• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    "আমি তো ব্যাক-আপ খেলোয়াড় দেখি না "

    সর্বশেষ বিদেশের মাটিতে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ? একটু ভাবলেই মনে পড়বে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ওই সফরের পর পেরিয়ে গেছে দুই বছর। এরপর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেললেও বিদেশের মাটিতে আর কোনো পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলা হয়নি বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ড সফরে তাই কঠিন পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে মাশরাফিদের জন্য। কিন্তু শুরুর আগেই যেন অভিশাপ লেগেছে বাংলাদেশ দলের ওপর, আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে পেস বোলিংয়ের ওপর। মাশরাফি বিন মুর্তজাও স্বীকার করলেন, দুই পেসারের শুন্যতস্থান পূরণ করা বাংলাদেশ দলের জন্য কঠিনই হবে।

    এবারের বিপিএলে বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শফিউল ও শহীদ। খুলনার হয়ে শফিউল নিয়েছেন ১৭ উইকেট, ঢাকার হয়ে শহীদ আট ম্যাচেই নিয়ে ফেলেছিলেন ১৫ উইকেট। কিন্তু দুজনেই ফিল্ডিং করতে গিয়ে চোটে পড়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য প্রস্তুতি ক্যাম্প থেকে ছিটকে পড়েছেন। টেস্টে এখনো অবশ্য খেলার ক্ষীণ আশা আছে দুজনের, তবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে খেলার সম্ভাবনা নেই।

    মাশরাফিও বললেন, বাংলাদেশ দলের এই অবস্থায় চোটের শূন্যতা ঢাকা কঠিনই, “চোট তো সবসময়ই খারাপ, সেটা দল বা খেলোয়াড়ের জন্য। অনেকে বলছে, আমাদের ব্যাকআপ প্লেয়ার অনেক। কিন্তু আমি তো সেরকম দেখি না। সাকিব বা তামিমকে রিপ্লেস করা কঠিন। শফিউল তো খুব ভালো খেলছিল। এটা অবশ্যই আমাদের জন্য খারাপ। এখন তো আমাদের ব্যাকআপ প্লেয়ার তৈরি হচ্ছে, ওই পর্যায়ে আসতে আসলে সময় লাগবে। এখন অবশ্যই চোট আমাদের ওপর একটা প্রভাব ফেলবে।”

    তবে বাংলাদেশ দলের জন্য একটা সুসংবাদ মুস্তাফিজের ফেরা। এখনও অবশ্য পুরোপুরি ছন্দ ফিরে পাননি, ওয়ানডেতে খেলতে পারবেন কি না সেটা এখনো অনিশ্চিত। সেটা নিয়েও কিছুটা স্বস্তি আছে মাশরাফির, “মুস্তাফিজকে আমরা যেমন ইংল্যান্ডে পাইনি। ও থাকলে হয়তো টেস্ট বা দুইটি ওয়ানডে জিততে পারতাম। সেজন্যই আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের ফিট থাকা জরুরি। তারপরও আমি বলব,  মুস্তাফিজ ফিট হওয়ার পথে। যদ্দুর জানি, বোলিং শুরু করেছে, এখনও কিছুটা সময় আছে। কিন্তু দুজন (শফিউল-শহীদ) আবার চোটে পড়েছে। সেটা এখন আমাদের সামাল দিতে হবে।" 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন