• রিও অলিম্পিক ২০১৬
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    "কেলেঙ্কারি" ধামাচাপা দিতেই মিথ্যা বলেছেন লোকটেরা?

    ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল মার্কিন সাঁতারুদের ‘ছিনতাই’ অভিযোগের ঘটনা। কয়েকদিন আগে রিও ডি জেনিরোর রাস্তায় ছিনতাই হওয়ার অভিযোগ তোলা চার সাঁতারুই এখন বিদ্ধ হচ্ছেন সমালোচনার তীরে। রিও অলিম্পিকে ফেলপসের সঙ্গী হিসেবে স্বর্ণ জেতা রায়ান লোকটে এবং বাকি তিন অ্যাথলেটের বক্তব্যেও মিল পাওয়া যায় নি অনেকাংশে। সম্প্রতি এক ভিডিওতে দেখা যায়, গ্যাস স্টেশনের সিকিউরিটি গার্ডের সাথে ধ্বস্তাধস্তি করছিলেন লোকটে। তবে কি নিজের মারামারি লুকাতেই মিথ্যা গল্প সাজিয়েছেন তিনি?

    রিও পুলিশের তদন্তে পাওয়া ভিডিও দেখে লোকটের অভিযোগকে মিথ্যা ভাবাই স্বাভাবিক। কারণ, অলিম্পিক ভিলেজের সিসি টিভির ফুটেজে দেখা যায় নিজেদের মোবাইল, মানিব্যাগসহ মূল্যবান জিনিসপত্র মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে দিয়েছেন প্রত্যেক খেলোয়াড়। তাছাড়া বেশ হাসিখুশিই ছিলেন প্রত্যেকে। অথচ তাঁদের মোবাইল আর পরিচয়পত্র ছাড়া বাকিসব ছিনতাই হওয়ার অভিযোগই করেছেন মার্কিন সাঁতারুরা। শুধু তাই নয়, সাঁতারু জিমি ফেইগেন কয়েকজন ছিনতাইকারীর কথা উল্লেখ করলেও তাঁর সঙ্গী লোকটের মতে ছিনতাইকারী ছিল মাত্র একজন!

    ঘটনার জল ঘোলা হতে দেখা মাত্রই দেশে ফিরে গেছেন রায়ান লোকটে। অন্যদিকে জ্যাক কংগার এবং গানার বেন্টজও ব্রাজিল ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে আনে রিও পুলিশ; আর ব্রাজিলেই আত্মগোপন করেছেন ফেইগেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় এই চার সাঁতারু ফরাসি অলিম্পিক দল আয়োজিত পার্টি থেকে বের হন ৪টার সময়। কিন্তু, অলিম্পিক ভিলেজে ফিরেছেন তিন ঘন্টা পর; ৬ টা ৫৬ মিনিটে। অথচ দুই স্থানের মধ্যবর্তী দূরত্ব কেবল ৩০ মিনিটের!

    এদিকে রায়ান লোকটে অদলবদল করছেন নিজের দেয়া বক্তব্যে। প্রথমে, ছিনতাইকারী তাঁর কপালে পিস্তল ঠেকিয়েছিল বলে জানালেও পরে বক্তব্য পাল্টে বলছেন পিস্তল কপালে নয় শুধু তাঁর দিকে কাত করা ছিল। তাছাড়া আগে তিনি সিএনজি উল্টে যাওয়ার কথা বললেও এখন জানাচ্ছেন গ্যাস স্টেশনেই ছিল সিএনজি; সেখানেই এসেছিল ছিনতাইকারীরা। কিন্তু, রিও পুলিশের মতে গ্যাস স্টেশনে সিকিউরিটির সাথে মারামারি করছিলেন রায়ান লোকটে। মার্কিন সাঁতারুর বক্তব্যই সত্য নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনো রহস্য, তা জানতে সময় লাগবো আরো কিছুদিন।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন