• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    কখনই জুভেন্টাস ছাড়তে চাননি মোরাতা

    রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ধারে জুভেন্টাসে গিয়েছিলেন ২০১৪ সালে। এর পর ইতালিতে দু'বছর কাটিয়ে আবারও ফিরেছিলেন রিয়ালে। এক মৌসুম পরই নতুন ক্লাব খুঁজতে হয়েছে আলভারো মোরাতাকে। আন্তোনিও কন্তের চেলসিতে যোগ দিয়েছেন গত দলবদলের মৌসুমেই। ইংল্যান্ডে মোরাতার ফর্মটাও খারাপ যাচ্ছে না। কিন্তু এসব কিছুর আগে জুভেন্টাস থেকে রিয়ালে ফেরার অধ্যায়টাই পছন্দের ছিল না মোরাতার। জানিয়েছেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার নিজেই। 

    জুভেন্টাসে যোগ দেওয়ার সময়েই চুক্তিতে মোরাতার রিয়ালে ফেরার শর্ত ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই পরে আবারও ৩০ মিলিয়ন ইউরোতে মোরাতাকে কিনে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। নিজের পুরনো ক্লাবে ফিরে যাওয়াটা নিজের অনিচ্ছাতেই হয়েছিল বলে জানাচ্ছেন মোরাতা। কিন্তু চুক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে ফিরতে হয়েছে স্পেনেই।




    'চুক্তির প্রতি সম্মান দেখাতেই হত। আমি খুবই হতাশ হয়েছিলাম। যেখান থেকে শুরু করেছিলাম, সেই বিন্দুতেই ফিরতে হয়েছিল আমাকে। ইতালিতে দুই মৌসুম কাটানোর পরও তাঁরা (রিয়াল মাদ্রিদ) আমাকে আগের সেই তরুণের মতোই দেখেছে।' 

    ইতালিতে কাটানো দুই বছরকে মোরাতা বলছেন ক্যারিয়ারের সেরা সময়। পুরোটা সময় জুড়েই উপভোগ করেছেন জুভেন্টাসে খেলা। রিয়াল ফেরত না চাইলে কখনই জুভেন্টাস ছাড়তেন না বলেও জানিয়েছেন। কারণটা ব্যখ্যা করেছেন মোরাতা। 

    'জুভেন্টাসে কাটানো সময়টা ছিল অসাধারণ। সেখানে আমি গিয়েছিলাম একজন তরুণ ফুটবলার হিসেবে। যখন ছেড়েছি, ততোদিনে আমি একজন পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড়! একজন স্প্যানিশের বসবাসের জন্য ইতালিই সেরা! আমি কখনই ইতালি আর জুভেন্টাস ছাড়তে চাইনি'। 

     

     


    গত মৌসুমে রিয়ালে ফেরত আসার পর অবশ্য লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন মোরাতা। ২৬ ম্যাচে ১৫ গোল করে রিয়ালের সাফল্যেও অবদান ছিল স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের। কিন্তু মৌসুমের বেশিরভাগ সময়ই বেঞ্চে বসে কাটানোয় সময়টা একেবারে ভালো যায়নি তার।

    আন্তোনিও কন্তের জন্যে চেলসিতে যোগ দিলেও বর্তমান ঠিকানা লন্ডনে এখনও ধাতস্থ হতে পারেননি মোরাতা। সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন এমনটা। 'আমি লন্ডনের শহরতলীতে থাকি। লন্ডনের বর্ণ-বৈচিত্র আমার বেশ ভালো লাগে। কিন্তু এখানে জীবন অনেক কঠিন। শহরটাও অনেক বড়, ধকল বেশি।       

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন