• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    আগুয়েরোর রেকর্ড গড়া গোলে নাপোলিকে হারাল সিটি

    প্রিমিয়ার লিগ এবং সিরি আ-তে শীর্ষস্থানে আছে দুই দল। ইউরোপের অন্যতম আক্রমণাত্মক দুই দলের মধ্যে আজ চমৎকার এক লড়াইয়ের অপেক্ষাতেই ছিল ফুটবলবিশ্ব। হতাশ করেনি নাপোলি এবং ম্যানচেস্টার সিটি। স্তাদিও সান পাওলোতে রুদ্ধশ্বাস এক ম্যাচে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে সিটি। ২-২ এ সমতা থাকা ম্যাচে লক্ষ্যভেদ করে সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেছেন সার্জিও আগুয়েরো (১৭৮)।

    আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ঠাসা এক প্রথমার্ধে গোলের সূচনা করেছিল নাপোলিই। ২৪ মিনিটে দ্রিস মার্টেন্সের সাথে দারুণ এক 'ওয়ান-টু' করে সিটি গোলরক্ষক এডারসনকে পরাস্ত করেন লরেঞ্জো ইনসিনিয়ে। এর মিনিট দুয়েক আগেই অফসাইডের কারণে বাতিল হয় মার্টেন্সের গোল। নাপোলির আক্রমণভাগকে সামাল দিতে বেশ হিমশিমই খাচ্ছিলেন সিটির ডিফেন্ডাররা।

     

     

    গোল হজমের পর থেকে গুছিয়ে খেলা সিটির সমতায় ফেরে ম্যাচের ৩৪ মিনিটে। কেভিন ডি ব্রুইনের কর্ণার থেকে ডানপ্রান্তে বল পান ইলকে গুন্ডোয়ান। জার্মান মিডফিল্ডারের ক্রসে হেড করে দলকে সমতায় ফেরান ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি। সমতায় ফিরেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় সিটি। ৩৯ মিনিটে ডিফেন্ডার জন স্টোনসের হেড ক্রসবারে প্রতিহত না হলে লিড নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করতে পারত পেপ গার্দিওলার দল।

     

     

    তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সিটিকে ম্যাচে এগিয়ে  দেন প্রথমার্ধের গোল বঞ্চিত হওয়া স্টোনস। ৪৮ মিনিটে উইঙ্গার লিরয় সানের ক্রস থেকে হেড করে গোল করেন তিনি। ডিফেন্ডার হয়েও এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ মৌসুমে ৩য় গোলের দেখা পেলেন স্টোনস। লিডট অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি সিটি। ৬২ মিনিটে ডিবক্সে ডিফেন্ডার রাউল আলবিওলকে ফেলে দিয়ে নাপোলিকে পেনাল্টি উপহার দেন সানে। ১২ গজ থেকে এডারসনকে পরাস্ত করতে ভুল করেননি মিডফিল্ডার জর্জিনহো।

     

     

    সমতায় ফেরার পরপরই আবারও লিড নেওয়ার সুবর্ণ এক সুযোগ পেয়েছিল নাপোলি। মার্টেন্সের পাস থেকে হোসে মারিয়া কায়েহনের শট দুর্দান্তভাবে রুখে দেন এডারসন। কিন্তু সিটি যেন নাছোড়বান্দা। মিনিটখানেক পর ৬৯ মিনিটে প্রতি আক্রমণে সিটিকে আবারও লিড এনে দেন আগুয়েরো। এই গোল দিয়েই ইতিহাস রচনা করলেন এই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। এরিক ব্রুককে (১৭৭) হটিয়ে ১৭৮ গোল দিয়ে বনে গেলেন সিটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। যোগ করা সময়ে প্রতি আক্রমণে ডি ব্রুইনের পাস থেকে দলের জয়ের নিশ্চিত করেন রহিম স্টার্লিং। আর চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ-১৬ তে জায়গাটাও নিশ্চিত হয় পেপ গার্দিওলার ম্যান সিটির।

    রাতের অন্যান্য খেলায় 'এফ' গ্রুপে মারিবোরকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। ২-১ গোলে স্পার্টাক মস্কোকে হারিয়ে শেষ ষোলোর আশা বাঁচিয়ে রেখেছে সেভিয়া। 'জি' গ্রুপে বেসিকতাস এবং মোনাকোর মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। ওদিকে আরবি লাইপজিগকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে এফসি পোর্তো। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন