• বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা
  • " />

     

    'কোচের ব্যাপারে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলার দরকার নেই'

    চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দেশে আসছেন, গুঞ্জনটা কয়েক দিন ধরেই ভেসে বেড়াচ্ছে বাতাসে। বিসিবি তাঁকে রেখে দেওয়া শেষ চেষ্টা করছে, শোনা যাচ্ছে তাও। মাশরাফি বিন মুর্তজাও তাই নিরাপদ পথেই হাঁটলেন। কয়েকদিন আগেই বিসিবি সভাপতি বলেছিলেন, নতুন কোচ এলে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আগে কথা বলে নেওয়া হবে। তবে মাশরাফি বলছেন, সেটার কোনো প্রয়োজনীয়তা দেখছেন না তিনি।

    বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন কয়েক দিন আগেই বলেছিলেন, শেষ পর্যন্ত যদি নতুন কেউ আসেই সেটা খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে মতামত নেওয়া হবে। আজ বারিধারায় মাদকাসক্ত নিরাময়ের একটা অনুষ্ঠানে বললেন, কোচ নিয়োগের ব্যাপারে খেলোয়াড়দের মতের দরকার দেখেন না,  ‘আমার অন্তত মনে পড়ছে না শেষ ১৬-১৭ বছরে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলে কোচ নেয়া হয়েছে। এখনও তাই বলব। আমি এটার দরকার দেখি না। আমাদের সঙ্গে আলোচনা করার দরকার আছে বলেও মনে হয় না। আমাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা। যেই কোচ হয়ে আসুক আমাদের চিন্তা থাকবে পরিকল্পনা করে খেলা। উনারা কাকে আনবে সেটা আসলে ব্যাপার নয়।’

    আপাতত দেশী কোচ নেওয়া হবে এমন একটা আভাসও দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। মাশরাফি অবশ্য এটা নিয়ে কূটনৈতিক উত্তর দিলেন, ‘দেশি কোচ হবে আমি আসলে এটা নিয়ে ভালোভাবে জানি না। যদি হয় আমরা ওভাবেই খেলব। যেটা বললাম আমরা বিসিবি আন্ডারে আছি। বিসিবি যেটা সিদ্ধান্ত নিবে সেটা নিয়েই আমাদের থাকতে হবে। হাথুরুসিংহে তো এখনও কনফার্ম হয়নি যে সে যাবে কি যাবে না। তবে দেশি কোচ এর আগে সারোয়ার ইমরান স্যার ছিলেন। আমি উনার আন্ডারে খেলেছি। একটা সময় সুজন ভাইও সহকারী কোচ ছিলেন। খেলোয়াড়রা মানিয়ে নিতে পারবে।’

    দেশী ক্রিকেটারদের বছরে দুইটির বেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে খেলার ব্যাপারেও একটা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা ভাবছে বিসিবি। মাশরাফি অবশ্য এটা নিয়ে খুব একটা সমস্যা দেখছেন না, ‘প্রথমত বাংলাদেশ দলে যারা খেলছে তাদের স্বপ্ন অবশ্যই বাংলাদেশ দলের জন্য খেলা। এখানে আমার কাছে মনে হয়টা বিরাট কোনো ইস্যু আছে। আবার এটাও দেখেন বাংলাদেশের কতজন খেলোয়াড় বাইরে খেলে। হয়তোবা সাকিব খেলে। সাকিব আইপিএল খেলে, মুস্তাফিজ আইপিএল খেলে। আইপিএল ছাড়া সাকিব বেছে আরেকটা টুর্নামেন্ট খেলে। আমার কাছে মনে হয়না এটা বড় কোনো সমস্যা। সিদ্ধান্ত আসলে কি হয়েছে সেটা আমি এখনও জানি না। আমার কাছে মনে হয়না এটা বড় কোনো সমস্যা হওয়ার কথা। আমাদের সবাই চায় বাংলাদেশের হয়ে খেলতে, বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে।’  

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন