• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    মিসবাহর বুদ্ধিতেই 'রাজা' হয়েছেন তাসকিন

    হাত থেকে এখনো মুছে যায়নি মেহেদী। সংবাদ সম্মেলনে ঢুকতেই তাসকিন আহমেদ লাজুক মুখে তা দেখালেন। কদিন আগেই শুরু করেছেন জীবনের নতুন ইনিংস, বিপিএলে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। অবশেষে আজ ফিরছেন স্বরূপে, তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন একাই। তাসকিন ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন, অন্যের নয়, নিজের বুদ্ধিতেই আজ ফিরে পেয়েছেন নিজেকে।

    দক্ষিণ আফ্রিকা সফরটা দুঃস্বপ্নের মতোই কেটেছে, পুরো সফরে পেয়েছেন মাত্র দুই উইকেট। বিপিএলের প্রথম ম্যাচেও ৩৬ রান দিয়ে উইকেট পাননি কোনো। তাসকিন স্বীকার করেছেন, প্রথম ম্যাচে খারাপ করার পর একটু ভেঙেই পড়েছিলেন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে আবার নিজেকে অনুপ্রাণিত করেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ছয়টা ম্যাচ মনের মতো একদমই হয়নি, ফার্স্ট ক্লাসটাও খেলতে পারি নাই। মনের মধ্যে আশা ছিল ভালো করার। সত্যি বলতে মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছিলাম প্রথম ম্যাচের পরেই। বাট কালকে রাতে ও আজকে সকালে বুঝতে পেরেছি নিজেকে। আমি আশা ছাড়িনি, অনুশীলনে বল করেছি।’

    আজ তিন উইকেটের মধ্যে নাফীসের উইকেটটা অবশ্য আলাদা করেই মনে রাখবেন তাসকিন, দারুণ এক ইয়র্কারে নাফীসকে বোল্ড করে ম্যাচ ফিরিয়েছেন চট্টগ্রামকে। তাসকিন সেটার পেছনের গল্পটাও বললেন, ‘আমি চিন্তা করেছি খুবই ভালো একটা ব্যাটিং ট্র্যাক এখানে। যত মিক্স আপ করা যায়, স্লোয়ার বাউন্সার ইয়র্কার যত বেশি করা যায়। একই লেংথের দুইটি থেকে তিনটি বল করলেই কিন্তু বাউন্ডারি। এজন্য এর আগের দুইটা বল শর্ট অব লেংথে বাউন্সার মেরেছি। ওই বলে প্ল্যান করেছি পারফেক্ট ইয়র্কার করার জন্য, সেটা নিঁখুত হয়েছে।’

    পরে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে থাকা পেরেরাকেও ফিরিয়েছেন বাউন্সারে। সবকিছুর জন্য আলাদা করে ধন্যবাদ দিলেন অধিনায়ক মিসবাহকে, ‘আজ সকালে মিসবাহ ভাই নাস্তার টেবিলে একটা কথা বলেছেন, ফকির হলে নিজের বুদ্ধিতে ফকির হও। মরলে নিজের বুদ্ধিতে বল করে মার খাও। মানুষের কথা শোনার চেয়ে আমি আমার মনের কথা শোনার চেষ্টা করেছি।’

    তবে তাসকিন পা মাটিতেই রাখছেন। নিজেকে ফিরে পাওয়ার অনেক দেরি, সেটাও মাথায় আছে তাঁর, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা টুরে চেষ্টা করেছি, যত খেলছি অভিজ্ঞতা হয়েছে আস্তে আস্তে শিখছি। এই জিনিসগুলো আসলে ভুল থেকে শিখা। এখনও আমি যদি বলি অনেক শিখে গেছি সেটা কিন্তু নয়। আমি এখনো ৫০ ভাগ অর্জন করতে পেরেছি, আরও ৫০ ভাগ বাকি আছে। সেটার জন্য কাজ কছি। সিনিয়ররা, মাশরাফি ভাই, রুবেল ভাই সবার সাথে কথা বলি। বাকিরাও হেল্প করে আমাকে।’

    বাকি ৫০ ভাগের মধ্যে অন্তত কিছুটা এই বিপিএলেই নিশ্চয় এগিয়ে রাখতে চাইবেন।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন