• আইপিএল ২০১৬
  • " />

     

    যে কারণে ধোনির নাম বলেননি অশ্বিন...

    গত পরশু আইসিসির পুরস্কার অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা ও বর্ষসেরা টেস্ট খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন। অথচ পুরস্কারের প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া সৌজন্য বক্তব্যে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভারতের সীমিত ওভারের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ জানাননি। তাই নিয়েই খেপেছেন সাবেক টেস্ট অধিনায়কের ভক্তরা। টুইটার-ফেসবুকে রীতিমত তুলোধুনো করছেন তাঁকে। কিন্তু অশ্বিন কি ইচ্ছা করেই এড়িয়ে গেছেন ধোনিকে?  

    ২০১১ সালে অশ্বিনের টেস্ট অভিষেক হয় ধোনির অধীনেই। গত কয়েক বছর জাতীয় দল এবং আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস – দু জায়গাতেই ছিলেন ধোনির বোলিং অ্যাটাকের প্রধান ভরসা। চেন্নাই নিষিদ্ধ হবার পর গেল মৌসুমেও তাঁর নেতৃত্বে পুনের হয়ে খেলেছেন এই স্পিনার। কিন্তু সৌজন্য বক্তব্যে স্ত্রী, পরিবার, কোচ অনিল কুম্বলে, টেস্ট অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে ধন্যবাদ জানালেও ধোনিকে একেবারেই এড়িয়ে গেছেন তিনি।

    ভারতীয় অলরাউন্ডারের গুরু হিসেবে পরিচিত ধোনিকে এভাবে অস্বীকার করার কারণটা আসলে কি? অনেকের মতে, ‘ক্যাপ্টেন কুল’ কখনোই টেস্টের ব্যাটিং অর্ডারে অশ্বিনকে সেভাবে সুযোগ দেননি। অশ্বিন বরাবরই আত্নবিশ্বাসের সাথে ব্যাটিং করেছেন, সাথে পরিসংখ্যানও কথা বলেছে তার হয়ে। কিন্তু ধোনি তাঁকে নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিলেন না। বিরাট কোহলি আসার পরই ভাগ্যের চাকা ঘোরে অশ্বিনের। ওপরের দিকে সুযোগ পেয়ে ব্যাট হাতে নিজের সেরাটা দেখাতে শুরু করেন। সাথে বলের ঘূর্ণি ধরে রেখে অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে।

    এ বছর জুলাইতে বলেছিলেন, “আমি সবসময়ই ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের সেরা সাতে ব্যাট করতে চেয়েছি। ওটাই আমার লক্ষ্য ছিল, যার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি অনিল (কুম্বলে) ভাই ও বিরাটকে (কোহলি) আমার ওপর আস্থা রেখে ৬ নম্বরে নামতে দেবার জন্য। এর আগেও আমি ওপরের দিকে নেমে আসলেই ভালো খেলেছি, কিন্তু ব্যাটিং অর্ডারে পদোন্নতি হয়নি।” শেষ বাক্যেই ইঙ্গিতটা সাবেক অধিনায়ক ধোনির দিকেই।

    গত সেপ্টেম্বর থেকে এই সেপ্টেম্বরে ৮ টেস্ট খেলে ৩৩৬ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন ৪৮ উইকেট। সেটাই এনে দিয়েছে বর্ষসেরার খেতাব। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজেও অশ্বিন ৭ নম্বরে নেমে ৪টি ফিফটি করেছেন।

    এ বছর টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে অশ্বিনকে পুরোপুরি ব্যবহার না করা নিয়েও অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন ত্রিশ বছর বয়সী তারকা। সেটাই কি চাপা ক্ষোভ হয়ে ছিল অশ্বিনের?

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন