• আয়ারল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর
  • " />

     

    মুশফিকের মারদাঙ্গা সেঞ্চুরি, লিটন-শান্তর জোড়া ফিফটিতে রেকর্ডের পর বৃষ্টির বাগড়া

    মুশফিকের মারদাঙ্গা সেঞ্চুরি, লিটন-শান্তর জোড়া ফিফটিতে রেকর্ডের পর বৃষ্টির বাগড়া    

    ২য় ওয়ানডে, সিলেট (টস-আয়ারল্যান্ড/বোলিং)
    বাংলাদেশ- ৩৪৯/৬, ৫০ ওভার (মুশফিক ১০০*, শান্ত ৭৩, লিটন ৭০, হিউম ৩/৫৮, অ্যাডেয়ার ১/৬০, ক্যাম্ফার ১/৭৩) ফলাফল ম্যাচ পরিত্যক্ত

     

    মুশফিকুর রহিমের দারুণ সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়েছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়া মুশফিকের অনবদ্য ইনিংসের সাথে লিটন দাস ও নাজুম হোসেন শান্তর ফিফটিতে ওয়ানডেতে নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড ঢেলে সাজালেও দ্বিতীয় ইনিংসে বৃষ্টির বাধ সাধলে মাঠে গড়ায়নি একটি বলও।

    ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে এসে রান আউটের শিকার হয়ে তামিম ইকবাল ফিরেছিলেন ২৩ রানে। সেখান থেকে শান্তকে সঙ্গী করে দারুণ এক জুটি গড়েন লিটন। জুটিরে শুরুটা সাবধানী হলেও দ্রুতই গিয়ার পালটে দলীয় শতরান তারা পূর্ণ করে ২০তম ওভারেই। ঠিক পরের ওভারেই দারুণ এক ছয় মেরে ৫৩ বলে ফিফটি পেয়ে যান লিটন। ২৬তম ওভারে জুটিও শতরানের মাইলফলক ছুঁলে এক বল পরেই নিরিহ এক বলে ক্যাচ অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়ে ৭১ বলে ৭০ রান শেষে থামেন লিটন। ফেরার আগে অবশ্য যৌথ দ্রুততম বাংলাদেশি হিসেবে (৬৫ ইনিংসে) ২০০০ ওয়ানডে রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।

    লিটনের বিদায়ের পর ৫৯ বলে শান্ত পেয়ে না নিজের ৩য় ওয়ানডে ফিফটি। অন্য প্রান্তে উইকেটে নবাগত সাকিব আল হাসান ছটফট করতে থাকলে তিনি ১৯ রানে ফিরে যান স্লোয়ার মাঠছাড়া করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে। সাকিবের পথে হেঁটে এক ওভার পরেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে থামেন ৭৭ বলে ৭৩ রান করা শান্ত।

    সেখান থেকেই হৃদয়কে নিয়ে তান্ডব শুরু করেন মুশফিক। শুরুতে সেভাবে আভাস না দিলেও ৪৩তম ওভারে মার্ক অ্যাডেয়ার ২টী চার ও ১টি ছয় মেরে দুজনে মিলে নেন ১৭ রান; সেখানেই ছয়টা দিয়ে মাত্র ৩৩ বলে ফিফটি পেয়ে যান মুশফিক। ঠিক পরের ওভারে চার মেরে ৩য় বাংলাদেশি হিসেবে ৭০০০ ওয়ানডে রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন মুশফিক; সেই ওভারেও ওঠে ১৮ রান। ফিফটির দ্বারপ্রান্তে এসে আক্রমণের ধারা বজায় রাখতে গিয়ে হৃদয় থামেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে; অ্যাডেয়ারের শিকার হয়ে ৩৪ বলে ৪৯ রান শেষে। তবে থামেননি মুশফিক। অভিজ্ঞতা ও আক্রমণের মিশেলে আয়ারল্যান্ডকে হিসেবটা কড়ায় গন্ডায় বুঝালেন তিনি। শেষ ৫ ওভারে এল ৪২ রান। আর সেই সাথে ৬০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান হলেন মুশফিক। দিনশেষে বৃষ্টির কারণে এই ইনিংসের পাশে জয়ের কথাটাও লেখা সম্ভব না হলেও রেকর্ড বইয়ের পাতা ঠিকই নতুন করে লেখালেন মুশফিক।