• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    দুয়ো দেওয়ার অনুমতি দিচ্ছেন মরিনহো!

    ওল্ড ট্রাফোর্ডে টটেনহাম হটস্পার্সকে হারানোর পর হোসে মরিনহোর অভিব্যক্তিই বলে দিয়েছে জয়টা কতোটা জরুরী ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য। ম্যাচ চলার সময় মরিনহোর মুখে আঙুল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্যতেও বোঝা গেছে ইউনাইটেড ম্যানেজার সমালোচনার জবাব দিয়েছেন জয় দিয়েই। 



    ম্যাচের ৮১ মিনিটে অ্যান্থনি মার্শিয়ালের গোলে ওল্ড ট্রাফোর্ডে জিতেছে ইউনাইটেড। এর দশ মিনিট আগেই মার্কোস র‍্যাশফোর্ডের বদলি হয়ে মাঠে নেমেছিলেন মার্শিয়াল। মরিনহোর এই সিদ্ধান্তটাই খুশি করতে পারেনি রেড ডেভিল সমর্থকদের। র‍্যাশফোর্ড মাঠ ছাড়ার সময় দুয়ো দিয়ে মরিনহোর সিদ্ধান্তের প্রতি অসমর্থন জানিয়েছিলেন সমর্থকেরা। পরে অবশ্য সেই মার্শিয়ালের গোলেই ম্যাচ জিতেছে ইউনাইটেড। কিন্তু মরিনহো ব্যাপারটি ভালো ভাবে নেননি, তবে সমালোচনাও করেননি। উলটো সমর্থকদের দুয়ো দেওয়ার অনুমতিই দিয়েছেন মরিনহো! 

    'তাঁরা নিজেদের পকেটের টাকায় টিকেট কেটে খেলা দেখতে আসেন। তাঁদের যা ইচ্ছা সেটা তাঁরা করতেই পারেন!' 

    'চাইলে এমন কাউকেও দুয়ো দিতে পারে যার আসলে দুয়োটা প্রাপ্য নয়। হয়ত কেউ অনুশীলনে কঠোর পরিশ্রম করছে কিন্তু মাঠের খেলায় তাঁর ভাগ্য কাজ করছে না- সেটা দেখেও দুয়ো দিতে পারেন সমর্থকেরা।' 

    'টিকেট কেটে যেহেতু খেলা দেখতে আসেন, চাইলে ম্যানেজারকেও দুয়ো দিতে পারে তাঁরা!' 

    সমর্থকদের আচরণে যে মরিনহো একেবারেই খুশি নন, সেটা তো কথা থেকেই বোঝা যাচ্ছে। তবে কটাক্ষ না করেই সমর্থকদের করণীয়টা নিজে কথার মধ্যেই বাতলে দিয়েছেন মরিনহো। এভাবে কথা বলতে তাঁর চেয়ে ভালো আর কেই-বা পারেন!       

     

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন