জন্য শেষ দিনে ত্রিমুখী লড়াই    

    গ্রুপ অফ ডেথের সমীকরণ জমে ‘ক্ষীর’ হল একদম মোক্ষম সময়ে! টিকে থাকার জন্য দুই দলেরই প্রয়োজন ছিল জয়, আর অন্যদিকে পোর্তো হেরে গেলে সুবিধা হত আরও। জয়টা মিলান ছিনিয়ে নিল বটে, পোর্তোও লিভারপুলের কাছে হেরে গিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস দিল আতলেতিকো-মিলান দুই দলকেই। যদিও পিওলির মিলানের কাছে ১ গোলে হারটা ভালোভাবে নিতে পারেননি সিমিওনে, বিরক্তি নিয়ে ম্যাচের ফল দেখে চলে গেছেন ডাগআউটে।

    অথচ ম্যাচ দেখে মনে হচ্ছিল ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হবে সুয়ারেজ-ইব্রাহিমোভিচদের। সেটা হতে দিলেন না ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার জুনিয়র মেসিয়াস। ফ্র্যাঙ্ক কেসির লেফট ফ্ল্যাংক থেকে পাঠানো বলে হেড করে অবলাককে ফাকি দিয়ে বল যখন জালে ঢুকছে, ম্যাচের সময় তখন ৮৭ মিনিট। মাঠ থেকে সুয়ারেজ উঠে গিয়ে নেমেছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান মাতিয়াস কুনহা। মেসিয়াস পারলেও ৯০ মিনিটে পাওয়া সুযোগ নষ্ট করেছেন কুনহা। প্রায় ফাকা বক্সে সুযোগ পেয়েও ইওরেন্তের দেওয়া বল মেরেছেন বাইরে, সেই সঙ্গে নিজেদের জন্য কঠিন করে দিয়েছেন গ্রুপ অফ ডেথ গ্রুপ বি এর সমীকরণ। 

    অন্যদিকে লিভারপুল প্রথম সারির ব্যাকলাইনকে বিশ্রামে রাখলেও পোর্তোকে হারাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি; নিজেরা রেখেছে ক্লিন শিটও। চোখ ধাধানো এক গোলে লিভারপুলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন থিয়াগো আলকানতারা। আর ফিনিশিং টাচ দিয়েছেন এই মৌসুমে অনবদ্য ফর্মে থাকা মো সালাহ।

    অবশ্য হেরে গিয়েও সুবিধাজনক অবস্থাতেই আছে পোর্তো, গ্রুপ বি’তে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে তারাই দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে মিলান-আতলেতিকো দুই দলের চার করে পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধান আর মুখোমুখি দেখায় পিছিয়ে থাকায় গ্রুপের তলানিতে সিমিওনের দল। 

    লিভারপুল শেষ ষোলতে চলে গেছে অনেক আগেই। বাকি শুধুমাত্র একটি স্পট, তারজন্য শেষ রাউন্ডে চলবে ত্রিমুখী লড়াই। মিলানের সামনে লড়াইটা কঠিন, তাদের ম্যাচ যে সাক্ষাৎ লিভারপুলের সঙ্গেই। দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে অবশ্যই হারাতে হবে তাদের; আর প্রার্থনা করতে হবে পোর্তো-আতলেতিকো ম্যাচে কোন দলই যেন জয় না পায়। আর পোর্তো-আতলেতিকোর ম্যাচ দুই দলের জন্যই ডু অর ডাই। পোর্তো জিতলে সরাসরি দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট মিলবে, বাদ পড়বে আতলেতিকো। আর আতলেতিকো জিতলে পোর্তোর অপেক্ষা করতে হবে মিলানের কপাল পোড়ার জন্য। সেটা হলে ইউরোপা লিগে নেমে গিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে পর্তুগিজ ক্লাবটিকে।