• ইংল্যান্ড-পাকিস্তান
  • " />

     

    মিসবাহদের জন্য বুক ডন "নিষিদ্ধ"

    শুরুটা করেছিলেন মিসবাহ উল হক। পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফরের সময় লর্ডস টেস্টের প্রথম দিন সেঞ্চুরি করে দশবার বুক ডন দিয়ে উদযাপন করেছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। এরপর লর্ডসে জেতার পর মাঠে পুরো দল একসঙ্গে বুক ডন দিয়েছে। কিন্তু এতোদিন পর সেই প্রসঙ্গটা নতুন করে এসেছে পাকিস্তান বোর্ড। রাজনীতির মারপ্যাঁচে এই আপাত নির্দোষ উদযাপনই চোখে লেগেছে পিসিবির। এভাবে উদযাপন না করতে খেলোয়াড়দের নির্দেশ দিয়েছেন বোর্ড প্রধান নাজাম শেঠি।

    ইংল্যান্ড সফরের আগে অ্যাবোটাবাদ সেনানিবাসে নিবিড় অনুশীলন করেছিল পাকিস্তান দল। বুক ডনের অভ্যাসটা সেখান থেকেই পাওয়া। পাকিস্তান অধিনায়ক মিসবাহ উল হক সেখানকার সেনা সদস্যদের কথা দিয়েছিলেন সেঞ্চুরি করতে পারলে বুক ডন দেবেন। কথা রেখেছিলেন তিনি। এরপর পাকিস্তান দলে সেটা প্রথায় পরিণত হয়। বিষয়টা সেনা সদস্যদের আনন্দ দিলেও সন্দেহ তৈরি করেছে রাজনীতিবিদদের মনে।

     



    সেনাবাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক অনেকটাই নড়বড়ে। মিসবাহদের পুশ-আপ দেখে তাই ভ্রূকুটি জেগেছে তাদের মনে। আজ আন্তঃ প্রাদেশিক সমন্বয় কমিটির সভায় ক্ষমতাসীন দলের এক সাংসদ প্রশ্ন তুলে বসেছেন, “বুক ডন দিয়ে মিসবাহ ও দলের অন্য খেলোয়াড়রা আসলে কাদের বার্তা দিচ্ছে?”

    এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সভায় উপস্থিত থাকা বোর্ড সভাপতি নাজাম শেঠি খেলোয়াড়দের এভাবে উদযাপন না করতে নির্দেশ দেন।

    আরেক সাংসদ বুক ডনকে স্বাস্থ্যকর ব্যায়াম হিসেবে দেখলেও পরামর্শ দিয়েছেন এর পরিবর্তে নফল ইবাদত করার।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন