• কনফেডারেশনস কাপ ২০১৭
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    মেক্সিকোকে হারিয়ে ফাইনালে 'তরুণ' জার্মানি

    নিয়মিতদের বাইরে রেখে দ্বিতীয় সারির একটা দল নিয়েই এসেছিলেন কনফেডারেশনস কাপে। শিরোপা জয়ের চেয়ে সামনের বিশ্বকাপের জন্য তরুণদের বাজিয়ে দেখাটাই জার্মানি কোচ হোয়াখিম লোয়ের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সেই তরুণরাই এখন লোকে দেখাচ্ছেন শিরোপার স্বপ্ন। মেক্সিকোকে ৪-১ গোলে হারিয়েই প্রথমবারের মতো পৌঁছে গেছে কনফেডারেশন্স কাপ ফাইনালে, সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপ পর্বের প্রতিপক্ষ চিলি। 


    স্কোরলাইন অবশ্য ম্যাচের আসল ছবিটা দেখাতে পারছে না। মেক্সিকো তো অসহায় আত্মসমর্পণ করেইনি, বরং জার্মানির চেয়ে সুযোগ তারাই বেশি পেয়েছে। সুযোগ নিজেরা পায়ে না ঠেললে, পোস্ট আর গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন বাধা না হলে ম্যাচের ফল অন্যরকম কিছুই হতে পারত। 


    জার্মানির হয়ে অবশ্য শুরুতেই আসল কাজটা সেরে ফেলেছেন লিওন গোরেৎসজা। ৬ মিনিটে দারুন এক প্রতিআক্রমণ থেকে বেনজামিন হেনরিখসের পাসে জার্মানিকে এগিয়ে দেন গোরেৎসকা। দুই মিনিট পর মেক্সিকোর এলোমেলো রক্ষণের অসতর্কতার সুযোগ নিয়েছেন আবার। এবার টিমো ওয়ের্নারের থ্রু বল থেকে পাসে পেয়েছেন দ্বিতীয় গোল, হয়ে গেছেন কনফেডারেশনস কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা। পরে অবশ্য সতীর্থ ওয়ের্নারও ছুঁয়ে ফেলেছেন তাঁকে।

     
    তার আগে হয়ে গেছে অনেক কিছুই। প্রথমার্ধেই দুই গোলেই সমতা ফেরাতে পারত মেক্সিকো। দুই ভাই জিওভান্নি ও জোনাথন দস সান্তোস সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। হাভিয়ের হার্নান্দেজ তো বক্সের একদম কাছ থেকেও করা শটটা পোস্টে রাখতে পারেননি। 


    তবে মেক্সিকোর ম্যাচে ফেরার যে আশাটুকুও ছিল, সেটা শেষ করে দিয়েছেন ওয়ের্নারই। এবার বাঁ দিক থেকে হেক্টরের ক্রসটা একদম ফাঁকায় পেয়ে যান ওয়ের্নার। ওই দূরত্ব থেকে চাইলেও মিস করতে পারতেন না ওয়ের্নার। মেক্সিকো এরপরও চেষ্টা করেছে। ডান দিক থেকে মিগুইয়েল লাইয়ুনের জোরালো শট ঠেকিয়ে দিয়েছেন টের স্টেগেন। রাফায়েল মার্কেজের হেডও ঠেকিয়ে দিয়েছেন দারুণভাবে। তার আগে মেক্সিকোর শট আর হেড ফিরে এসেছে পোস্টে লেগে। শেষ পর্যন্ত ফাবিয়ানের দূরপাল্লার দারুণ এক শটে সান্ত্বনাসূচক গোল পেয়েছে মেক্সিকো। তবে শেষ মুহূর্তে আমিন ইয়োনেসের গোলে মেক্সিকানদের কফিনে শেষ পেরে ঠুকে দিয়েছে জার্মানি।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন