• দক্ষিণ আফ্রিকা-শ্রীলঙ্কা
  • " />

     

    সান্দাকানের "প্রথমে" আছে বাংলাদেশও

    এম মোশেলে চাইলে বলটা ছেড়েও দিতে পারতেন। লক্ষণ সান্দাকানের বলটা তো ওয়াইডই হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সেটা তাড়া করতে গিয়েই খোঁচা দিয়ে বসেন মোশেলে। উইকেটের পেছনে ক্যাচটা ধরতে চান্ডিমালের কোনো সমস্যাই হয়নি। আর টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম বলেই উইকেট পেয়ে গেলেন সান্দাকান। তিন ধরনের ক্রিকেট মিলে যে তালিকায় আছেন ইনজামাম, ক্লাইভ লয়েড থেকে বাংলাদেশের মোসাদ্দেকও।

    সান্দাকান অবশ্য এর আগেও শ্রীলঙ্কার হয়ে টেস্ট ও ওয়ানডে খেলেছিলেন। ওয়ানডেতে প্রথম বলে উইকেট না পেলেও পেয়েছিলেন প্রথম ওভারেই। তবে টি-টোয়েন্টির অভিষেক হয়েছে আজই। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রায় অচেনা ব্যাটিং লাইন আপের বিপক্ষে প্রথম বলেই পেয়ে গেছেন সাফল্য। সেখানেই অবশ্য থামেননি সান্দাকান, পরে নিয়েছেন আরও তিন উইকেট। টি-টোয়েন্টি অভিষেকে চার উইকেট নেওয়ার কীর্তি আছে আরও নয়জনের। তবে এখানে সবার ওপরের নামটা একজন বাংলাদেশীর। আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে অভিষেকেই ইলিয়াস সানির ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডটা তো এখনও টিকে আছে স্বমহিমায়।

     

     ইনজামাম, লয়েডদের কীর্তিটা একটু আলাদা। তাঁরা সবাই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম বলে উইকেট পেয়েছিলেন। টেস্ট ও ওয়ানডে মিলে ৪৪ জনের আছে এই কীর্তি। আর টি-টোয়েন্টিতে সান্দাকানের আগে ১৪ জন সেই কীর্তি গড়েছিলেন। এর মধ্যে সর্বশেষ স্মৃতিতে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশও। গত মাসেই বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম দুই বলেই উইকেট পেয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের লকি ফার্গুসন। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম দুই বলে উইকেটের কীর্তি এর আগে ছিল শুধু মাইকেল কাসপ্রোভিচের।  

    তবে তিন সংস্করণ মিলে এই তালিকায় মোসাদ্দেকই বাংলাদেশের একমাত্র নাম। গত বছরেই আফগানিস্তানের সঙ্গে নিজের প্রথম বলেই মোসাদ্দেক ফিরিয়ে দিয়েছেন শহীদীকে। ওয়ানডেতে এর আগে প্রথম বলে উইকেট পেয়েছেন ২৩ জন, এর মধ্যে কানাডা, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়ার মতো দলের খেলোয়াড়ও আছে । কানাডার আবার দুজনের সেই রেকর্ড আছে।

    ও হ্যাঁ, বাংলাদেশের বিপক্ষে ফার্গুসনের আগে আরও একবার এই কীর্তি আছে। ২০০২ সালে ফন জার্সফেল্ড ক্যারিয়ারের প্রথম বলেই আউট করেছিলেন বাংলাদেশের তালহা জুবায়েরকে। সেটি অবশ্য টি-টোয়েন্টি নয়, ওয়ানডেতে।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন