• ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নস কাপ
  • " />

     

    জমজমাট 'ক্লাসিকোয়' জিতল বার্সাই

    হতে পারে প্রাক মৌসুম টুর্নামেন্টের ম্যাচ। কিন্তু হাজার হলেও ‘এল-ক্লাসিকো’ বলে কথা! উত্তাপের তাই একটুও কমতি ছিল না মায়ামিতে। ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নস কাপের জমজমাট এক ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। একই সাথে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়নও হয়েছেন তারাই। 

     

    হার্ড রক স্টেডিয়ামে মাত্র তিন মিনিটের মাথায়ই এগিয়ে যায় বার্সা। রামোসের পা থেকে ছুটে যাওয়া বল নিয়ে দারুন এক গোলে কাতালানদের আনন্দে ভাসান মেসি। ঠিক তিন মিনিট পরেই ছন্নছাড়া মাদ্রিদ রক্ষণভাগের ফায়দা নিয়ে সুয়ারেজের পাসে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাকিতিচ। ১১ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করা করলে ব্যবধান আরও বাড়াতে পারতেন রাকিতিচ। পরের মিনিটেই আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন সুয়ারেজও। 

     

    একের পর এক আক্রমণে যখন দিশেহারা মাদ্রিদ ডিফেন্স, সেই সময়ই দলের ত্রাতা হিসাবে আবির্ভূত হন মাতেও কোভাচিচ। মাদ্রিদের করা প্রথম আক্রমণেই গোল করে ব্যবধান কমান। ২০ মিনিটেই সমতা ফেরাতে পারতেন বেনজেমা। ৩০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ আসে নেইমারের সামনে, কিন্তু গোল হয়নি। ৩২ মিনিটে মেসির শট ঠেকিয়ে দেন নাভাস।

     

     

    ৩৬ মিনিটে মদ্রিচের ভুলে বল পান অ্যাসেন্সিও। দারুন এক পাল্টা আক্রমণের পর তাঁর জোরালো শটে পরাস্ত হন বার্সা কিপার, ম্যাচে আসে সমতা। ৪৩ মিনিটে স্বভাবসুলভভাবে বল নিয়ে মাদ্রিদ ডিবক্সে ঢুকে পড়েছিলেন মেসি, ক্যাসিমেরো তাঁকে ফাউল করলে ওঠে পেনাল্টির দাবি, কিন্তু রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজাননি। ঘটনাবহুল প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।

     

    দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে দুই দলই। ৪৯ মিনিটে নেইমারের পাসে গোল করে দলকে আবারো এগিয়ে দেন পিকে। ম্যাচে এরপর আর গোল না হলেও বেশ কিছু সুযোগ এসেছে দুই দলের সামনেই। ৫৮ মিনিটে ইস্কোর শট বাঁচিয়ে দেন সিলেসেন, ৬৫ মিনিটে বেলের শটও একইভাবে বাঁচিয়ে দেন বার্সা কিপার। মৌসুমের প্রথম ‘এল ক্লাসিকোতে’ শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন মেসি-নেইমাররা। এই ম্যাচ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফরটাও শেষ হলো কাতালানদের। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন