• ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
  • " />

     

    শেষের নাটকে জিতল পিএসজি, হারল জুভেন্টাস

     

    ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজতে মাত্র ৩ মিনিট বাকি। থমাস মুনিয়েরের গোলে এগিয়ে থাকা পিএসজি তখন জয়ের সুবাস পাচ্ছে। হঠাৎ এক পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে সমতা আনলেন দিজনের বেঞ্জামিন জেনট, গোলের পর ‘অতিরিক্ত উদযাপনের’ জন্য কার্ডও দেখলেন। কিন্তু নাটকের যে তখনও বাকি! ৯২ মিনিটের মাথায় ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করে পিএসজিকে দারুণ এক জয় এনে দিয়েছেন মুনিয়ের।

     

    শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা পিএসজি ম্যাচে বহুবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। প্রথমার্ধের ঠিক আগে দানি আলভেজের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোল পাওয়া হয়নি নেইমারদের। ৫০ মিনিটের সময় সুযোগ হাতছাড়া করেন ডি মারিয়া। ৫৩ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬১ মিনিটে মার্কুইনহসের হেড পোস্টে লাগে। ৬৩ মিনিটে নেইমারে পাসে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন এমবাপ্পে, কিন্তু তাঁর শট বাঁচিয়ে দিয়ে পিএসজিকে আবারো হতাশ করেন বাপতিস্তে।

     

    অবশেষে ৭০ মিনিটে ভাঙ্গে দিজনের প্রতিরোধ। ডি বক্সের বাইরে থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মুনিয়ের। মনে হচ্ছিল তাঁর গোলেই জয় পাবে পিএসজি, কিন্তু ৮৭ মিনিটে  জেনটের গোলে সমতা আনে দিজন। ঠিক পরের মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত দিজন, জেকার শট ঠেকিয়ে দিয়ে পিসজির জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন পিএসজি কিপার। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে দ্বিতীয়বারের মতো বল জালে জড়িয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন মুনিয়ের। এই জয়ে ৯ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেই রইল পিএসজি।

     

    পিএসজির জয়ের রাতে সিরি আতে লাৎসিওর কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে এবারের মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেল জুভেন্টাস। পিছিয়ে পড়েও সিরো ইম্মোবিলের জোড়া গোলেই জয় পেয়েছে লাৎসিও।

     

    ২৩ মিনিটে ডগলাস কস্তার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল জুভেন্টাসই। ৩৭ মিনিটে গঞ্জালো হিগুয়াইনের শট পোস্টে লাগলে ব্যবধান বাড়েনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার নিয়ন্ত্রণ নেয় লাৎসিও। ৪৭ মিনিটে লুইস আলবার্তোর পাসে গোল করেন ইম্মোবিল। সাত মিনিট পরেই জিয়ানলুইজি বুফন পেনাল্টি বক্সের ভেতর ফাউল করলে পেনাল্টি পায় লাৎসিও। পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সেই ইম্মোবিলই।

     

     

    পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে ফেরার বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল জুভরা। কিন্তু ৭০ ও ৯১ মিনিটে পাউলো দিবালা,  ৭২ মিনিটে মারিও মাজুকিচরা সুযোগ হাতছাড়া করায় সেটা হয়নি। লাৎসিও গোলকিপার থমাস স্ট্রাকোসা প্রতিবারই ঠেকিয়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডদের শট। 

    তবে নাটক হয়েছে ম্যাচের শেষে। নির্ধারিত সময়ের শেষে বক্সের বাইরে থেকে পাউলো দিবালার শট ফিরে আসে পোস্ট লেগে। এরপর মিনিট খানেক পরেই যোগ করা সময়ে আবার পেনাল্টি পায় জুভেন্টাস। কিন্তু দিবালার কিক ঠেকিয়ে দেন স্ট্রাকোসা, মিস করেই হতাশায় মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন দিবালা।

    এই পরাজয়ে ৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে জুভেন্টাস। সমান ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে নাপোলি, ৭ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইন্টার মিলান।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন