• লা লিগা
  • " />

     

    মালাগাকে হারিয়ে জয়ের ধারায় বার্সা

    গত মৌসুমে বার্সেলোনার বিপক্ষে লিগে দুই ম্যাচেই অপরাজিত ছিল মালাগা (এক জয়, এক ড্র)। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে বার্সার লিগশিরোপা হারানোর অন্যতম কারণ ছিল মালাগাকে হারাতে না পারাটা। ২০১৭-১৮ মৌসুমের প্রথম ম্যাচে অবশ্য সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়নি। মালাগাকে ২-০ গোলে হারিয়ে নতুন লিগ মৌসুমে ন্যু ক্যাম্পে সব ম্যাচ জয়ের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রাখলো বার্সা। গোল করেছেন জেরার্ড দেউলোফেউ ও আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। গোল না পেলেও ইনিয়েস্তার গোলের অ্যাসিস্ট এসেছে লিওনেল মেসির পা থেকেই।   

     

    ন্যু ক্যাম্পে দর্শকদের অনেকেই হয়তো তখন আসন গেড়ে বসতেও পারেননি ঠিক মত। এর আগেই মালাগার জালে বল পাঠালো বার্সা! ম্যাচের ২য় মিনিটে বার্সার দেওয়া গোলকে ঘিরে অবশ্য আছে জোর বিতর্ক। রিপ্লেতে দেখা গেছে, বাঁ-প্রান্ত থেকে লেফটভ্যাক লুকাস ডিনিয়ে ক্রস করার আগেই বল চলে গিয়েছিল মাঠের বাইরে। বল লাইন অতিক্রম করেছে ভেবে মালাগার খেলোয়াড়েরা খেলা থামিয়ে দিলেও ক্রসে পা ছুঁয়ে বল  ঠিকই জালে পাঠান দেউলোফেউ। শৈশবের ক্লাবের হয়ে ১৬তম ম্যাচে এসে গোলের দেখা পেলেন এই স্প্যানিয়ার্ড। মালাগা সমর্থকদের পাশাপাশি কোচ মিশেলও ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন সাইডলাইনে। মাত্র দুই মিনিটেই বার্সা লিড নিলেও প্রথমার্ধে আর তেমন গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেননি মেসি-সুয়ারেজরা।
     

     

    আর্জেন্টিনা, বার্সা- দু’দলের হয়েই টানা খেলে যাওয়ার কারণে আজ মেসিকে কিছুটা ক্লান্তই মনে হয়েছে। ‘ট্রেডমার্ক’ দু-একটি পাস বা বল পায়ে দৌড় নিলেও তার খেলা ঠিক ‘মেসি সুলভ’ ছিল না। কিন্তু নিজের সেরাটা না দিয়েও দলের জয়ে কীভাবে প্রভাব রাখতে হয় সেটা ঠিকই করে দেখিয়েছেন। ৫৬ মিনিটে তার ডিফেন্সচেরা পাস থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইনিয়েস্তা। এই অ্যাসিস্ট দিয়ে বার্সার হয়ে লা লিগায় ৫০০তম গোলে প্রত্যক্ষ অবদান রাখলেন মেসি (৩৬০ গোল, ১৪০ অ্যাসিস্ট)।

     

    ইনিয়েস্তার গোলের পর ম্যাচ মালাগার ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যাওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন লুইস সুয়ারেজ। আবারও মেসির পাস থেকে বল পান সার্জি রবার্তো। বিদ্যুৎ গতিতে ডিবক্সে ঢুকেই নিচু ক্রস বাড়ান সুয়ারেজের দিকে। প্রায় ফাঁকা গোলপোস্ট পেয়েও বল বাইরে মারেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। ম্যাচে আরও বেশকিছু সুযোগ হাতছাড়া করায় দশ মিনিট বাকি থাকতে সুয়ারেজকে তুলে নিয়ে পাকো আলকাসেরকে নামান কোচ এর্নেস্তো ভালভার্দে। লিগে এ নিয়ে পাঁচবার মুখোমুখি হলেও মালাগার বিপক্ষ এখনও গোলশূন্যই থাকলেন সুয়ারেজ। ন্যু ক্যাম্প দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানালেও বদলি হওয়ায় খুব একটা সন্তুষ্ট মনে হয়নি ‘এল পিস্তোলেরো’কে। এরপর পাকো আলকাসের, পলিনহোরাও পেয়েছিলেন গোলের সুযোগ। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। অন্যদিকে মালাগার আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা শত চেষ্টায়ও বার্সার রক্ষণভাগ ভাঙ্গতে সক্ষম না হলে শেষমেশ ২-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালানরা।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন