• ইউরো
  • " />

     

    রোনালদোকে "এ কী" বললেন মরিনহো!

    ইউরো ফাইনালে মাত্র পঁচিশ মিনিটেই ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল রোনালদোকে। দ্বিতীয়ার্ধে দলকে সমর্থন দিয়ে গেছেন সাইড বেঞ্চ থেকে। আর অতিরিক্ত সময়ে যেন দলটার কোচই বনে গিয়েছিলেন তিনবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী ফুটবলার। ফ্রান্সকে হারিয়ে ঐতিহাসিক সেই ফাইনাল জিতেও নিয়েছিল রোনালদোর পর্তুগাল। মাঠে না খেলেও ফাইনালে পর্তুগালের জয়ের পেছনে রোনালদোর 'অবদানটা' ইতিহাসে ঢুকে গিয়েছে এরই মধ্যে!


    রোনালদোর উৎসাহেই সেদিন গোল করতে পেরেছিলেন বলে জানিয়েছিলেন ম্যাচ জয়ের নায়ক এডার সানচেজ। এছাড়াও পর্তুগালের অনেক খেলোয়াড়ই রোনালদোর সেদিনের ভূমিকাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন ম্যাচ শেষে। কিন্তু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ম্যানেজার হোসে মরিনহো কিন্তু ব্যাপারটা দেখছেন একটু অন্যভাবে! আবেগের বশবর্তী হয়েই নাকি রোনালদোকে টেকনিক্যাল লাইনে ওভাবে দেখা গিয়েছিল, আর তাতে নাকি পর্তুগালের কোনো সাহায্যই হয়নি বলে দাবি করেছেন এই পর্তুগীজ।

    "সে নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। পর্তুগালের ফাইনাল জয়ের পেছনে রোনালদোর কোনো অবদানই নেই। মাঠে এগারজন খেলোয়াড় তাঁদের কাজটা করেছে। সেই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোচ। রোনালদোর কাছে আমি যেটা দেখেছি সেটা ছিল আবেগের অতিরিক্ত বহিঃপ্রকাশ," বলেছেন রোনালদোর সাবেক কোচ জোসে মরিনহো।

    রোনালদোর আবেগটাকে অবশ্য তুচ্ছ্য তাচ্ছিল্য করছেন না মরিনহো। বলেছেন "ও নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি! বলছি এটা খারাপ কিছু। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা বলে ওরকম অবস্থায় দলের জন্য কিছু গুরুত্বপুর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়।"


    তিন মৌসুম পর্তুগিজ কোচের অধীনে রিয়াল মাদ্রিদে খেললেও মরিনহোর সাথে রোনালদোর সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই। সেটাই কি আরেকটু স্পষ্ট হয়ে গেল মরিনহোর কথায়?  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন