• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    লিভারপুলের 'লাকি সেভেনের' দিন জিতল সিটিও

     

    গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচেই পয়েন্ট হারিয়েছিল তারা। অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষ এনকে মারিবরের বিপক্ষে তাই জয়ের জন্য মরিয়া ছিল লিভারপুল। চ্যাম্পিয়নস লিগে গতকাল রাতে শুধু জয় আসেনি, স্লোভেনিয়ায় দল মারিবরকে নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করেছে ক্লপের দল। রবার্তো ফিরমিনো ও মোহামেদ সালাহর জোড়া গোলে ৭-০ ব্যবধানের বিশাল জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে ইংলিশ ক্লাবটি।

     

    গোলবন্যার শুরুটা করেন ফিরমিনো। ৪ মিনিটের মাথায় সালাহর পাসে বল জালে জড়ান। তিন মিনিট পর গোল পেতে পারতেন জেমস মিলনারও, বক্সের বাইরে থেকে করা শট বাঁচিয়ে দেন মারিবর কিপার জ্যাসমিন হ্যান্ডানোভিচ। ১৩ মিনিটে মিলনারের ক্রসেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফিলিপ কুতিনহো। ১৯ মিনিটে ফিরমিনোর থ্রুতে বল জালে জড়ান সালাহ। ৩৯ মিনিটে আলবার্তো মরেনোর পাসে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সালাহ।

     

    প্রথমার্ধেই ৪-০ তে এগিয়ে যাওয়া লিভারপুলের জয় ততক্ষণে অনেকটাই নিশ্চিত। মারিবরের ফরোয়ার্ডরা কালে ভদ্রেই লিভারপুল রক্ষণভাগের পরীক্ষা নিয়েছে। ৫৪ মিনিটে কুতিনহোর দারুণ এক ক্রসে হেডে দ্বিতীয়বারের মতো বল জালে জড়ান ফিরমিনো। ৭৬ মিনিটে অ্যালেক্স অক্সল্যাড চেম্বারলেইনের শট ঠেকিয়ে দেন মারিবর কিপার। পরের মিনিটে ডমিনিক সোলাঙ্কের জোরালো শটও গোলের দেখা পায়নি তাঁর জন্যই। 

     

    ৮৬ মিনিটে ম্যাচের ষষ্ঠ গোলের দেখা পায় লিভারপুল। ড্যানিয়েল স্টারিজের পাসে গোল করেন চেম্বারলেইন। ম্যাচের শেষ মিনিটে মারিবরের জালে সপ্তমবারের মতো বল পাঠান আলেকজান্ডার আর্নল্ড। 

     

    ৭-০ গোলের এই বিশাল জয়ে একটি রেকর্ডও করেছে লিভারপুল। এটাই চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিপক্ষের মাঠে কোনো ইংলিশ ক্লাবের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। আগের রেকর্ডটি ছিল লিডস ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে নরওয়ের ক্লাব লিনকে ৬-০ গোলে হারিয়েছিল লিডস। ১৯৫৭ সালে শামরক রভার্সকে ৬-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল ইউনাইটেড।

     

    লিভারপুলের জয়ের দিনে জয় পেয়েছে আরেক ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিও। ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। এই জয়ে সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে জয় পেলো সিটি।

     

     

    ৯ মিনিটেই সিটিজেনদের এগিয়ে দেন রহিম স্টারলিং। ৪ মিনিট পরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্যাব্রিয়েল হেসুস। ডি ব্রুইনেরইদারুন এক ক্রস দারুণভাবে সামলে নিয়ে গোলকিপার পেপে রেইনাকে বোকা বানান হেসুস। ২৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পেতে পারতেন হেসুস, তবে নাপোলি কিপারের কল্যাণে সেটা হয়নি।

    ৩৭ মিনিটে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় নাপোলি। কাইল ওয়াকার বক্সের ভেতর ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। তবে সেই পেনাল্টি মিস করে নাপোলিকে হতাশায় ডোবান ড্রাইস মারটেনস। প্রথমার্ধের একবারে শেষ মুহূর্তে আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন নাপোলির লরেঞ্জো।

    ম্যাচে ফিরতে মরিয়া নাপোলি দ্বিতীয়ার্ধে বারবার আক্রমণ করেও ভাঙতে পারছিল না সিটির রক্ষণদুর্গ। অবশেষে ৭২ মিনিটে আবারো পেনাল্টি পায় নাপোলি। এবার গোল করতে ভুল করেননি আমান্ডু দিয়াওয়ারা। ৮৩ মিনিটে প্রায় সমতা এনেই ফেলেছিল নাপোলি, কিন্তু অ্যাডাম অনাসের দারুণ এক শট বাঁচিয়ে দেন সিটি কিপার এডারসন। ম্যাচে আর গোল না হওয়ায় পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সিরি আতে এবারের মৌসুমের প্রথম ৮ ম্যাচেই জয় পাওয়া নাপোলি।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন