• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    লিভারপুলকে জিততে দিলেন না ডি গিয়া

     

     

    ম্যাচের আগের দিন হোসে মরিনহো রসিকতা করে বলেছিলেন, তাঁর দল নয়জন স্ট্রাইকার নিয়ে নামবে। অ্যানফিল্ডে অবশ্য মরিনহো ফিরে গেলেন তাঁর ‘পার্ক দ্য বাস’ কৌশলে, জয়ের চেয়ে না হারার চেষ্টাই করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তারপরও লিভারপুল তিন পয়েন্ট পেয়েই যেতে পারত। তবে একজন ডেভিড ডি গিয়ার জন্য শেষ পর্যন্ত গোলশুন্য ড্র নিয়েই তাদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে।

    ডি গিয়া মনে রাখলেও অ্যানফিল্ডে বা টিভি পর্দার সামনের দর্শকেরা ম্যাচটা তাড়াতাড়িই ভুলে যেতে চাইবেন। লিভারপুলের তিনটি আর ইউনাইটেডের একটি বাদ দিলে পুরো ম্যাচে সেই অর্থে কোনো পরিষ্কার সুযোগও ছিল না। লিভারপুল গোল দেওয়ার চেষ্টা করেছে, প্রথমার্ধে দারুণ কিছু সুযোগও পেয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে একটু ছন্নছাড়াই ছিল, ডি গিয়াকেও তেমন কোনো পরীক্ষাই ফেলতে পারেনি।

    ম্যাচের শুরু থেকেই তেড়েফুঁড়ে খেলতে থাকে লিভারপুল। ইউনাইটেড শুরু থেকেই ‘আগে ঘর’ নীতিতে এগিয়েছে। তবে সালাহ-কুতিনহো-ফিরমিনো মিলে ইউনাইটেড রক্ষণকে সন্ত্রস্ত করে রেখেছিলেন। ৩৪ মিনিটেই লিভারপুল পেয়ে যায় ম্যাচের সেরা সুযোগ। বাঁ দিক থেকে ফিরমিনোর ক্রস ঠিকঠাক পায়ে লাগিয়েছিলেন জোয়েল মাতিপ। বলটা জালে ঢুকেই গিয়েছিল, কিন্তু বাঁ পা বাড়িয়ে অবিশ্বাস্যভাবে সেটি ঠেকিয়ে দেন ডি গিয়া। ফিরতি বল পেয়েছিলেন সালাহ, কিন্তু বক্সের ভেতর থেকে তাঁর বাঁ পায়ের শট চলে যায় পোস্টের পাশ ঘেঁষে।

    ইউনাইটেড তাদের সেরা সুযোগ পায় প্রথমার্ধ শেষের আগে। মার্শিয়াল-মিখিতিরিয়ানের সাথে বল দেওয়া নেওয়ার পর বক্সে বল পেয়ে গিয়েছিলেন রোমেলু লুকাকু। কিন্তু নিজের পছন্দের বাঁ পায়ের শট থেকে বল জালে জড়াতে পারেননি, মিনিয়োলেত তা ঠেকিয়ে দিয়েছেন। পুরো ম্যাচে আর সেভাবে সুযোগ পাননি লুকাকু, বড় ম্যাচে গোল করতে না পারার অপবাদও হয়তো আরেকটু বেশি শুনতে হবে।

    অবশ্য ইউনাইটেড গোল করার চেষ্টাই করেনি সেভাবে। মার্শিয়াল-মিখিতারিয়ানের বদলে রাশফোর্ড-লিনগার্ড নামলেও ধার বাড়েনি আক্রমণে। বরং দ্বিতীয়ার্ধে জোয়েল গোমেজের ক্রস থেকে ফাঁকায় বল পেয়েও জালে জড়াতে পারেননি এমরে চান। ইউনাইটেড এই অর্ধে লিভারপুলের গোলেই কোনো শট নিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত পাওয়া পয়েন্ট নিয়ে খুশি মনেই মাঠ ছাড়বেন মরিনহো। আর সুযোগ কাজে না পারায় আফসোস করার কথা ক্লপের। ইউনাইটেড অবশ্য আপাতত পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেই আছে, তবে তাদের ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে সিটির। আর আপাতত ছয়ে থাকা লিভারপুল পিছিয়ে যেতে পারে আরও।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন