• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    সিটির 'সেভেন আপের' দিনে চেলসির হোঁচট

    আন্তর্জাতিক বিরতি মানেই ক্লাবগুলোর জন্য ছন্দপতনের একটা শঙ্কা। তবে ম্যানচেস্টার সিটির জন্য সেটা যেন আরও বেশি আশীর্বাদ হয়ে এলো। ঘরের মাঠে সিটির ম্যাচ মানেই ছিল পাঁচ গোল, আজ তো স্টোক সিটিকে হারাল ৭-২ গোলে। তবে আজকের দিনের সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটিয়েছে ক্রিস্টাল প্যালেসে। ঘরের মাঠে চেলসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে পেয়েছে প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের প্রথম জয়। বোর্নমাউথকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে টটেনহামও।

     

     

    লিভারপুল ও ক্রিস্টাল প্যালেসকে ইতিহাদে আগের দুই ম্যাচেইও পাঁচ গোল করে দিয়েছিল সিটি। এবারের ম্যাচেও শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত, ২৭ মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। গ্যাব্রিয়েল হেসুস ও রাহিম স্টার্লিংয়ের পর ব্যবধান বাড়িয়েছেন ডেভিড সিলভা। প্রথমার্ধ শেষের ঠিক আগে ব্যবধান কমায় স্টোক (৩-১)।

    বিরতির পরেই কাইল ওয়াকারের আত্মঘাতী গোলে আরও এক গোল করে বসে স্টোক (৩-২)। কোথায় ম্যাচটা আরও জমজমাট হবে, ওই গোলটাই যেন ঘা দিল সিটির অহমে। ৫৫ থেকে ৬২ পর্যন্ত সাত মিনিটে যে ঝড় হলো তাতেই উড়ে গেল স্টোক। হেসুসের দ্বিতীয় গোলের পর বুলেট গতির শটে ম্যাচের সেরা গোল করেছেন ফার্নান্দিনহো। এরপর লেরয় সানে করেছেন ষষ্ঠ গোল। আর কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছেন বার্নার্ড সিলভা। তবে কোনো গোল না করেও ম্যাচের প্রাণভোমরা ছিলেন কেভিন ডি ব্রুইন। দুইটি গোল তো তাঁর গড়ে দেওয়াই, বাকি কয়েকটিতেও ছিল তাঁর অবদান।

     

    সিটি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাদের পিছু থাকতে হলে জিততেই হলো চেলসি-টটেনহামকে। কিন্তু টটেনহাম পারলেও সিটি পারেনি। প্যালেসের মাঠে ১১ মিনিটেই সেজার আজপেলিকুয়েতার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় প্যালেস। সাত মিনিট পরেই চেলসির হয়ে সমতা ফেরান টিমোথি বাকায়াকো। চেলসিকে এরপর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন ফ্যাব্রেগাস। তাঁর দূর থেকে নেওয়া শট একবার লাগে বারে, আরেক বার অল্পের জন্য পাশ ঘেঁষে যায়। তবে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল প্যালেসও, কিন্তু একটুর জন্য কাজে লাগাতে পারেনি।

    এই হারে ৮ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চেলসি আছে চারে। সমান ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে টটেনহাম আছে তিনে। আর ২২ পয়েন্ট নিয়ে সিটি এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন