• রিও অলিম্পিক ২০১৬
  • " />

     

    বোল্টের সামনে ৩০০ মিটারের চ্যালেঞ্জ

     

    নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই আর। উসাইন বোল্ট অমরত্বের প্রায় কাছাকাছিই তো চলে গেছেন! ১০০ ও ২০০ মিটারের বিশ্বরেকর্ড অনেক আগেই নিজের করে নিয়েছেন। কদিন আগেই জিতেছেন ১০০ মিটারের হ্যাটট্রিক সোনা। কিন্তু বোল্ট নিজেই এবার নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চাইছেন। ৪০০ মিটারে ১৭ বছরের বিশ্বরেকর্ড মাত্রই ভেঙেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান অ্যাথলেট ওয়েইড ভ্যান নিকের্ক। এবার বোল্ট ভ্যান নিকের্ককে ৩০০ মিটার দৌড়ের জন্য আহবান জানিয়েছেন ।

     

    গত রবিবার নিকের্ক রেকর্ড তো ভেঙেছেনই, ইতিহাসের প্রথম দৌড়বিদ হিসাবে ১০০ মিটার দৌড়েছেন ১০ সেকেন্ডের কম সময়ে( ৯.৯৮ সেকেন্ড), ২০০ মিটার দৌড়েছেন ২০ সেকেন্ডের কম সময়ে ( ১৯.৯৪ সেকেন্ড) এবং ৪০০ মিটার শেষ করেছেন ৪৪ সেকেন্ডেরও কমে ( ৪৩.০৩ সেকেন্ড)। নিজের প্রতিযোগিতা শেষে ট্র্যাকের পাশে দাঁড়িয়েই দেখেন বোল্টের ১০০ মিটার দৌড়। বোল্টও সোনা জয় নিশ্চিত হবার পরেই ট্র্যাকের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নিকের্ককে জড়িয়ে ধরেন। এরপরই আসে ৩০০ মিটার দৌড়ের এই ঘোষণা।

     

                    

    প্রশ্ন জাগতে পারে, কেনই বা ৩০০ মিটার দৌড়াবেন তাঁরা? হিসাবটা সহজভাবেই বুঝিয়েছেন  বোল্ট। তিনি সাধারণত দৌড়ান ১০০ ও ২০০ মিটারে, নিকের্ক ৪০০ মিটারেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই দুটির মাঝামাঝি  একটি দূরত্বকেই বেছে নিয়েছেন বোল্ট।

     

    যদিও দৌড়টি অফিসিয়াল ভাবে আয়োজনের কোন সুযোগ নেই। কিন্তু এটি নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই বোল্টের, “ দৌড়টি দারুণ হবে। যদি এই বছর আমি ফিট থাকতাম তাহলে কোচ আমাদের রেসটি আয়োজন করে দিতেন। আশা করি সামনের বছর এই প্রতিযোগিতায় নিকের্কর  সাথে দৌড়াতে পারবো। ”

    দৌড়টি নিয়ে নিকের্কও অনেক আশাবাদী, “বোল্ট দারুণ দৌড়ায়, তাঁকে হারাতে পারবো কিনা জানি না। কিন্তু রেসটা আনন্দদায়কই হবে। যদিও আগামী বছর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পর যদি তিনি অবসর নিয়ে ফেলেন তাহলে আগের সেই বোল্টকে ট্র্যাকে ফেরত পাব কি না সন্দেহ!”

     

    দুই ভিন্ন ইভেন্টের প্রতিযোগীদের এরকম মুখোমুখি হওয়াটা কিন্তু নতুন ঘটনা নয়। ১৯৯৬ সালে আটলান্টাতে ১০০ মিটার বিজয়ী ডনোভান বেইলি চ্যালেঞ্জ জানান ২০০ ও ৪০০ মিটার জয়ী মাইকেল জনসনকে। রেসটি হয়েছিল ১৫০ মিটারের, তবে মাঝপথেই জনসন আঘাত পেয়ে পড়ে গেলে সহজেই জয় পান বেইলি।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন