• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    'দেশীদের জন্য ভালো করা কষ্টকর'

    এখন পর্যন্ত বলতে গেলে চারভাগের এক ভাগ শেষ হয়েছে। মাশরাফি বিন মুর্তজা বা মাহেলা জয়াবর্ধনে যেমন বলেছেন, এখনই কিছু অনুমান করাটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। তবে একটা ব্যাপার বলেই দেওয়া যায়, দেশি ব্যাটসম্যানদের জন্য এবারের বিপিএল খুব একটা রানপ্রসবা নাও হতে পারে। সেটি মনে করিয়েও মিনহাজুল আবেদীন নান্নু স্বীকার করলেন, বিদেশী ব্যাটসম্যানরা টপ অর্ডারে বেশি খেলাতে দেশের ব্যাটসম্যানদের সুযোগও কমে যাচ্ছে।

    এখন পর্যন্ত বিপিএলের সবচেয়ে বেশি রান করাদের তালিকায় প্রথম ছয়েও কোনো বাংলাদেশী নেই। সাত নম্বরে আছেন মুমিনুল, এখন পর্যন্ত দেশি কোনো ব্যাটসম্যানের একমাত্র ফিফটিও তাঁর। তবে মুমিনুল সেই গুটিকয়েক দেশি ব্যাটসম্যানদের একজন, যাঁদের ওপেন করার সৌভাগ্য হচ্ছে। প্রথম তিনে কোনো বিদেশী ব্যাটসম্যান নেই, ঢাকা ডায়নামাইটসের একটা ম্যাচে এমনও হয়েছে। বিসিবির একাডেমি মাঠে মিনহাজুল আবেদীন ব্যাপারটা মেনেও নিলেন, ‘আপনি দেখবেন সব দলের ফ্রন্টলাইনে ফরেইন প্লেয়াররা ডমিনেট করছে। এই জিনিসটা কমতো, যদি আরেকটা দল থাকতো। দল কম থাকায় প্রেশারটা চলে আসছে। সুযোগ পেলে ভালো খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ।’

    আবার সাব্বির, মুশফিকের মতো কেউ সুযোগ পেয়েও ভালো করতে পারছেন না। বরং খুলনার আরিফুল হক কাল পরে নেমেও দারুণ একটা ইনিংস খেলেছেন। এমন কাউকে পাওয়াটাই বিপিএল থেকে প্রাপ্তি হওয়া উচিত বলে মনে করেন মিনহাজুল, ‘আমার মনে হয়, আমরা যদি এই টুর্নামেন্ট থেকে দুই তিনজন ভালো পারফর্মার পাই, সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া হবে। যেহেতু সব টিমেরই ফ্রন্টলাইনে বিদেশিরা খেলছে, সেহেতু দেশি খেলোয়াড়দের জন্য পারফর্ম করা কষ্টকর। তাদের খুব পরিশ্রম করতে হচ্ছে।’

    তবে এখনই বিপিএলে দেশীদের ভালো খেলা নিয়ে খুব একটা বিচলিত নন মিনহাজুল, ‘একেকটা দল অন্তত ১২টা করে ম্যাচ পাবে। এখন পর্যন্ত তিনটা করে খেলা গেছে। আমার মনে হয় যে, অন্তত ৭০ ভাগ ম্যাচ শেষ না হলে পারফর্ম মূল্যায়ন করতে পারবেন না। কারণ টি-টোয়েন্টিতে একজন খেলোয়াড় খুব কম সুযোগ পায়। সুতরাং একটা দুইটা ম্যাচ দেখে বিচার করা যাবে না। এতো শর্টার ভার্সন, এখানে সব কিছু অনেক কঠিন। আমার মনে হয় খেলোয়াড়দের আরো মনোযোগ বাড়ানো উচিত, আরো পারফর্ম করা।’

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন