• আইপিএল
  • " />

     

    'দুর্ভাগা' স্মিথের জন্য দুঃখিত পন্টিং

    শেষ ওভার থেকে প্রয়োজন ছিল ১১ রান, হাতে ৭ উইকেট। মিচেল জনসনের প্রথম বলটা স্কয়ার লেগ দিয়ে সীমানা ছাড়ান মনোজ তিওয়ারি। পরের বলেই লং অনে পোলার্ডের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। প্রান্ত বদল করে ততোক্ষণে স্ট্রাইকে চলে গেছেন স্মিথ। এই মুম্বাইয়ের বিপক্ষেই প্রথম পর্বের ম্যাচে শেষ ওভারে ১৩ রান নিয়ে দলকে জিতিয়েছিলেন স্মিথ। ৪ বলে ৭ রানের সমীকরণে তাই তাঁর ঘাবড়ানোর কোনো কারণ ছিল না। কিন্তু ফাইনালের স্নায়ুচাপের কাছে হার মানলেন। জনসনের ৩য় বলটা উড়িয়ে সীমানাছাড়া করতে চেয়েছিলেন এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে, সুইপার কাভারে ধরা পড়লেন আম্বাতি রাইডুর হাতে। ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ১ রানে হেরে গিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় আসরেই আইপিএল শিরোপা জেতার স্বপ্নভঙ্গ হয় রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের।

     

    গত আসরে তলানিতে থাকা দলটিকে এবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েই ফাইনালে তুলে এনেছিলেন স্টিভ স্মিথ। ফাইনালেও খেলেন ৫১ রানের ইনিংস। কিন্তু ১২৯ রানের সহজ লক্ষ্যটা শেষ পর্যন্ত ছুঁতে পারেন নি। স্মিথকে তাই ‘দুর্ভাগাই’ বলছেন রিকি পন্টিং, “যেভাবে ফাইনালটা শেষ হল তাতে তাঁর (স্মিথ) জন্য আমার কষ্টই লাগছে। শেষ পর্যন্ত সে চেষ্টা করে গেছে কিন্তু পারে নি। সে শেষটা করে দিয়ে আসতে চেয়েছিল, শেষ দৃশ্যের মঞ্চে নায়ক হতে চেয়েছিল, দলকে শিরোপাটা জিতিয়েই মাঠ ছাড়তে চেয়েছিল।”

     

    কিন্তু রাতটা যে লেখা হয়ে গিয়েছিল জনসনদের জন্য, স্মিথের তাই দর্শক বনে গিয়ে তীরে এসে তরী ডোবা দেখা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না, “যে শটটা খেলে আউট হল ওটা বোধহয় পুরো ম্যাচেই ওঁর সবচেয়ে সেরা শট। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাঁর, রাইডু জায়গামতো দাঁড়িয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচটা নিয়ে নিলো। তাঁর দলের আশার প্রদীপও কার্যত সেখানেই নিভে গেল।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন