• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    গ্রিসে বার্সা আর পর্তুগালে আটকে গেল জুভেন্টাস

    চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে পাঁচ বছর পর গোলশূন্য ড্র করেছে বার্সেলোনা। অলিম্পিয়াকোসের সাথে ম্যাচ নিয়ে বাড়তি কোনো চাপ ছিল না বার্সার ওপর। জুভেন্টাস ড্র করায় আজ জিতলেই নিশ্চিত হয়ে যেতে পারত চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় পর্ব। কিন্তু গ্রিস গিয়ে শেষ পর্যন্ত জালের ঠিকানাটাই খুঁজে পায়নি এর্নেস্তো ভালভার্দের দল।

    ২০১২ সালে বেনফিকার বিপক্ষে সবশেষ গ্রুপ পর্বের কোনো ম্যাচে গোলের দেখা পায়নি বার্সা। সেই স্মৃতিটা ভুলতেই বসেছিলেন বার্সা সমর্থকেরা। আজ নতুন করে অলিম্পিয়াকোস মনে করিয়ে দিল সেই কথা। আসলে অলিম্পিয়াকোসের গোলরক্ষক সিলভিও পোর্তোই দুর্গ হয়ে দাঁড়িয়েছেন বার্সা আর গোলের মাঝে।

    প্রথমার্ধে গোলশুন্য থাকলেও অবশ্য তখনও মনে হচ্ছিল জয় নিয়েই ফিরবে বার্সা। মাঝমাঠে বল দখলের সাথে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য ছিল লিওনেল মেসিদের কাছেই।  সার্জি রবার্তোর ইনজুরি নিয়ে মাঠা ছাড়ার ঘটনা ছাড়া বিরতির আগ পর্যন্ত তাই এর্নেস্তো ভালভার্দেকে খুব একটা অস্বস্তিতে পড়তে হয়নি।  

     

     


    নিজের সাবেক ক্লাবের মাঠে অবশ্য শেষ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী হয়েছে ভালভার্দের। তবে দ্বিতীয়ার্ধে সবরকম চেষ্টাই চালিয়েছিল তার দল। কখনও নিজেদের দোষে, কখনও বা অলিম্পিকায়োসের রক্ষণ দুর্গের কারণে আর জালে বল জড়ানো হয়নি বার্সার। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে সুয়ারেজের পাস থেকে প্রায় ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থেকেও গোল করতে পারেননি মেসি। এর পর সুয়ারেজও প্রায় একই রকম জায়গা থেকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন গোলরক্ষককে। কিন্তু ডিফেন্ডার বতিয়ার ট্যাকেলে বল হারাতে হয় সে দফায়। এই একটি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকবারই সুয়ারেজকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতেই। ৭১ মিনিতে নিজেদের অর্ধ থেকে মেসির ডিফেন্সচেরা পাস খুঁজে পেয়েছিল সুয়ারেজকে। সে যাত্রায়ও গোলবঞ্চিত হয়েছে সুয়ারেজ।  

    শেষ দিকে সুবিধাজনক জায়গা থেকে ফ্রি কিক পেয়েছিলেন মেসিও। কিন্তু বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন অলিম্পিয়াকোসের বেলজিয়ান গোলরক্ষকের কাছে। দ্বিতীয়ার্ধে মেসি আর সুয়ারেজের আরও অন্তত গোটা দুই চেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত পোর্তোই ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন অলিম্পিয়াকোসকে।


    গ্রুপের অন্য ম্যাচে পর্তুগাল থেকে জুভেন্টাসও ফিরেছে এক পয়েন্ট নিয়ে। স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে অবশ্য কাজটা একেবারেই সহজ ছিল না ম্যাক্সিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির দলের জন্য। ২০ মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর হারের শঙ্কাই ভর করেছিল জুভের ওপর। কিন্তু ৭৯ মিনিটে গোল করে দলকে বাঁচিয়ে দেন গঞ্জালো হিগুয়াইন।

    গ্রুপ ‘ডি’ তে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সা, ৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে জুভেন্টাস।   

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন