• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    প্রীতি ম্যাচেও এমন ইউনাইটেড দেখেননি মরিনহো

     

    ঘড়ির কাঁটা এগোনোর সাথে সাথে তাঁর মুখের মলিন ভাবটাও স্পষ্ট হয়েছে। ৬৫ বছর পর হাডার্সফিল্ড টাউনের কাছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরাজয়টা হোসে মরিনহোকে বেশ ভালোভাবেই নাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচ শেষে মরিনহো বলছেন, তাঁর অধীনে প্রীতি ম্যাচেও দলের এরকম বাজে পারফরম্যান্স দেখেননি।

     

    ইউনাইটেড ফুটবলারদের শারীরিক ভাষা একেবারেই পছন্দ হয়নি মরিনহোর, “আমি মনে করতে পারছি না শেষ কোন প্রীতি ম্যাচে দলের শরীরী ভাষা এত দুর্বল ছিল। যখন আমার দল হারে, তখন এমন দলের কাছে হারতে চাই যারা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। এই কারণে হারতে চাই না যে আমাদের শরীরী ভাষা যথেষ্ট ইতিবাচক ছিল না। হেরেরাকেও বলতে শুনলাম একই কথা। যদি ফুটবলাররাই এটা বলে তাহলে তো তাদেরই উচিত সংবাদ সম্মেলনে গিয়ে এসবের ব্যাখ্যা দেওয়া! আজ যদি এমন হয়, পরের দিনও তো একই ঘটনা ঘটতে পারে।”

     

    ইউনাইটেডের এমন পরাজয়ে হতাশ মরিনহো, “যদি আমি ইউনাইটেডের কোচ না হয়ে ভক্ত হতাম, তাহলে খুব বেশি হতাশ হতাম ম্যাচের ফলাফল দেখে। খেলায় হারজিত আছে, কিন্তু এভাবে খেলে হারলে সেটা মেনে নেওয়া যায় না।”

     

    হাডার্সফিল্ড টাউনকে অবশ্য জয়ের কৃতিত্বটা দিতে ভোলেননি মরিনহো, “আমি যে ধরনের ফুটবল পছন্দ করি হাডার্সফিল্ড ঠিক সেরকমই খেলেছে। তারা নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছে। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার পাশাপাশি তাদের আত্মবিশ্বাসও দারুণ ছিল। আমরা এটা করতে পারিনি। তাই জয়টা তাদের প্রাপ্য।”  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন