• নিউজিল্যান্ড-ভারত ওয়ানডে সিরিজ
  • " />

     

    বিদায়বেলায় কোনো 'আক্ষেপ' নেই নেহরার

     

    পুরো ক্যারিয়ারে প্রতিপক্ষের চেয়ে তার ‘লড়াইটা’ বেশি হয়েছে চোটের সাথে। সব মিলিয়ে প্রায় ১২বার যেতে হয়েছে শল্যবিদের ছুরির নিচে। সকল বাধা পেরিয়ে আশীষ নেহরা তবুও বারবার ফিরে এসেছেন ক্রিকেটে। তবে শেষ পর্যন্ত এবার থামলেন। গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন নেহরা। ম্যাচ শেষে নেহরা বলেছেন, বিদায়বেলায় তাঁর কোনো আফসোস নেই।

    নেহরা মনে করেন, ঠিক সময়েই বিদায় বলেছেন, “বিদায় বলার সময়টা যে এসে গিয়েছিল,  সেটা বুঝতে পারছিলাম। আর দিল্লীর স্টেডিয়ামে বিদায় নেওয়ার চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে? এটা আমার জন্য বিশেষ একটা মুহূর্ত। অনেকেই বলেছেন আমি আরও কিছুদিন খেলতে পারতাম। কিন্তু আমি জানি, সেরা ফর্মে থাকার সময়েই সরে দাঁড়াতে হয়। ১৯ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি, এটা ছেড়ে দিতে অবশ্যই একটু খারাপই লাগবে। তবে একটা সময়ে তো থামতেই হয়।”

     

     

     

    ম্যাচের শেষ ওভারটা করেছেন। নেহরা জানালেন, বোলিং করতে এসে খানিকটা আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছিলেন, “অবশ্যই একটু আবেগ কাজ করছিল। কোহলি আমাকে আগে বলেছিল শেষ ওভারটা করতে। বারবার মনে পড়ছিল ১৯৯৭ সালে করা নিজের প্রথম ওভারের কথা। কীভাবে ২০ বছর পেরিয়ে গেলো বুঝতেই পারলাম না!”

    বিদায়বেলায় চিরচেনা সেই হাসিমুখেই মাঠ ছেড়েছেন। নেহরা বলছেন, দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে আক্ষেপের জায়গাটা খুবই কম,  “কিছু আক্ষেপ তো সব ক্রিকেটারেরই থাকে।  কিন্তু এত ইনজুরির পরেও আমি খেলেছি, এটার জন্য নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবি। দলের ম্যানেজমেন্ট, সতীর্থরা আমার ওপর ভরসা রেখেছে, বারবার বলেছে যে আমি যেন ধৈর্য না হারাই। দিনশেষে আমি একজন সুখী মানুষ হিসেবেই বিদায় নিচ্ছি।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন