• ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ সিরিজ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    "এই জয় পরিকল্পনার ফসল"

    ভাবিয়া কাজ করলে যে সাফল্য আসে সেটা গুণীরা বলে গেছেন যুগে যুগে। মুশফিকুর রহিম জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই টেস্ট জয় মোটেই আকস্মিক নয়। এর পেছনে আছে খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এমনকি গ্রাউন্ডসম্যানদের যথযথ পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন।

    পাঁচ দিনের টেস্ট তিন দিনে শেষ করাতে একসময় বাংলাদেশের খ্যাতি ছিল তবে তাতে পরাজিতের খাতায় থাকতো টেস্ট ক্রিকেটের নবীনতম সদস্যটির নাম। মুশফিকুর রহিম বলছেন নিজেদের জায়গায় ইংল্যান্ডকে বসানোর স্বপ্ন দেখেছেন বলেই সাফল্য এসেছে। আর এর পেছনে মূল অবদান নিখুঁত পরিকল্পনার, “যখন আমরা জেনেছি ইংল্যান্ড আসবে, তখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম যে এমন উইকেট বানাবো সেটা যেন তিন থেকে চার দিনের হয়। যে উইকেটে আমাদের স্পিনাররা অনেক হেল্প পাবে এবং ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের অনেক সমস্যা হবে।”

    কিন্তু চট্টগ্রামের স্পিন সহায়ক পিচে খেলা পাঁচ দিনে গড়ানোর ভীষণ অবাক হয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, “ সত্যি বলতে কী, আমি অনেক অবাক হয়েছি যে (চট্টগ্রামের) উইকেটটাতে আমরা দুটি দলই পাঁচ দিন ধরে অনেক লড়াই করেছি। ওটা যেমন উইকেট ছিলো তাতে তিন বা সাড়ে তিন দিনের বেশি যাওয়ার কথা ছিলো না। সেদিক থেকে বলবো আমাদের টিম ম্যানেজম্যান্ট বা আমাদের খেলোয়াড় বলেন, যে পরিকল্পনা ছিলো সেটা বাস্তবায়ন করেছে। আমাদের বোলাররা এবং ব্যাটসম্যানরা অনেক ভালো খেলেছে। এবং সে জন্যই এটা হয়েছে।”

    প্রথম ইনিংসে ৪৯ রানে শেষ ৯ উইকেট হারিয়ে সমালোচিত হয়েছে বাংলাদেশ দল। তামিম ইকবাল তখন বলেছিলেন ৪৫ ওভারের পর পিচের আচরণ বদলে গিয়েছিল। আজ একই রকম অভিজ্ঞতা হয়েছে ইংল্যান্ডের। ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান তোলার পর ৬৪ রানের ভেতর অল আউট হয়ে গেছে সফরকারীরা। কিন্তু অ্যালিস্টার কুক ও বেন ডাকেটের জুটি অনেকের মনেই ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল, যে আবারও বুঝি মুঠো গলে বেরিয়ে গেল জয়! তবে চা বিরতির পরপরই ইংল্যান্ডের পা হড়কালো। মুশফিক জানতেন ক্রিকেটে যেকোনো কিছুই হতে পারে, “আসলে এটা ক্রিকেট খেলা। এটা যেকোনো দিকেই যেতে পারে। কারণ আমরা এটাও আশা করিনি যে ১০০ রানে কোনো উইকেট না হারিয়ে আজই ওরা অলআউট হবে। অন্তত আমরা ভেবেছিলাম একটা উইকেট পড়লে, উইকেটের যে আচরণ হয়তো ভিন্ন কিছু হতেও পারে।” কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে জয়টা এলো তা নিজেদের সামর্থ্যে বিশ্বাস রাখার কারণেই, “একটা বিশ্বাস ছিলো পার্টনারশিপ ব্রেক করলে নতুন ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা অনেক কঠিন হবে। যেকোনো সময় দুই বা তিনটা উইকেট  পড়তে পারে। এটা নিয়ে আমরা নিজেরাও ডিসকাস করেছি। আর অবস্থায় বোলাররা অনেক ভালো বোলিং করেছে। বিশেষ করে সাকিব আর মিরাজ অসাধারণ বোলিং করেছে।”

     

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন